খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ভ্যাট প্রদানের বিকল্প নেই-আ জ ম নাছির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ভ্যাট প্রদানের বিকল্প নেই-আ জ ম নাছির

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে ভ্যাট প্রদানের বিকল্প নেই। আমরা সবাই ভ্যাট দিতে আগ্রহী। আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন নিয়ে আসা উচিত। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ব্যবসা করে না । ব্যবসা করে রাষ্ট্রের জনগন। তাই রাষ্ট্রের স্ব নির্ভরতা অর্জনে আমাদের সকলকে ভ্যাট,ট্যাক্স দিতে এগিয়ে আসতে হবে।

আজ মঙ্গলবার নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কাস্টমস,এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট চট্টগ্রামের কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর সদস্য ও কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা এর সম্মানিত প্রেসিডেন্ট মারগুব আহমেদ,কর কমিশনার সৈয়দ মোহাম্মদ আবু দাউদ, আবুল কালাম কায়কোবাদ, মো. ইকবাল হোসেন, মুক্তাসিম বিল্লাহ ফারুক, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন চেম্বারের সহ-সভাপতি মাহবুবুর চৌধুরী, ওমেন চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবিদা মোস্তফা ,বন্ড কমিশনার মাহবুব জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিল কমিশনারেট, চট্টগ্রাম এর সম্মানিত কমিশনার হোসাইন আহমেদ এবং কি-নোট পেপার উপস্থাপন করেন কাস্টম কমিশনার ফখরুল আলম।

সিটি মেয়র বলেন, জনগন সরকারকে ভ্যাট ট্যাক্স দিচ্ছে বলেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু,কর্ণফুলী ট্যানেল,পায়রা বন্দরসহ বিভিন্ন মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে। প্রথম থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত ছেলে-মেয়েদের বিনামুল্যে ৩৫ কোটি পাঠ্য বই বিতরণ করছে সরকার । সামাজিক সুরক্ষার অধীনে বিভিন্ন ভাতার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন স্বাধীনতার প্রথম বার্জেট ছিল ৭”শ ৮৬ কোটি টাকা। স্ইে বার্জেট বৃদ্ধি পেয়ে এখন হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। জনগন ভ্যাট ট্যাক্স দিয়েছেন বলেন বার্জেটের আকার বছরের পর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন আমাদের মধ্যে বিভ্রান্তি আছে,অপ-প্রচার আছে।

এসব অপপ্রচার,গুজব বুঝে শুনে ছড়ানো হয়। যারা দেশের অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে না তারাই গুজব ও অপপ্রচার করার সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই গুজব থেকে দেশ,জাতিকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে অনেকে বিদেশ গেছেন। ১০ বছর আগে যখন গেছেন তখন আর এখনকার ইমিগ্রেশনে পার্থক্য উপলব্ধি করছেন। এখন ইমেগ্রেশনে হেনস্থা করা হয় না। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে মর্যাদা বেড়েছে। আমাদের ওপর নির্ভর করবে কত দ্রুত দেশ এগিয়ে যাবে।

উন্নত বিশ্বে আইনের প্রয়োগ আছে, সবাই আইন মেনে চলে। আমাদেরও আইন মানতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সংকীর্ণতা পরিহার করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সিটি মেয়র আরো বলেন অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার দেশের উন্নয়নে নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির মাধ্যমে বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্রমুক্ত, সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রুপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার রুপকল্প ২০৪১ স্বপ্ন বাস্তাবায়ন করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কক্সাজারের ওশান প্যারাডাইস, খাগড়াছড়ির ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজ ও অরণ্য বিলাস, পটিয়ার বনফুল এন্ড কোম্পানি, ষোলশহরের ব্র্যাক আড়ং, সীতাকু-ের চৌধুরী টি ওয়্যার হাউস ও বান্দরবান সদরের হোটেল হিলভিউ রেসিডেন্সিয়াল এবং স্থানীয় পর্যায়ে আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেড, কর্ণফুলীর সুপার পেট্রো কেমিক্যাল লিমিটেড, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, এন এন্ড এন টি ওয়্যার হাউস, এমএম ইস্পাহানি লিমিটেড ও উত্তরা মোটরস লিমিটেডকে পুরস্কৃত করা হয়। বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে।

অনুষ্টানে সিটি মেয়রসহ অন্যান্য অতিথিরা জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্টান এর প্রতিনিধির হাতে সম্মানা স্মারক তুলে দেন। এই সময় সম্মানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের অনুভুতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও বন্ড কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার তাহমিনা আক্তার পলি।ভ্যাট দিবস উদ্বোধন করেন মেয়র

সকালে বেলুন উড়িয়ে ভ্যাট দিবস ও সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন। আগ্রাবাদের সিজিও ভবন থেকে বণাঢ্য শোভাযাত্রাটি শেখ মুজিব সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা পদক্ষিণ শেষে পুনঃরায় সিজিও বিল্ডিং -এ এসে শেষ হয়।

উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র বলেন দেশের সুনাগরিক হিসেবে প্রত্যেকে নিজ দায়িত্ব পালন করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রত্যেক নাগরিক ইতিবাচক মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে শরীক হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ট নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে।

সিটি মেয়র ছাড়াও কর কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকসহ অন্যান্য কর কমিশনারগন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন।

Feb2

শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
শান্তর সেঞ্চুরির পর মুস্তাফিজের ফাইফার, সিরিজ বাংলাদেশের

নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে ঘরের মাঠের এই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর কিউইদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাও। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের ফাইফারে কোনোরকমে দুইশ ছুঁয়ে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।

চট্টগ্রামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রান করে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের হয়ে ৩০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে সেরা বোলার মুস্তাফিজ।

২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। নতুন বলে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি পেসার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বাউন্স সামলাতে পারেননি হেনরি নিকোলস, টপ এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ৪ রান করে নিকোলস ফেরায় ভাঙে ৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

আরেক ওপেনার উইল ইয়াং উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। নাহিদ রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ইয়াং। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ২৫ বলে ১৯ রান।

৫৪ রানে ২ উইকেটে হারানোর পর বড় দায়িত্ব ছিল টম ল্যাথামের কাঁধে। কিন্তু উল্টো দলের বিপদ বাড়িয়েছেন অধিনায়ক। ইনিংসের ১৭তম ওভারের পঞ্চম বলটি মিডল স্টাম্পের ওপর করেছিলেন মিরাজ, সেখানে সুইপ করতে গিয়ে টপ এজ হয়ে বল চলে যায় শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়িয়ে থাকা শরিফুলের হাতে। ১৩ বলে ৫ রান করেছেন ল্যাথাম।

৬১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দল যখন বিপদে তখন হাল ধরেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। বিশেষ করে ক্যালি দারুণ ব্যাটিং করছেন। ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। এই মাইলফলক ছুঁতে খেলেছেন ৬৮ বল। তবে ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৫৯ রান করে মুস্তাফিজের বলে আউট হয়েছেন তিনি। তাতে ভাঙে ৪৭ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।

ভালো শুরু করা আব্বাসকে বোল্ড করেন শরিফুল। ৩৬ বলে ২৫ রান করেছেন তিনি। তাতে ১২৪ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যায় কিউইরা। এরপর ডিন ফক্সকর্ফট ছাড়া আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। তার ৭৫ রানের ইনিংস কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার।

ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য।

চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান। তাতেই ভালো সংগ্রহের ভিত পেয়েছে টাইগাররা। ফিফটি পূরণের পর ৭৬ রানে থামেন লিটন।

এ দিকে ফিফটির পূরণের পর সেঞ্চুরিও তুলে নেন শান্ত। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতরানের ইনিংস। শান্তর ইনিংস থামে ১০৫ রানে। ১১৯ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ৯টি চার ও দুটি ছয়ে সাজানো।

এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ২২, শরিফুল ইসলাম ১, তানভীর ইসলাম শূন্য রানে আউট হন। এ ছাড়া ৩৩ রানে তাওহীদ হৃদয় ও ৩ রানে মুস্তাফিজুর রহমান অপরাজিত থাকেন।

দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় তেল শোধনাগার তৈরি করা জরুরি: সেনাপ্রধান

স্বাধীনতার ৫৪-৫৫ বছর পার হলেও দেশে দ্বিতীয় কোনো জ্বালানি তেল শোধনাগার (রিফাইনারি) গড়ে না ওঠায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধে সৃষ্ট সংকট সমাধানে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি সক্ষমতা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্পষ্ট। নিজস্ব শোধনাগার না থাকায় অপরিশোধিত তেল থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে বেশি দামে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য, সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিসহ মোট ৪৫ জন ফেলো এই কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারী ফেলোরা জানান, কোর্সটি কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি, আন্তঃবিভাগীয় সহযোগিতা জোরদার এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুদৃঢ় করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।

জ্বালানি সংকট নিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি মাত্র রিফাইনারি (ইস্টার্ন রিফাইনারি) রয়েছে যা চাহিদার মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মেটাতে পারে। বাকি জ্বালানি আমাদের পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়, যার ফলে খরচ অনেক বেশি পড়ে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের পাঠাভ্যাস তৈরি করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের কাজ করার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানাল, এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদসহ শিক্ষা, প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। এ সময় কর্মসূচিটি কীভাবে সারাদেশের পড়ুয়াদের মধ্যে বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়েও হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন অধ্যাপক আবু সায়ীদ।