খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিতে বসবাস করতে চায় মিরসরাই উপকূলের জনগণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
শান্তিতে বসবাস করতে চায় মিরসরাই উপকূলের জনগণ

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী উপকূলিয় এলাকায় বসবাস করে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত জেলে সমাজ। সংসারে অভাব অনটন তাদের নিত্য সঙ্গি। জীবন বাজি রেখে ধাদনে টাকা নিয়ে নৌকা ও জাল ক্রয় করে জীবনের ঝুকি নিয়ে উত্তাল সাগরে জাল ফেলে মাছ ধরে জিবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু এই নিরীহ জেলে সমাজের উপরও চলে এসব পাতি নেতাদের অন্যায় অত্যাচার জোল জুলুল ব্যাবিচার। নিরবে সব সহ্য করে কোন প্রকারে জীবন যাপন করতে পারলেও এত টুকু মুখ খুললেই তাদের উপর নেমে আসে অমানবিক অত্যাচার। জেলেদের জাল চুরি, নৌকার পাটতন, ইঞ্চিন চুরি, পাখা চুরি মাছ চিনতাই কোন কিছুই বাদ যায় না।

বেড়িবাধ এলাকার জসিম উদ্দিন মাষ্টার সওদাগর বলেন, তার দোকান থেকে জেলেদের জাল ও নৌকার ইঞ্জিনের যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে যায়। যন্ত্রপাতির তেমন দাম না থাকলেও জেলেদের অনেক টাকা মূল্যের জাল গুলির জন্য খারাপ লাগে। দরিদ্র জেলেরা জালগুলি হারিয়ে নদিতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে এতে তাদের পরিবার গুলো বিপাকে পড়েছে খাবারের অভাবে।

রিপন সওদাগর বলেন, তার দোকানের সৌর-বিদ্যুতের ব্যাটারি, জেলেদের ইঞ্জিন চালিত নৌকার পাখা ও অন্যান্য মালামাল সহ প্রায় ১৬হাজার টাকার জিনিস চুরি হয়ে যায়।

স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার জয়নাল আবেদিন দুলাল জানান, বেড়ি বাধ এলাকায় প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনা ভুক্তভোগিরা বিভিন্ন সময় জানিয়েছে তবে কেউ বাদি হচ্ছে না, দুষ্কৃতিকারিদের নাম সরাসরি বলতে সাহস পাচ্ছে না। কেউ বাদি না হলে দুষ্কৃতিকারিদের নাম না বললে আমরা কার বিচার করবো। মানিক ও মামুনের ব্যাপারে জানত চাইলে তিনি বলেন, তারা এলাকার চিহ্নিত দুষ্কৃতিকারি।

পুলিশ কয়েক বার গ্রেফতার করলেও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এলাকায় আরো বেশি অত্যাচার শুরু করে। মানিককে পুলিশ একবার গ্রেফতার করলেও থানা পর্যন্ত না নিয়ে ছেড়ে দেয়। তবে রাজনৈতিক কোন ফোনে নয়, পুলিশ টাকা খেয়ে ছেড়ে দিয়েছে বলে আমরা জানি।

১৬ নং সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে, তিনি এসবের কিছুই জানেন না বলে অস্বীকার করেন।

অভিযোগকারীদের নাম ও মেম্বারের রেফারেন্স দিলে তিনি বলেন, আমার কাছে সরাসরি লিখিত কেউ অভিযোগ করেনি। যদি চুরি হয়ে থাকে থাকায় জিড়ি করুক আমি থানাকে সহযোগিতা করবো আসামীদের গ্রেফতার করতে। গরু চুরির ব্যাপারে গরুর মালিক কে থানায় জিড়ি করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি।

স্থানিয়দের অভিযোগ আপনার নিরবতায় আষ্কারা পেয়ে অভিযুক্তরা এসব অপকর্ম করছে এমন কথায় তিনি কোন উত্তর না দিয়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। পুনরায় ফোন করা হলে তিনি ৬ নং ওয়র্ড মেম্বার জয়নাল আবেদিন দুলাল কে ফোন ধরিয়ে দেন।

নাম প্রকাশে ভীত-তটস্থ অনিচ্ছুক ভূক্তভোগি ক্ষতিগ্রস্থরা স্থানিয় চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরীর নিরবতাকেই দায়ি করছেন সকলেই। চেয়ারম্যানের নিরবতাকে দায়ি করলেও সরাসরি কথা বলতে সাহস পান না । তবে ফোনালাপে অনেকেই চেয়ারম্যান সহ স্থানিয় রাজনৈকি কয়েকজন নেতাকেই দায়ি মনে করে তাদের অভিমত প্রকাশ করেন। এসব ভূক্তভোগি ক্ষতিগ্রস্ত নির্যাতিত মানুষ মনে করেন স্থানিয় রাজনৈতিক নেতারা একটু সদয় হলেই উপকূলিয় এলাকার পরিবেশ বাস যোগ্য হবে। অন্যথায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা এসব পাতিনেতাদের কারনে বসবাসের অনুপোযোগি হয়ে উঠেছে এই উপকূলিয় জনপদ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…