খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকাসক্ত ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও দেশের জন্য অভিশাপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
মাদকাসক্ত ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও দেশের জন্য অভিশাপ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বর্তমান সময়ে মারাত্মক সমস্যারগুলোর মধ্যে মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ ও দূর্নীতি অন্যতম। দেশে বিভিন্ন স্তরে প্রায় ৭০ লক্ষ মাদকসেবী রয়েছে। দিন দিন এর ব্যাপ্তি ঘটছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও দেশের জন্য অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে পরিবারকে মাদকমুক্ত রাখতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে বান্ডেল রোড হরিজন সম্প্রদায়ের উদ্যোগে নগরীর বান্ডেল এস কলোনী প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে সন্ত্রাস,মাদক,জঙ্গীবাদ ও দূর্নীতির রিরুদ্ধে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ কথা বলেন।

ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত, বান্ডেল হরিজন সমাজের সভাপতি মায়াদিন সর্দার, শ্রী শ্রী তারাচরণ সেবাশ্রমের সভাপতি রতন দাশ প্রমুখ।

এছাড়াও কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসীম, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, মকসুদ আলী, নাসির উদ্দিন কুতুবী, জালাল আহমদ রানাসহ হরিজন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমবেত হরিজন সম্প্রদায়ের মা’দের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, আপনারাই পারেন সমাজকে বদলে দিতে। মাদকাসক্ত, বিপথগামী স্বামী, ভাইকে বোঝান, মাদক, নেশায় যে টাকা ব্যয় হচ্ছে তা দিয়ে নিজেরা পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন। বিনামূল্যে কি নেশা পায়? যারা মাদকাসক্ত আছেন সংশোধন হয়ে যান। আপনারা চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারলে, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কিংবা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মাদকাসক্তদের নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি ও চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ, স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করবো।

তিনি হরিজন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে মাদকাসক্তদের তালিকা দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমি আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবো, পুরো চিকিৎসার ব্যয় আমরা বহন করবো। আমি চাই না কাউকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাক, জেল খাটুক। আমি জোর করে কিছু করার পক্ষে নই।

মেয়র বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৫-৭ বছর পর বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। এখন দেশে ২১ শতাংশের নিচে দারিদ্র্যের হার, যার সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন কোটি। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব নেওয়ার আগে গরিব ছিল ৪২ শতাংশ। বর্তমান সরকারের মেয়াদে দারিদ্র্যের হার আরও ৬-৭ শতাংশ কমে আসবে। এভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হবে। দেশের সবচেয়ে বড় স্পেশাল ইকোনমিক জোন বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর হচ্ছে মিরসরাইতে। প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যাদের কাজ করার মানসিকতা থাকবে সবাই কাজ পাবে। তারাই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে।

তিনি বলেন, আপনারা ধৈর্য ধরুন। নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আমার আমলে দুইবার সেবকদের বেতন বাড়িয়েছি। স্থায়ী-অস্থায়ী সবাইকে বৈশাখী ভাতা দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে আরও সুবিধা বাড়ানো হবে। সেবকদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আপনারা সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করবেন। এ দেশটা আমাদের। যার যার দায়িত্ব সততা, স্বচ্ছতা ও সঠিকভাবে পালন করবেন। মেয়র দলমত নির্বিশেষে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

মেয়র আরো বলেন, সম্প্রতি হরিজন সমাজের কেউ কেউ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে বিদেশে লেখা-পড়া করতে যাচ্ছে। আবার কেউ উন্নত পেশায়ও সংযুক্ত হচ্ছে। এটা বর্তমান সরকারের সকল সম্প্রদায়ের প্রতি সম নীতির সুফল। আমরা চাই তারা আগামীতে আরো উন্নত সমাজ গঠনে নিজেদের পরিবর্তন করবে।

Feb2

১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১৯৪০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
১২ কেজি এলপিজির দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১৯৪০

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এতে গত মাসে নির্ধারিত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা হয়েছে।

আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, গত ২ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়।

আজ বিইআরসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি সংকটের কারণে এলপিজি আমদানির খরচ বেড়েছে।

এ অবস্থায় এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব

দেশে মজুত থাকা গ্যাস দিয়ে আগামী ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মোট মজুত ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ ৭.৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।

ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, যদি নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হয় এবং বর্তমান হারে (দৈনিক প্রায় ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) গ্যাস সরবরাহ করা হয়, তবে এই অবশিষ্ট মজুত দিয়ে প্রায় ১২ বছর পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হবে।

গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ে তিনি জানান, পেট্রোবাংলার কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের মহাপরিকল্পনার আওতায় মোট ৫০ ও ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এরইমধ্যে ২৬টি কূপ খনন এবং ওয়ার্কওভারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কূপগুলোর কাজও বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান আছে।

এছাড়া সাইসমিক সার্ভে সম্পর্কিত মন্ত্রী জানান, বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এ ৩৬০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ শেষ হয়ে ডাটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি বিজিএফসিএলর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা’র ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বাপেক্স ও এসজিএফএল-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিপুল পরিমাণ ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মিরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে প্রবাসীকে হামলা ও অপহরণ মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

মিরসরাই প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার হাদি ফকিরহাট এলাকায় প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিমকে হামলা ও অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আটক হয়েছে ।

গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মোঃ মেহেদী হাসান খোকন (৩০)। তিনি মিরসরাই ওয়াহেদপুর এলাকার মোঃ আবু তাহের পুত্র ।

রোববার বেলা ১২টার দিকে আগাম জামিনের জন্য চট্টগ্রাম জজ কোর্টে হাজির হলে আদালতের নির্দেশে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, আসামিদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। তার বাড়ির দক্ষিণ পাশে নিজ জমিতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস ধরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছিল।

তিনি জানান, গত ১৮ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসহ আসামিরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে হাদি ফকিরহাট বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে হত্যার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় আহত শাহাদাত হোসেন সেলিম সুস্থ হয়ে আসামেদের বিরুদ্ধে মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।