খুঁজুন
, ,

যশোরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 9 August, 2020, 1:25 pm
যশোরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

নিলয় ধর,যশোর প্রতিনিধি : যশোরে লাইসেন্স নবায়নের জন্যে বৈধভাবে পরিচালিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শনের পাশাপাশি অবৈধ প্রতিষ্ঠান গুলোতে সাড়াশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে যশোর স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনিবার ৮ আগষ্ট সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীনের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ টিম শহরের ২টি হাসপাতাল ও ১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করেছে।

একতা এবং মর্ডান হাসপাতালের কার্যক্রম সন্তোষজনক হওয়ায় তাদের লাইসেন্স নবায়নের সুপারিশ করার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অভিযোগ- অবৈধভাবে এবং স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করে পরিচালিত হচ্ছিল। এই নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ১৭টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করলো (স্বাস্থ্য বিভাগ)।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান এই সব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন জানিয়েছে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো বৈধভাবে পরিচালনার স্বার্থে লাইসেন্স নবায়নের জন্যে নিয়মিত পরিদর্শনের কাজ চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে একতা ও মর্ডান হাসপাতাল এবং যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করা হয়েছে।

টিমে ছিলেন যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালর সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাক্তার আব্দুর রহিম মোড়ল, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার রেহেনেওয়ার রনি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান।

হাসপাতাল ২টির কর্তৃপক্ষ অনলাইন আবেদনপত্রে যে তথ্য দিয়েছে তা যাচাই-বাছাইয়ে সত্যতা পাওয়া ও সরেজমিন পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সন্তোষজনক হওয়ায় লাইসেন্স নবায়নের জন্যে সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনলাইন আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্যে জাল জালিয়াতি করাসহ অসংখ্য অনিয়ম ধরা পড়ায় সেটি স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানা যায়, সম্প্রতি ভিজিলেন্স টিম আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নানা অনিয়ম ও সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার প্রমাণ পেয়ে শোকজ নোটিশ জারি করে। ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনা করছিল যশোর ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। লাইসেন্সের জন্যে মালিকপক্ষ অনলাইনে আবেদন করেছে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনের নির্দেশনাও এসেছে।

শনিবার সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীনের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ টিম পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান নোংরা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিচালনা করা হচ্ছে। টিমের সদস্যরা জানিয়েছে, স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা করে মানুষের সাথে অব্যাহত প্রতারণার সু-নির্দিষ্ট প্রমাণও পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল টেস্টের জন্যে মূল্য তালিকার থেকে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে রোগীদের কাছ থেকে। প্যাথলজি বিভাগটি যে কক্ষে করা হয়েছে তা কোনোভাবেই আইন সম্মত নয়। এমনকি কোনো ডাক্তারও নিয়োগপ্রাপ্ত নেই রিপোর্ট প্রদানের জন্যে। এক্স-রে বিভাগটি পরিচালনা করা হয় টেকনোলজিস্ট ছাড়াই। অর্থাৎ অনলাইন আবেদনপত্রে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে টিম অভিযোগ করে। পরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন আরও জানিয়েছেন, শনিবার চৌগাছা উপজেলা শহরের ৩টি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। সাথে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার লুৎফুন্নাহার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।