খুঁজুন
, ,

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 8 August, 2020, 5:06 pm
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন শনিবার সকালে ধানমন্ডীর ৩২ নম্বর সড়কে বাঙালির স্বাধীন জাতিসত্তা নির্মাণের স্মৃতিময় স্বাক্ষী ৩২ নং ধানমন্ডীর বঙ্গবন্ধু ভবনে যান। সেখানে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেক মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ১৫ আগস্ট ট্রাজেডিতে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদেও উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ও প্রধানতম বন্দর নগরীতে প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী ও সভানেত্রী শেখ হাসিনা যে আস্থা রেখেছেন তার প্রতিদান দিতে আমি আমার সকল সামর্থ শতভাগ উজাড় করে দেব। রাজনীতির সহায়ক প্রতিপাদ্য পরিপূরক ব্রত হলো জনসেবা। এই ব্রত পালনে স্বচ্ছতা,সততা ও নিষ্ঠাই আমার চালিকা শক্তি এবং চট্টগ্রামকে একটি বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা কার্যক্রমগুলোর পরিধি বাড়াবে।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকার আইনানুযায়ী প্রশাসক হিসেবে বেঁধে দেওয়া ১৮০ দিনের প্রতিদিনই নগরীর সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক সমাধানে চসিকের মোট জনবলকে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রাখবো। সর্বোপরি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত শৃংখলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সামগ্রগ্রিক কর্মকান্ডের গতি বাড়িয়ে কাজের সুফল নগরবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হবো।

তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাইড লাইন আমার শক্তি ও প্রেরণা সূত্র। আমার পূর্বসূরী সাবেক মেয়রদের সকল ভালোকাজগুলোকে দৃষ্টান্ত হিসেবে ধারণ করে আরো ভালো কাজে উদ্যোগেী হতে সচেষ্ট থাকবো।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, রাজনীতিক সালাউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ.কে.এম রেজাউল করিম, একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, মেমন হাসপাতালের পরিচালক ডা. আশীষ মুখার্জী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, অতিরিক্ত প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী, বস্তি ও বন কর্মকর্তা মইনুল হোসেন আলী চৌধুরী (জয়), নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আবু সাদাত মো. তৈয়ব, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী, মহানগর যুবলীগ যুগ্ম-আহবায়ক মাহবুবুল হক সুমন, ফরহান আহমেদ, মাঈনুল হক লিমন, মহিউদ্দিন শাহ, তারেক হায়দার বাবু, আব্দুস সালাম মাসুম, নুরুল কবির, বদিউল আলম রাসেল, মোরশেদ আলম, এএসএম জাহিদ হোসেন, সমীর মহাজন লিটন, ফেরদৌস মাহমুদ আলমগীর, মোঃ সাইফুল্লাহ আনছারী, সরওয়ার্দী এলিন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা রিপোটার্স ইউনিট মিলনায়তনে চট্টগ্রাম জার্নালিষ্ট ফোরামের সাথে খোরশেদ আলম সুজন : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নিযুক্ত প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরবসীর ভোগান্তি লাঘবে যখন যা-কিছু প্রয়োজন আমি তা-ই করবো। আমি একজন রাজনীতিক হিসেবে প্রায় অর্ধ শতাব্দীকাল ধরে মানুষের সুখ-দুু:খের সাথী হিসেবে আছি। পথ-পদবী-ক্ষমতা থাকুক বা না থাকুক কোন সমস্যার কথা জানতে পেরেছি তখনই তা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমলে আনতে আবেদন-নিবেদন ও প্রয়োজনে চাপ সৃষ্টি করেছি। নাগরিক সমাজের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি সম্পর্কে আমি সম্যক ধারনা রাখি। তাই চসিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক হিসেবে নিজস্ব লোকবল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে মধুর সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদেরকে সাথে নিয়ে আমি রাস্তায় থাকবো, মানুষের পাশাপাশি থাকবো। আমি আগেও রাস্তায় ছিলাম এখনো আছি এবং মৃত্যু পর্যন্ত থাকবো। কেননা এই রাস্তাই শিক্ষা-দীক্ষা-চেতনা ও সকল অজনের অভিজ্ঞণের ভিত্তি সোপান।

তিনি আজ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির(ডিআরইউ) নসঢাকা রিপোটার্স ইউনিট মিলনায়তনে চট্টগ্রাম জার্নালিষ্ট ফোরামের সাথে এক মতবিনিময় সভায় একথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি চসিকের যাদেরকে নিয়ে মাঠে থাকবো তাদের তিল পরিমান বিচ্যুতি,অনিয়ম বা নয়-ছয় করার প্রবণতাকে বরাদস্ত করবো না। যারা যোগ্য,দক্ষ্য ও আন্তরিক তাদেরকে বুকে টেনে নেব। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর যে আস্থা রেখেছেন আমি তাঁর প্রতিদান দিতে চাই। তাই গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতায় সরকার সিটি কর্পোরেশন সহ সকল সেবা সংস্থার ভাবমূর্তীকে উজ্জ্বল করতে প্রত্যয়ী। যেসমস্ত চট্টগ্রামের সন্তান ঢাকায় সাংবাদিকতা করছেন তাঁরা আমাদের দূত। তাদের ইতিবাচক সমালোচনা পরামর্শ আমি অবশ্যই আমলে নেব।

মতবিনিময় সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেনদৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, চট্টগ্রাম জার্নালিষ্ট ফোরামের সভাপতি সাহেদ ছিদ্দীকি, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ নোমান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফরাত, দীপ্ত টেলিভিশনের হেড অব দ্য নিউজ ইব্রাহীম আজাদ প্রমূখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।