খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চুয়েটের ভিসি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
চুয়েটের ভিসি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে পুনরায় ৪ বছরের জন্য নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে (স্মারক নং-৩৭.০০.০০০০.০৮০.১১.০২.১৬ – ১৩৯) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব সৈয়দ আলী রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগাদেশ জারি করা হয়।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম আবদুল হোসেন, মাতা মরহুমা খায়রুন্নেসা।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম চট্টগ্রামের তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (বর্তমানে চুয়েট) ছাত্র হিসেবে ১৯৭৯ সালে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি কৃতিত্বের সাথে এম.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সে ৫টি মূল্যবান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ১১টি জার্নালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। তাঁর প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র হলো- Plasma Physics, Feedback System & Control Engineering, Modern Electronics প্রভৃতি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ১৯৮২ সালের ১৯ আগস্ট প্রভাষক হিসেবে চট্টগ্রামের তৎকালীন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ১৯৮৬ সালের ২ মার্চ সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতির পর ২০০৯ সালের ১৯ জুলাই থেকে একই বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২০১৩ সালের ৬ মার্চ তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পান। গত ১৫ এপ্রিল, ২০১৬ খ্রি: ভাইস চ্যান্সেলর পদে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় উক্ত পদ থেকে পূর্বের ভাইস চ্যান্সেলর বিদায় নিলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম উক্ত দিন থেকে ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পঞ্চম ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁকে ভাইস চ্যান্সেলর পদে ৪ (চার) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রদান করেছিলেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বিভিন্ন সময় তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান, কোর্স-অর্ডিনেটর, মাস্টার্স সুপারভাইজার, বিআইটি-এর বোর্ড অব গভর্ণরস মেম্বার, এডভাইজরি কমিটি মেম্বার, একাডেমিক কাউন্সিল মেম্বার, চুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির ডিরেক্টর, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি)-এর ডিরেক্টর, চুয়েটের সিন্ডিকেট মেম্বার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বর্তমানে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এর ফেলো এবং লোকাল কাউন্সিল মেম্বার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া কলেজের গর্ভনিং বডির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সৌদিআরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন।

তিনি বিগত প্রায় ৪১ বছর শিক্ষকতার পাশাপাশি দেশে-বিদেশে অনেক মর্যাদার সভা, সেমিনার, কনফারেন্সসহ নানা ইভেন্টে অংশগ্রহন করেন।

এছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নাল ও প্রকাশনায় তাঁর লেখা প্রকাশ হয়।

বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের গতিশীল নেতৃত্বে একটি সুন্দর সুখী পরিবার হিসেবে চুয়েট এগিয়ে যাচ্ছে। চুয়েট এলামনাইসহ অন্যান্য শুভাকাঙ্খী ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্ধন আরো দৃঢ় হয়েছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই নিরন্তর প্রচেষ্টা ফলে ৩২০ কোটি টাকার একটি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্ল্যান (ডিপিপি) বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণার উন্নয়নকল্পে সেরা সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টগণ।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের ঐকান্তিক প্রয়াসে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আইটি সেক্টরে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রায় ৯০ কোটি ব্যয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম ইনকিউবেটর ‘ শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন’ প্রকল্প স্থাপনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।