খুঁজুন
, ,

লোহাগাড়ায় সরকারী অনুদানের তালিকায় নাম তুলতে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পূজা কমিটির বিরুদ্ধে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2020, 11:22 pm
লোহাগাড়ায় সরকারী অনুদানের তালিকায় নাম তুলতে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পূজা কমিটির বিরুদ্ধে

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পূজা উদযাপন কমিটির বিরুদ্ধে আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসবের পূজামন্ডপ কমিটির কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠেছে।

সরকারী অনুদানের তালিকায় নাম তুলতে দূর্গাপূজার মন্ডপ কমিটির তালিকা জমা নেয়ার নামে এ চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উপজেলার ৯ ইউনিয়নের একাধিক পূজামন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের।

জানা যায়, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার খোকন কান্তি নাথ ও অর্থ সম্পাদক কাঞ্চন অাচার্য্যের নেতৃত্বে উপজেলার প্রতিটি পূজামন্ডপ কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে এ চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। চাঁদা না দিলে সরকারী অনুদানের তালিকা থেকে পূজামন্ডপের নাম বাদ দেয়া হবে বলেও মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে দেয়া হয়। পশ্চিম কলাউজান মনমহাজন পাড়া সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পল্লী চিকিৎসক খোকন কান্তি নাথ বলেন, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার খোকন কান্তি নাথ ও অর্থ সম্পাদক কাঞ্চন আচার্য্য আমার চেম্বারে এসে গত বছরের বকেয়াসহ দিতে হবে বলে ৬০০ টাকা নিয়ে গেছে। টাকা না দিলে সরকারী অনুদান প্রাপ্তির তালিকা থেকে পূজামন্ডপের নাম বাদ দেয়ার কথা বলায় আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।

একই ইউনিয়নের আদারচর শান্তিরাম সিকদার পাড়া সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি উৎপল কান্তি দেব পিন্টু বলেন, মাষ্টার খোকন কান্তি নাথ আমাকে ফোন করে কমিটির তালিকা ও ৬০০ টাকা জমা দিতে বলেন। তবে আমি গত বছর উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃংখলা মিটিং এ গিয়ে জানতে পারি সরকারী অনুদানের টাকা পেতে কোন চাঁদা নেয়া হয় না। তাই আমি এখনো কমিটিও জমা দিইনি এবং টাকা দিইনি।

উপজেলার উত্তর বড়হাতিয়া রুদ্র পাড়া সর্বমঙ্গলা কালীমন্দির সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি পরিমল রুদ্র জানান, বড়হাতিয়ার ডা: রাজিব রুদ্র পূজা পরিষদের কথা বলে অামাকে ফোন করে কমিটির তালিকার সাথে ৬০০ টাকা নিয়ে তার সাথে দেখা করতে বলেন। টাকা না দিলে সরকারী অনুদানের তালিকা থেকে আমাদের পূজামন্ডপের নাম বাদ দেয়া হবে বলে জানান।

চরম্বা বিবিবিলা নাথপাড়া সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ শীল জানান, মাষ্টার লিটন বিশ্বাস আমাকে ফোন করে টাকা ও কমিটির তালিকা জমা দিতে বলেন। আমি চট্টগ্রাম শহরে থাকায় মধু দেবনাথের মাধ্যমে কমিটির তালিকা পাঠালে তাঁর কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে।

পুটিবিলা নাথপাড়া জাগ্রত যুব পরিষদ সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি আশুতোষ দেবনাথ জানান, পূজা কমিটি থেকে ফোন করে গত বছরের ৩০০ টাকাসহ দুই বছরের ৬০০ টাকা নিয়ে কমিটির তালিকা জমা দিতে বলেন। তবে আমরা এখনও কমিটির তালিকা জমা দিইনি।

পূর্ব কলাউজান ধরপাড়া সার্বজনীন দূর্গাপূজা কমিটির সভাপতি সজল ধর জানান, আমাদের কমিটির অর্থ সম্পাদক রাসেল ধরকে ফোন করে ৬০০ টাকা নিয়ে তালিকা জমা দিতে বলেন। যেহেতু আমরা গত বছরও পূজা কমিটিকে চাঁদা দিইনি তাই এখনও কমিটির তালিকা জমা দেইনি।

এ অভিযোগের সত্যতা জানতে লোহাগাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার খোকন কান্তি নাথের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মন্ডপ কমিটির সভাপতি- সাধারণ সম্পাদক হলেন উপজেলা কমিটির কাউন্সিলর। তাই তাদের কাছ থেকে এগুলো রশিদের মাধ্যমে বার্ষিক সদস্য চাঁদা নেয়া হচ্ছে। প্রতি ঘট পূজা ২০০ টাকা ও প্রতিমা পূজা ৩০০ টাকা চাঁদা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাঁদার টাকা না দিলে সরকারী অনুদানের তালিকায় পূজামন্ডপের নাম দেয়া হবে না- মন্ডপ কমিটির এমন অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: তৌছিফ আহমদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পূজামন্ডপে সরকারী অনুদান পাওয়ার জন্য পূজা কমিটি কর্তৃক চাঁদা নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায়। চাঁদা নেওয়ার বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে যথাযথভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/আজাদ

Feb2
Feb2

ডজনে ১০ টাকা কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 11:45 am
ডজনে ১০ টাকা কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাঙাশ মাছ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে। তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।

চট্টগ্রামে গ্যাস না পেয়ে সড়ক অবরোধ বিক্ষুব্ধ চালকদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 9:39 am
চট্টগ্রামে গ্যাস না পেয়ে সড়ক অবরোধ বিক্ষুব্ধ চালকদের

চট্টগ্রামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। আজ (শুক্রবার) ভোরে নগরের ষোলশহর এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়ে ক্ষোভ দেখান কয়েকশ চালক।

অবরোধের কারণে মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেইট পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর পাশের ফসিল ফিলিং স্টেশনের সামনে গ্যাসের জন্য কয়েকশ সিএনজি অটোরিকশা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা করছে।

চালকদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফিলিং স্টেশনের সামনে অপেক্ষা করেও তারা গ্যাস পাচ্ছেন না। কখন গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছে না।

শাহিন নামে এক চালক বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি চালাতে পারছি না। কখন গ্যাস পাব, সেটাও কেউ বলতে পারছে না। এভাবে দিনের পর দিন বসে থাকলে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব?’

মনু মিয়াজি নামে এক চালক বলেন, ‘দুই দিন ধরে গাড়ি চালাতে পারিনি। কোনো আয় নেই অথচ গাড়ির জমা, সংসারের খরচ সবই দিতে হচ্ছে। গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও যদি গ্যাস না পাই, তাহলে আমরা কীভাবে বাঁচব?’

আরেক বিক্ষুব্ধ চালক মুজিবুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের সব ফিলিং স্টেশনে একই অবস্থা। কোথাও গ্যাস নেই, আবার কোথাও গ্যাসের জন্য দীর্ঘ লাইন। কর্তৃপক্ষ যদি সংকটের সমাধান করতে না পারে, তাহলে আমাদের রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।’

ষোলশহরের ফসিল ফিলিং স্টেশনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় সিএনজিতে গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদেরও কিছু করার নেই।’

চালকরা বলেন, গ্যাসের অভাবে শুধু তাদের আয় বন্ধ হয়নি, ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরাও। নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে একই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সিএনজি অটোরিকশার সংখ্যা কমে গেছে এবং যাত্রীদেরও দুর্ভোগ বাড়ছে।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে সকাল থেকেই মুরাদপুর, ষোলশহর ও দুই নম্বর গেইট এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ চালকদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করছে। তবে গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত সড়ক ছাড়তে রাজি নন বিক্ষুব্ধ চালকরা।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহেদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম রয়েছে। চালকদের সরানোর চেষ্টা চলছে।

চাঁদ দেখা যায়নি, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 13 August, 2026, 10:08 pm
চাঁদ দেখা যায়নি, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী ১৫ আগস্ট থেকে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসেবে আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হয়।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। এরপর শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরু হবে। রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ অনুযায়ী বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক ড. মু. মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলামসহ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।