খুঁজুন
বুধবার, ১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি দূরভিসন্ধি করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯, ২:১১ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি দূরভিসন্ধি করছে

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি দূরভিসন্ধি করছে।

শনিবার ফেনী সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেছেন, দেশের সকল দুর্নীতিবাজ সরকারের নজরদারিতে রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই রাষ্ট্রনায়ক, যিনি শুদ্ধি অভিযান করতে গিয়ে নিজের দলের লোকজনকে দিয়েই অভিযান শুরু করেছেন। দুর্নীতি-মাদক-টেন্ডারবাজিসহ যেকোন সেক্টরে যারা অপরাধ করছে তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

দুর্নীতি মামলায় এক সংসদ সদস্যের সাজা ও একাধিক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে চলমান মামলার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না।নুসরাত হত্যার রায়ের মামলায় আসামিদের মধ্যে একজন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। তাকেও অপরাধের দায়ে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। এতে প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগে অপরাধীর কোন ছাড় নেই।’

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি দূরভিসন্ধি করছে।

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে দলের নেতা ও স্বজনরা যে চিত্র তুলে ধরেন, চিকিৎসকদের অবজারভেশনের সাথে তার মিল নেই। তারা খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যতটা উদ্বিগ্ন, তার চেয়ে বেশি অসুস্থতা নিয়ে আন্দোলনের ইস্যু করতে চায়।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, ফেনী ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুর রহমান বিকম, জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরন্নবী প্রমুখ।

Feb2

সব আন্দোলনে প্রেরণার উৎস নজরুল: চট্টগ্রামের ডিসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
সব আন্দোলনে প্রেরণার উৎস নজরুল: চট্টগ্রামের ডিসি

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হলে তাদের সামনে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা তুলে ধরতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, কবি নজরুলকে তাঁর প্রাপ্য সম্মানের জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে।

আজ বুধবার ( ১১ শে মার্চ) নগরীর ডিসি হিলে জাতীয় কবির নামে নির্মিত “নজরুল স্কয়ার” সংস্কার শেষে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, “আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক—কার গান গেয়ে তারা উদ্দীপ্ত হয়, কার লেখনী তাদের আন্দোলিত করে এবং কার চেতনা তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শক্তি দেয়। সেই লক্ষ্যেই নজরুল স্কয়ারকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।”

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সমাজে কোনো অন্যায় বা অবিচার দেখা দিলে তরুণ প্রজন্ম আবারও নজরুলের চেতনাকে সামনে রেখেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে—এমন প্রত্যাশা থেকেই ডিসি হিলের নজরুল স্কয়ারকে নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অসামান্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, এমনকি ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানেও
তাঁর চেতনা মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। “বিদ্রোহী” কবিতার মাধ্যমে তিনি যে প্রতিবাদের চেতনা জাগিয়ে তুলেছিলেন, প্রায় এক শতাব্দী পরও সেই চেতনা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ১৯২৫ সালে রচিত ‘নারী’ কবিতাও আজকের সমাজে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। আবার রমজান মাস এলেই যে গান গেয়ে মানুষ ঈদের আনন্দ উদ্‌যাপন করে—“…. রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ”—সেটিও জাতীয় কবির সৃষ্টি।

তিনি বলেন, বিদ্রোহ, সাম্য ও গণজাগরণের কবি নজরুলের সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের নানা অর্জনের পেছনেও তাঁর চিন্তা ও চেতনার গভীর প্রভাব রয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, ডিসি হিলের এই এলাকাটি মূলত একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে ২০০৫ সালে “নজরুল স্কয়ার” স্থাপন করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে আশপাশের সড়কের উচ্চতা বাড়ার ফলে স্কয়ারের মনুমেন্টটি তুলনামূলক নিচু হয়ে পড়ে এবং স্থানটি ধীরে ধীরে অন্ধকারাচ্ছন্ন ও জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় চলে যায়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে : নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংসদে সরকারি দল বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ ও পুরনো রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে রংপুর শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে জাতীয় নাগরিক পার্টির রংপুর বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিন থেকে শুরু হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের যাত্রা। সরকারি দল সংবিধান সংস্কারের শপথ নিতে সম্মত হবে বলে আশা করছি। যদি এর ব্যতয় ঘটে, তাহলে দেশের মানুষ জানে কারা এর প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনগণ রায় দিয়েছে। সেই ‘হ্যাঁ’ ভোটকে কার্যকর করা সংসদ সদস্যদের অন্যতম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য আমরা সংসদে যাচ্ছি। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত করার জন্য সংসদে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধ চলছে। আমাদের দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে। এই সময় ঐক্য না থাকলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। সরকার একাই দেশ পরিচালনা করতে পারবে না। জাতীয় ঐক্যে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। দেশে শিশু হত্যা, নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় অপরাধীদের বিচার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশে স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব হয়েছিল। যে সকল জায়গায় মা-বোনদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে সেখানে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী কাজ করবে। বিরোধী দলকে কথা বলতে দিতে হবে। গণভোটের অঙ্গীকার জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধীদলকে মিলে বাস্তবায়ন করতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলাম, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সাদিয়া ফারজানা দিনাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এদিকে, বিভাগীয় এই ইফতার মাহফিলে খাবার সামগ্রী ও বসার আসন না পাওয়া নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একাংশকে হট্টগোল করতে দেখা যায়। তবে সেখানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এছাড়াও আমন্ত্রিত গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে ইফতারের আগ মুহূর্তে পানি ও খাবার না দেওয়ায় শতাধিকের বেশি সাংবাদিক অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। তারা এ ধরনের আয়োজনে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানান।

থার্ড টার্মিনাল চালু করতে ৬ থেকে ৯ মাস লাগবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
থার্ড টার্মিনাল চালু করতে ৬ থেকে ৯ মাস লাগবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করতে ৬ থেকে ৯ মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

দ্রুত সময়ের মধ্যে থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রথম বৈঠকেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন—এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে গেলেও আমরা যেটা দেখেছি, ৬ থেকে ৯ মাস লাগবে। ৯ মাসের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বৈঠকে পর্যটন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পর্যটন খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছিল, তবে সেটির কোনো অগ্রগতি হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সে প্রসঙ্গেই তারা এসেছে। পর্যটন শিল্পে তারা বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে আমাদের সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে উন্নীত করতে তাদের বিনিয়োগকারীরা একটি ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে চায়—কীভাবে এটিকে একটি আন্তর্জাতিক উপযোগী বিচে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিমান চলাচল নিয়েও আলোচনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের কিছু ফ্লাইট আছে আমাদের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২টা ফ্লাইট যায়। সেক্ষেত্রে তারা ৩টি ফ্লাইট আরও বর্ধিত করতে চায়।

তিনি বলেন, তারা তিনটি অতিরিক্ত ফ্লাইটের জন্য ফ্রিকোয়েন্সি চেয়েছে। আমরা তাদের আবেদন করতে বলেছি। বিষয়টি যাচাই করে দেখব। এতে দুই দেশের যাতায়াত সুবিধা বাড়বে এবং পর্যটন ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

নতুন ফ্লাইটগুলোর রুট সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি ফ্লাইট হবে গুয়াংজুতে এবং একটি বেইজিংয়ে।

কবে থেকে এসব ফ্লাইট চালু হতে পারে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করবে। এরপর বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এলে সিভিল এভিয়েশন থেকে অনুমতি দেওয়া হবে।

চীনের সঙ্গে অন্য কোনো চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চীনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল, কিন্তু তার বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়নি।

তিনি বলেন, তারা দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ভিত্তিতে পিপিপি মডেলে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার কথা বলেছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। তাই তারা আবার আলোচনা করতে এসেছে।

কক্সবাজারে পর্যটন সুবিধা বাড়াতে ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি, আপনারা প্রস্তাব দিন। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। যদি এটি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয়, তাহলে আমরা তা বিবেচনা করব।