খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ৪ প্রার্থীর ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষক নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ৪ প্রার্থীর ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে অগ্রিম টাকা দিয়ে বিপাকে পড়েছে ৪ চাকরি প্রার্থী। যশোরের মণিরামপুরের মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে।

অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ে সহকারি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম এলাকার মিজানুর রহমান, বাবুল হোসেন, আব্দুল সামাদ ও পরিতোষ বিশ্বাস নামে ৪ চাকুরি প্রার্থীর কাছ থেকে অগ্রিম উৎকোচ বাবদ প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন হলেও এদের চাকুরি দেওয়া হয়নি। কিন্তু ভূক্তভোগীরা তাদের টাকা ফেরৎ নিয়ে টালবাহানা করছেন সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। বার বার ধর্না দিয়েও টাকা ফেরত দিচ্ছেন না, সভাপতি সিরাজুল ইসলাম।

জানা গিয়েছে , চলতি বছরের ১২ আগস্ট ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ বোর্ড হয়েছিল। চাকুরির জন্য ১৩ জন আবেদন করলেও ৮ জন নিয়োগ বোর্ডে উপস্থিত হয়। চলতি বছরের ১২ মার্চ সিরাজুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার পর সহকারি প্রধান শিক্ষক (শূন্য) পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করে। নিয়োগের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মিশনে নামেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভূক্তভোগি ওই ৪ জনের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ ১০ লাখ টাকা গ্রহন করেন। কিন্তু অগ্রিম টাকা প্রদানকারি চাকুরি প্রত্যাশি ওই ৪ জনের কারো ভাগ্যে জোটেনি চাকুরি নামের সোনার হরিণ। উপরোন্ত দেনদরবার করেও অগ্রিম দেওয়া অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না তারা।

প্রার্থী বাবুল হোসেন জানিয়েছেন, চাকুরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকার মৌখিক চুক্তির পর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা অগ্রিম নেন। কিন্তু তাকে চাকুরি দেওয়া হয়নি, এমনকি তার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। অপর প্রার্থী মিজানুর রহমান জানিয়েছে তাকে চাকুরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১ লাখ ও সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ১ লাখ নিয়েছে। দেনদরবার করে তিনি ৭০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছে।

স্থানীয় মনোহরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, তার ভাগ্নে বাবুল হোসেনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়াসহ আরো কয়েকজনের নিকট থেকে টাকা নিয়ে তা ফেরত দিচ্ছেন না সভাপতি সিরাজুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি কালিপদ মন্ডল জানিয়েছেন, সভাপতির এমন কর্মকান্ডের বিষয়টি কয়েকজন চাকুরি প্রার্থী তাকে জানিয়েছে।

সভাপতি সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, যিনি প্রথম হয়েছিলেন তার কাছ থেকে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফান্ড ও নিয়োগ বোর্ড খরচ বাবদ কিছু টাকা নেওয়া হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক জানিয়েছেন, নিয়োগ বোর্ড হলে এমন অনেক অভিযোগ শোনা যায়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।