খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে নতুন ১৫৭ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ,মোট ১৩৫০৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে নতুন ১৫৭ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ,মোট ১৩৫০৩

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক: চট্টগ্রামে নতুন করে ১৫৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) অস্তিত্ব মিলেছে। এর মধ্যে নগরে ১০৬ জন এবং উপজেলাগুলোতে ৫১ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৫০৩ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নগরে একজন মারা গেছেন।

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ২৩৮ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ৩৬ জন এবং উপজেলায় ৫ জন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ৬৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ১ জন এবং উপজেলায় ৫ জন।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে (সিভাসু) ১৬৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ২১ জন এবং উপজেলায় ৫ জন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে ১৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ১৮ জন এবং উপজেলায় ২৮ জন।

ইমপেরিয়াল হাসপাতালের ২৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ২৭ জন এবং উপজেলায় ২ জন।

শেভরণ ল্যাবে ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগরে ১৩ জন এবং উপজেলায় ২ জন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে গতকাল চট্টগ্রামের ২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে গতকালের চট্টগ্রাম জেলার করোনা সম্পর্কিত এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা: সেখ ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ছয় ল্যাব এবং কক্সবাজারে ৮৪২ টি নমুুুুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। উক্ত পরীক্ষায় চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১৫৩ জন। চট্টগ্রামের মোট আক্রান্ত বেড়ে ১৩৫০৩ জন। এর মধ্যে নগরে ৯৪০১ জন এবং উপজেলায় ৪১০২ জন।

উপজেলা ভিত্তিক পজিটিভ তথ্য : সাতকানিয়া ২, বাঁশখালী ২, চন্দনাইশ ১, পটিয়া ১, বোয়ালখালী ২, রাঙ্গুনিয়া ৪, রাউজান ১১, ফটিকছড়ি ১২, হাটহাজারী ৯, সীতাকুণ্ড ২ এবং মিরসরাই ৫ জন। 

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ইতিমধ্যে ২২৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে নগরে ১৬০ এবং উপজেলায় ৬৭ জন। এছাড়া নতুন ৫২ জন সহ এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৭৯২ জন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’দের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং দায়মুক্তি দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিল সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। পরে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে পাস হওয়া ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিলের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে এসব অভিযোগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত বাধা (বারিত) হিসেবে গণ্য হবে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হলো।

নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগ্নভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে দখল করা হয়েছে। বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এটা নাই। এটা হয়ে গেছে হচ্ছে ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়েছে।

বুধবার (৮এপ্রিল) সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১১ দিনের বিকেলের সেশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬ উত্থাপনের পর সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে যে বিলটা আনা হয়েছে। সেই বিলে যদি আমরা দেখি এখানে কমিশন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বুঝানো হয়েছে। এখানে দুই এর ‘ঘ’তে সংজ্ঞার মধ্যে আমরা যদি দেখি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার এটার ব্যাখ্যাটা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তি স্বার্থে সংঘঠিত যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে। এটাকে একভাবে দেখা হবে। আর আরেকটা হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশ্য যেই কার্যাবলীগুলো সংগঠিত হয়েছে। সেটাকে একভাবে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রবলেমের জায়গাটা যেটা সেটা হচ্ছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে ধরনের সংগঠিত হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেটাকে কে ডিফাইন করবে? সেটাকে কিন্তু ডিফাইন করবে এই আইন অনুযায়ী জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। অর্থাৎ এই ইনডেমনিটিটা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপরে নির্ভর করবে। এবার এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের যে অধ্যাদেশ সেটা কিন্তু ইতোমধ্যে ল্যাপস করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন এই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনটা এটা যদি ২০০৯ সালের অনুযায়ী যদি চলে তাহলে সেটা কিন্তু পুরোপুরি সরকার নিয়ন্ত্রিত একটা মানবাধিকার কমিশন। যেই মানবাধিকার কমিশন বিরোধী দল ও মতকে দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ভিকটিম ব্লেমিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। যেই মানবাধিকার কমিশন গুম খুনের বৈধতা উৎপাদন করা হয়েছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মানবাধিকার কমিশনকে যদি আমরা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি এবং ওই মানবাধিকার কমিশনের মধ্য দিয়েই যদি আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এই কার্যক্রমগুলোকে বিচারের এবং নিরীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে এই নিরীক্ষণ কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

তিনি বলেন, আমরা এই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে যদি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে একটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখি তাদের মাধ্যমে আমরা নিরপেক্ষ ধরনের অনুসন্ধান আমরা কতটা পাব, সেটা নিয়ে কিন্তু আমরা সন্ধিহান, সেই জায়গা থেকে এই বিলটিকে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই, এটাকে যদি আমরা ফাংশনাল করতে চাই তাহলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই-অবশ্যই সেটাকে স্বায়িত্বশাসিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে, নিপীড়িত হয়েছে, তারাই এটাকে একটা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখতে চাচ্ছে। এই অজুহাতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যদি অটোনমাস হয়ে যায় তাহলে সেটাকে এটার জবাবদিহিতা কিভাবে নিশ্চিত হবে?

‘যেভাবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো নগ্য করা হচ্ছে সেজন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে দলীয়করণ করা হবে না, আবার বাপের দোয়া একটা মানবাধিকার কমিশন বা বিরোধীদল দমন কমিশন করা হবে না, এটার প্রতি কিন্তু আমাদের আস্থা নাই।’

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিলটা পাস হওয়ার আগে আমাদের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এই বিল হচ্ছে হওয়া নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। না হয় বিসিবির মতো আমরা আবার বাপের দোয়া কমিশন দেখতে পাব। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো আবার দলীয়করণ দেখতে পাব। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যেভাবে এক ধরনের দলীয়করণ করা হয়েছে, আমরা সেটি দেখতে পাব।

হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল নেবে ইরান ও ওমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য টোল নেবে ইরান ও ওমান

অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।

যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির সূত্র দিয়ে এ খবর দিয়েছে সিএনএন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতি চলাকালে এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে দেশ দুটি একমত হয়েছে।

তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, জাহাজ চলাচল থেকে সংগৃহীত এই অর্থ পুনর্গঠন কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় বর্তমানে এই রুট দিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। তবে কিছু তেলবাহী ট্যাঙ্কার এই পথ ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে; উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তান ও ভারত তাদের পতাকাবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচলের জন্য ইরানের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিশেষ নিশ্চয়তা আদায় করে নিয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারাপারের জন্য প্রতিটি জাহাজ থেকে ইরান ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি টাকা) পর্যন্ত ফি দাবি করছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি এই বিশাল অংকের অর্থ পরিশোধ করেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয় : ইসরায়েল
এদিকে যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়।

বুধবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তকে ইসরায়েল সমর্থন করে। তবে শর্ত হলো— ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ ওই অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ঘোষিত এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

ইসরায়েলের এই অবস্থান পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আগে জানিয়েছিলেন যে, এই চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিবৃতিতে লেবানন নিয়ে কিছু উল্লেখ করেননি।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইসরায়েলি নেতার পক্ষ থেকে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে হোয়াইট হাউস
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর হোয়াইট হাউস নিজেদের বিজয়ের দাবি করেছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বিজয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের সামরিক বাহিনী বাস্তবে রূপান্তর করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ট্রাম্পের উদ্যোগেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট উল্লেখ করেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই বলেছিলেন যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের একটি অভিযান হবে। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ৩৮ দিনেই তাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন এবং এর চেয়েও বেশি সফলতা অর্জন করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি আরও লেখেন, আমাদের সামরিক বাহিনীর এই সাফল্য একটি শক্তিশালী অবস্থান (লেভারেজ) তৈরি করেছে। এর ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার দল কঠিন দরকষাকষির সুযোগ পেয়েছেন, যা এখন একটি কূটনৈতিক সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ প্রশস্ত করেছে।