খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ি পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগে বিরোধ চাঙা হবার আশংকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
খাগড়াছড়ি পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগে বিরোধ চাঙা হবার আশংকা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী আগামী নভেম্বর মাসে খাগড়াছড়ি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা। আর এ ঘোষণার পর থেকেই সরকারি দলের প্রার্থিতা নিয়ে আগ্রহীদের মধ্যে নড়াচড়া শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ২০১৫ সালের নির্বাচনের মতো সরকারি দলের মধ্যে পুরোনো বিরোধ চাঙা হবার আশংকা তৈরি হয়েছে।

কারণ, সরকারি দলের পক্ষ থেকে দুই মেয়াদের বর্তমান মেয়রকে কোনপ্রকার ছাড় না দেয়ার কথা জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। আর সেই পরিস্থিতিতে যদি বর্তমান মেয়রও স্বপদে টিকে থাকার লড়াইয়ে নামেন তাহলে খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে বৈরি পরিবেশের ইতিহাস দীর্ঘ হতে থাকবে।

বৃহস্পতিবার পৌরসভার মেয়রের বিরুদ্ধে গোলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা’র ডাকা একটি সংবাদ সম্মেলনের পর শহরজুড়ে নতুন কানাঘুষা শুরু হয়েছে।

সেই সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন পরিষদের সীমানায় পৌরসভার টোল কেন্দ্র স্থাপন, বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দুষণ ও বিভিন্ন সংস্থা হতে কর আদায়সহ নানামুখী প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি উঠেছে।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা এজন্য সরাসরি খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো: রফিকুল আলমকে অভিযুক্ত করেন।

নিজের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা অভিযোগ করেন, খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র মোঃ রফিকুল আলম দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা দখল করে পৌরকর আদায় করে আসছেন। এই কর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের কৃষকের উৎপাদিত পণ্যও বাদ যায়নি। পৌর সীমানা লংঘন করে গোলাবাড়ি ইউনিয়নের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার এগ্রিকালচার (বিনা) থেকে পৌরকর নেয়া হয়েছে। এছাড়া খাগড়াছড়ি পৌরসভা সম্প্রসারণ বিষয়ে সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী গোলাবাড়ী ইউনিয়নের ১ থেকে ৬ নং এবং ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের আংশিক অংশ পৌরসভায় অর্ন্তভুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে গোলাবাড়ি ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি জীতেন বড়ুয়া মনে করেন, পৌরসভা নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে এসে যেসব অভিযোগ পৌরসভার বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে; তাতে পৌর নির্বাচনের কোন সমস্য হবে না। তবে কেউ যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নির্বাচন ঠেকাতে চায় বা সেরকম চিন্তা থেকে মাঠে নামে, তাহলে মানুষ সেটি গ্রহণ করবে না।

খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলম গোলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যানের অভিযোগ বলেন, খাগড়াছড়ি শহর সম্প্রসারণে বিগত ২০১৩ সালেই মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে। গোলাবাড়ি ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ পৌর এলাকার সাথে সর্ম্পকিত বিধায় তাঁরাও পৌর এলাকায় অর্ন্তভুক্ত হতে আগ্রহী। পৌর এলাকার বর্জ্য পৌরসভার জন্মলগ্ন থেকেই আলুটিলা এলাকায় ফেলা হচ্ছে। এরিমধ্যে শহরের কুমিল্লা টিলা এলাকায় ডাম্পিং স্টেশন চালুর পথে। আর পৌর এলাকার বাইরে থেকে হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য কর আদায়ের আইনগত কোনই সুযোগ নেই।

এদিকে খাগড়াছড়ি পৌরসভার আগামী নির্বাচনে বর্তমান মেয়র মো: রফিকুল আলম আবারও প্রার্থী হচ্ছেন, এটা নিশ্চিত। সে লক্ষে তিনি জোর প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছেন। তিনি সরকারি দলের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিশেবেই লড়ার সম্ভাবনা বেশি। তিনি ছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের সা: সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবি এড. নাসির উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এড. মহিউদ্দিন কবির বাবু, তরুণ রাজনীতিক ও জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল ত্রিপুরা’র নাম সরকারি দলের প্রার্থী হিশেবে আলোচিত হচ্ছে।

যদি বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়, সেক্ষেত্রে জেলা বিএনপি’র সা: সম্পাদক এম. এন. আফছার এবং জেলা যুবদলের সা: সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলের নাম এগিয়ে আছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে খাগড়াছড়ি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…