খুঁজুন
, ,

জিয়াউর রহমানই আ’লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিল : শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 1 September, 2020, 8:18 pm
জিয়াউর রহমানই আ’লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিল : শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাকশাল কায়েম করে আওয়ামীলীগকে বিলুপ্ত করে দিয়েছিল। শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে আওয়ামীলীগকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। জিয়াউর রহমানের করুণায় শেখ হাসিনা রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ ও জাতির ঐতিহাসিক প্রয়োজনে রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেনন। জিয়াউর রহমানের বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে শুরু হয় উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটে। তখন দেশ ও জাতি এক চরম হতাশায় নিমজ্জিত ও দিশেহারা। ঠিক সেই মুহূর্তে এ দেশের সিপাহী জনতা জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসায়। বিএনপি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান দেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের পাশাপাশি এনে দেন জাতিসত্তার পরিচয় ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের।

কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাটিহাটি পা পা করে আজকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বিএনপি। স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারের প্রতি অতিষ্ঠ জনগণের মাঝে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করে পথচলা শুরু হয় বিএনপির। দীর্ঘ এই পথ পরিক্রমায় সীমাহীন প্রতিকূল পরিস্থিতিও মোকাবেলা করতে হয়েছে। জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি মুক্তির সনদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপিকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি ষড়যন্ত্র হয়েছিল গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। সেই সময়কার সেনা সমর্থিত সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। এজন্য তারা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ এক বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে আবারও দলকে সুসংগঠিত করে তোলেন বেগম খালেদা জিয়া। দলের প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রত্যয়দীপ্ত বলিষ্ঠ প্রতিরোধের মুখে সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি: সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে বিএনপির যে প্রচেষ্টা দীর্ঘ ৪২ বছর পরও সে লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, বিজ্ঞান প্রযুক্তি, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সব সাফল্য বিএনপি সরকারের আমলেই হয়েছে। জিয়াউর রহমান সংবিধানে
বিসমিল্লাহ সংযোজনসহ ইসলামী মূল্যবোধকে জাগ্রত করেছেন।

সভায় মহামারী করোনায় মৃত্যুবরণকারী বিএনপি নেতৃবৃন্দের জন্য শোক প্রকাশ করা হয়। করোনায় মৃত্যুবরণকারী নেতৃবৃন্দ ও শহীদ জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনা করে মুনাজাত করেন মাওলানা এহসানুল হক।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো: কামরুল ইসলাম’র যৌথ পরিচালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরী আরা ছাফা, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো. মিয়া ভোলা,
এড. আবদুস সাত্তার, নাজিমুর রহমান, হারুন জামান, নিয়াজ মো. খান. অধ্যাপক নুরুল আরম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, সি: যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আহমেদুল আলম রাসেল, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, মনজুর আলম মনজু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম (ডক), মো. সালাউদ্দিন, জি.এম আইয়ুব খান, ইসহাক চৌধুরী আলিম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ মোহাম্মদ আলী মিঠু, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মনোয়ারা বেগম মনি, মাঈন উদ্দিন মোহাম্মদ শহীদ, এইচ এম রাশেদ খান, হামিদ হোসেন, আমিন মাহমুদ, নুরুল আকবর কাজল, অধ্যাপক ঝন্টু বড়ুয়া, নুরুজ্জামান, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, থানা বিএনপির সভাপতি মনজুর রহমান চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন ডেপটী, আবদুস সাত্তার সেলিম, মো. আজম, ডা. নুরুল আবছার, মো. সেকান্দর, আবদুল্লাহ আল হারুন, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে খান, একেএম পেয়ারু, সালাহ উদ্দিন কায়ছার লাবু, আবদুল হালিম স্বপন, মো. সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, এড. সেলিম উদ্দিন শাহীন, জেলী চৌধুরী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আজাদ বাঙালী, আরিফ মেহেদী, আবু মুসা, শহীদ আহমেদ, আলমগীর নূর, আবদুল মতিন, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, মো.শাহাব উদ্দিন, জাহিদ হাসান, রেকান উদ্দিন মাহমুদ, নূর হোসেন, মাঈন উদ্দিন চৌধুরী মাঈনু, আবদুল কাদের জসিম, জাহাঙ্গীর আলম, নগর বিএনপির সদস্য মো. ইলিয়াছ, ইউসুফ সিকদার, জেসমিনা খানম, আলী ইউসুফ, আঁখি সোলতানা, রেজিয়া বেগম, আলমগীর আলী মো. জসিম, এড. এরফানসহ ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ : এমডি 

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 8:09 pm
চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ : এমডি 

চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (চট্টগ্রাম ওয়াসা) গ্রাহকসেবা আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে ‘বিলিং সিস্টেম উন্নয়ন কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ভবনের ৩য় তলার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় ৩৬ জন মিটার পরিদর্শক, চট্টগ্রাম ওয়াসার ১২ জন কর্মকর্তা উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক(অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বিদ্যমান বিলিং প্রক্রিয়া, বর্তমানে ম্যানুয়ালি পরিচালিত বিভিন্ন সেবা এবং প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় মিটার পরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের এসব পরামর্শ চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবাদানের বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি উন্নয়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম চট্টগ্রাম ওয়াসার জন্য ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসাকে ডিজিটাল সেবাব্যবস্থায় রূপান্তরিত হতে হবে এবং এ লক্ষ্যে ওয়াটারএইডের প্রস্তাবটি ইতিবাচক।
আমরা সবকিছুর ঊর্ধ্বে চট্টগ্রাম ওয়াসার স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে চাই এবং ডিজিটালাইজেশন ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবার মান উন্নত করতে চাই। বিলিং সিস্টেম উন্নত হলে গ্রাহক সেবার মানও উন্নত হবে এটা নিশ্চিত।

তিনি ডিজিটাল ব্যবস্থাটি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও মতামত প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন। এ ক্ষেত্রে ঢাকা ওয়াসার সঙ্গে নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীর রাজস্ব সংগ্রহে ওয়াটারএইডের পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

বিলিং সিস্টেম উন্নয়ন কর্মশালাটি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম ওয়াসার মধ্যকার সহযোগিতা আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মিটার পরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসার জন্য আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:49 pm
চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আজ ২২ জুলাই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

“মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন”-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) এবং স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সিডিসি, সংশপ্তক, অপরাজেয় বাংলাদেশ, ঘাসফুল, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চট্টগ্রামের প্রসিকিউটর নেজাম উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সামাজিক মহামারী থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; বরং খেলাধুলা, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ইতিবাচক বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। বক্তারা সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সভায় চট্টগ্রাম এলাকার প্রায় ২৫০ জন যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন, যাদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

আলোচনা পর্ব শেষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পলি শারমিন-এর মনোজ্ঞ পরিবেশনায় এক মাদকবিরোধী কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগীত ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ ও মাদকমুক্ত জীবন গড়ার অনুপ্রেরণামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন সিডিসি-র নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন্নেছা রূপসা,ঘাসফুলের উপ-পরিচালক মারুফুল করিম চৌধুরী, স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো: আলী সিকদার, সংশপ্তকের প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভিন, অপরাজেয় বাংলাদেশের ইনচার্জ জিন্নাত আরা বেগম, এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিযুষ দাশ গুপ্ত।

এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষে ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েলে খ্রীস্টিনা দাশ ও স্মীতা দে ও ঘাসফুলের প্রকল্প সমন্বয়কারী সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সার্বিক সমন্বয় করেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:24 pm
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল-এর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।

গত ১৯ জুলাই রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্মারক নং-৪৫.০০.০০০০.০০০.১৬০.০৬.০০০৭.২৬(অংশ-১).৭৫৮ মূলে সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিরও সহ-সভাপতি।

মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ায় চট্টগ্রামবাসী অনেক খুশী।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’কে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৯ আসন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সুনজর দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশে জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হয়েছে। শূন্যপদগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগের পর হাসপাতালে আগত রোগী সাধারণ ইনডোর ও আউটডোরে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রায় সকল ধরণের ওষুধ হাসপাতাল থেকেই পাচ্ছে। রোগী সাধারণ তাদের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমূল্যে করাতে পারছে। জেনারেল হাসপাতাল একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে পরিণত হচ্ছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’র নেতৃত্বে এ হাসপাতালের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে এবং রোগীরা তাদের কাক্সিক্ষত সেবা পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ একরাম হোসেন।