খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে কর্মচারীকে ডেপুটি রেজিস্টারের মারধর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
চবিতে কর্মচারীকে ডেপুটি রেজিস্টারের মারধর

চবি প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের অফিস সহকারী মোহাম্মদ আলমগীরকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) কেন্দ্রের ডেপুটি রেজিস্টার জাকের আহমেদের বিরুদ্ধে।জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পুত্রকে সাথে নিয়ে ওই কর্মচারীকে মারধর করেন জাকের।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২ অক্টোবর) মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে জাকের আহমেদ ও তার দুই ছেলে মোজাহিদ এবং মোস্তাফিজকে আসামী করে হাটহাজারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাটহাজারী থানার ডিউটি অফিসার এস আই রাজিব বলেন, বাদী অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য ওসি স্যারের টেবিলে আছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকাল ৩:৪৫ টার দিকে অফিস শেষে বাসায় যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহী কলোনী মসজিদের পাশে সাঈদের দোকানের সামনে বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা দশজন লোক আমাকে একলা পেয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে জখম করে। বিবাদী জাকের আহমেদ আমাকে হত্যার উদ্দেশে লাঠি দ্বারা মাথায় আঘাত করে। তারা আমার প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ৩৫ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ২০০৫ সাল থেকেই তাদের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাব খাটিয়ে তারা আমাদেরকে হুমকি দিয়ে আসছে৷ এর জেরে আমার ছোটভাই বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে জাকের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের জমির উপর বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা চালায়। বাধা দিলে আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছিল।

ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জাকের আহমেদকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি।

প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত জাকের আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি দখল, মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি, ঘুষের টাকা দিয়ে বিলাসবহুল গাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে। অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃতও হন তিনি।

২৪ ঘণ্টা/শিমুল/মেহেদি

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…