খুঁজুন
শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরসহ যশোরে কয়েকটা কলেজে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ে অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:০৮ অপরাহ্ণ
মণিরামপুরসহ যশোরে কয়েকটা কলেজে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ে অভিযোগ

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের নীতিমালা মানছে না যশোরের কলেজগুলো। তারা ইচ্ছেমতো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গলাকাটা ভর্তি ফি আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন বেসরকারি কলেজে ভর্তি ফি দুই হাজার টাকার স্থলে সর্বোচ্চ প্রায় ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন।

কলেজগুলোর এই জাতীয় কর্মকান্ডে হিমশিম খাচ্ছেন অভিভাবকরা। এই নিয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষও নিরব ভূমিকা পালন করছেন।

আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলে দুই দিন বাড়িয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। এরপর সর্বশেষ শিক্ষার্থী ভর্তির সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। একইসাথে শিক্ষার্থীর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরুর আগেই বেসরকারি কলেজের ফিসহ মাসিক বেতন ও সব খরচের বিষয়ে কলেজগুলোতে ভর্তির নির্দেশনা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা কলেজগুলোকে তাদের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

যশোর শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে মফস্বল, পৌর ও মেট্রোপলিটন এলাকার বেসরকারি কলেজগুলোকে ভর্তি নিদের্শনা দেয়া হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে উপজেলা এলাকার মফস্বল শহরের কলেজগুলোতে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে এক হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মণিরামপুরে ভর্তি ফি নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করেছিলো।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে মণিরামপুর সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষ খামখেয়ালি ভাবে শিক্ষার্থী প্রতি ভর্তি বাবদ ১ হাজার ৫শত টাকা এবং কলেজের নিজস্ব ফরম বাবদ অতিরিক্ত আরও ১শত ৫০ টাকাসহ মোট ভর্তি খরচ ১ হাজার ৬শত ৫০ টাকা নিচ্ছে। জেলায় সদর উপজেলার এলাকার কলেজগুলো দুই’ হাজার টাকা এবং ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকার কলেজগুলো সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

এছাড়া, মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। উন্নয়ন খাতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

কলেজগুলো প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেড ক্রিসেন্ট ফি বাবদ ১২ টাকা হারে নিতে পারবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলেও দেরিতে ভর্তি হলে তাকে একশত ৫০ টাকা বিলম্ব ফি এবং একশত টাকা বিলম্ব ভর্তি ফি দিতে হবে।

সরকারি কলেজগুলোকে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ফি সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনুমোদিত ফির বেশি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে সব ফি রশিদের মাধ্যমে নিতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর বোর্ডের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের অনুমতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে কলেজ, গ্রুপেও বিষয় পরিবর্তন করতে পারবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভর্তি নীতিমালা না মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করালে সেই কলেজের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিওভুক্তি বাতিল করা হবে। কিন্তু আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের এই নীতিমালার থোড়াই কেয়ার করছে যশোরাঞ্চলের কলেজগুলো। তারা সর্বনিম্ন ২ হাজার ৭শত টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮শত ৮০ টাকা ভর্তি ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করছেন।

অথচ নীতিমালা অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ নেবার কথা ২ হাজার টাকা। তারা ইচ্ছা মাফিক সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। ভর্তি ফি আদায়ের সর্বোচ্চ তালিকায় থাকা কলেজের একটিতে বিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি ১৫ হাজার ৮শত ৮০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৪ হাজার ৮শত ৮০ টাকা। অপর দুইটির ফি হচ্ছে ১০ হাজার ৭শত ৭২ টাকা। অপর একটি কলেজে নেওয়া হচ্ছে ৩ হাজার ৭শত ৩৮ টাকা। ভর্তি ফির ব্যাপারে কলেজগুলোতে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা বলতে রাজি হচ্ছে না। তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার কথা বলছেন। এমনকী তাদের ভর্তি ফি কত টাকা সেটাও জানাচ্ছেন না।

বিষয়টি জানতে পেরে যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মোল্লা আমির হোসেন সম্প্রতি সর্বোচ্চ ভর্তি ফি আদায়কারী কলেজগুলোর একটির অধ্যক্ষের সাথে ফোনে কথা বলেন।

এসময় অধ্যক্ষ তাকে জানান, এই ফি তারা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রহণ করেছেন। অন্যান্য কলেজের তুলনায় তাদের কলেজের বেতন কম। তিনি জানিয়েছেন, এই টাকা শুধুমাত্র ভর্তি ফি নয়। এরমধ্যে একমাসের বেতনসহ নানা খাত রয়েছে।

এদিকে, সর্বনিম্ন ভর্তি ফি আদায়ের তালিকায় রয়েছে উপশহর এলাকার একটি কলেজ। তারা মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষায় ভর্তি ফি নিচ্ছে ২ হাজার ৭শত টাকা ও বিজ্ঞান বিভাগে নিচ্ছে তিন হাজার টাকা। একই এলাকার একটি মহিলা কলেজ ভর্তি ফি নিয়েছে তিন হাজার তিনশত টাকা।মণিরামপুর সরকারী কলেজ কর্তৃপক্ষ খামখেয়ালি ভাবে শিক্ষার্থী প্রতি ভর্তি বাবদ ১৬ শত ৫০ টাকা। সরকারি কলেজগুলোও তাদের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করছে না।জানতে চাইলে মণিরামপুর সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ জিএম রবিউল ইসলাম ফারুকী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি এবং বোর্ডের পরিপত্র অনুযায়ী এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমোতি সাপেক্ষে নিয়ম মেনেই ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। যশোর সরকারি সিটি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি ফি আদায় করা হচ্ছে ২ হাজার ৩শত ৭৫ টাকা, মানবিক বিভাগে ১ হাজার ৯শত ২৫ টাকা ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে ২ হাজার ১শত ৫০ টাকা।

এই বিষয়ে সিটি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের নীতিমালা মেনেই তারা কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করছেন। এ কাজে তাদের কোনো অনিয়ম হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।

সরকারি এম এম কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি ফি নেওয়া হচ্ছে ২ হাজার ৬শত ৩৪ টাকা, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষায় ২ হাজার ৫শত ৩৫ টাকা।

অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের ব্যাপারে যশোর শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক কে এম রব্বানী বলেছেন, সরকারি কলেজগুলোতে ২০১৪ সালের পরিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত ফিতে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে। আর বেসরকারি কলেজে আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোনো কলেজ ভর্তি বাবদ অতিরিক্ত ফি আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেই।

এই ব্যাপারে যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মোল্লা আমীর হোসেন বলেছেন, বিশেষ বাহিনী পরিচালিত কলেজগুলো তাদের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে, যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ কোনো হস্তক্ষেপ গ্রহণ করে না। এর বাইরের বেসরকারি কলেজগুলোকে শিক্ষার্থী ভর্তিতে আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের নীতিমালা মেনে চলতে হবে। এর ব্যতয় হলে বা ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়া হবে বলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি বোর্ড চেয়ারম্যানের।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।

টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ইনজুরিতে আক্রান্ত তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচকে ছাড়াই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশটি নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জিতেছে। আজ (শনিবার) অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে মার্কিনীরা পা রেখেছে রাউন্ড অব থার্টি টু–তে।।

এর আগে ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেবার তারা গ্রুপপর্বে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে। তবে ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। এবারই প্রথম আসরের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে যুক্তরাষ্ট্র নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটেই অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন বার্গেসের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বাঁ দিক দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে আক্রমণে ওঠেন ফোলারিন বালোগুন। গত ম্যাচে জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকার সতীর্থ রিকার্ডো পেপি’র উদ্দেশে বল বাড়ালে, তার আগেই সামনে থাকা সকারুজ ডিফেন্ডারে গায়ে লেগে তাদের জালৈ জড়ায়।

এরপর ৪৩ মিনিটে ২১ বছর বয়সী অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের যুক্তরাষ্ট্রের স্কোরলাইন ২-০ করেছেন। সেট-পিস থেকে আসা আক্রমণে সার্জিনো ডেস্টের ডিফ্লেক্টেড শট হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। ভিডিও রিভিউয়ের পর গোলটি নিশ্চিত করা হয়। যা বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল।

এর আগে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই সবার আগে নকআউট পর্বে উঠেছে। এবার সেই দলে আরেক আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দিলো।