খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক হচ্ছে বিমান ভ্রমণ : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ১:১৩ অপরাহ্ণ
আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক হচ্ছে বিমান ভ্রমণ : প্রধানমন্ত্রী

বিমান ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আধুনিক ও পেশাদার বিমানবাহিনী গঠনে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিউইর্য়ক, টরেন্টো ও সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় বিমান বাংলাদেশ।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন করতে দেশের বিমানবন্দরগুলোকে আধুনিকায়নের কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত করার কাজ চলছে, যেন পার্শ্ববর্তী দেশগুলোও যেন তা ব্যবহার করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আকাশপথে বিশ্বের দূরবর্তী গন্তব্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চায় সরকার। এজন্য আরও দুটি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান বাহিনীকে সবদিক থেকে সচ্ছল বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর জন্য অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ক্রয়সহ অন্যান্য উন্নয়ন কাজও চলছে। এছাড়া বেসামরিক বিমান চলাচলে ও যাত্রীসেবার মান বাড়াতে বিমান বাংলাদেশেরও উন্নয়ন করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে পুনর্গঠিত করে স্বল্পোন্নত দেশে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, সামরিক কৌশলগত দিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও পেশাদার বিমান বাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তে ১৯৭৩ সালে সে সময়ের সব থেকে আধুনিক মিগ ২১ সুপারসনিক ফাইটার বিমানসহ পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, এয়ার ডিফেন্স, রাডার ইত্যাদি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সংযোজন করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী এসময় আরও জানান, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন পুনরায় সরকার গঠন করে, তখন আবার আমরা বিমান বাহিনীকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করি। এবং সেসময় আমরা চতুর্থ প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান মিগ ২৯, ইয়ার ১৩০, আধুনিক পরিবহন সি ১৩০ সহ আরও বেশ কিছু বিমান বাহিনীতে সংযোজন করি।

শেখ হাসিনা জানান, ২০০৮ এর নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করি। তখন আমরা বিমান ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি রক্ষাণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজে নিজস্ব সক্ষমতা অর্জনের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিই। আমরা ২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু এরোনোটিক্যল সেন্টার স্থাপন করেছি। নিকট ভবিষ্যতে এই সেন্টারে যুদ্ধ বিমানসহ বর্তমানে ব্যবহৃত বেসামরিক বিমানও মেরামত করা সম্ভব হবে বলে আশা রাখি।

এসময় তিনি আরও বলেন, বিগত পৌনে ১১ বছরে বিমান বহরে আমরা বোয়িং কোম্পানির চারটি অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারসহ মোট ১০টি বিমান সংযুক্ত করেছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আকাশ পথে স্থাপন করতে চাই। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আশা করি, নিউইয়র্ক, টরেন্টো, সিডনির মতো দূরবর্তী গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারব। এ লক্ষ্যে সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটিকে ক্যাটাগরি ১ এ উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে।

এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেইফটি সেমিনার হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকায় শুরু হয়। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ সেমিনার উদ্বোধন করেন।

এ সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য নিরাপদ উড্ডয়ন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ, তদন্ত, উড্ডয়ন ঝুঁকি হ্রাসকরণ এবং সর্বোপরি নিরাপদ উড্ডয়নের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করা।

উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, স্বাগতিক বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, মিসর, ওমান, মরক্কো, নাইজেরিয়া এবং জিম্বাবুয়ের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, কোস্ট গার্ড, এমআইএসটি, বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশন, পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লি., ফ্লাইং ক্লাবসহ নভোএয়ার, ইউএস বাংলা, রিজেন্ট এয়ার ওয়েজ, মেঘনা এভিয়েশন গ্রুপ, আর অ্যান্ড আর অ্যাভিয়েশন, স্কয়ার প্রমুখ সংস্থা বাংলাদেশে বিদ্যমান সরকারি বেসরকারি সব এয়ারলাইন্স অংশগ্রহণ করে।

Feb2

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’