খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটিয়ায় স্বামীকে বেঁধে নববধূকে ধর্ষণ, মূলহোতা গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
পটিয়ায় স্বামীকে বেঁধে নববধূকে ধর্ষণ, মূলহোতা গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও বড়ুয়াপাড়া এলাকায় স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি মো. হান্নানকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। তিনি ঘটনার মূলহোতা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

রোববার দুপুরে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অপারেশন অফিসার মো. মাশকুর রহমান এ তথ্য জানান। দুপুর ১ টায় র‌্যাব-৭ হান্নানকে পটিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে পুলিশ আদালতে পাঠালে আদালত হান্নানকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের অপারেশন অফিসার মো. মাশকুর রহমান জানান, ‘শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকা থেকে চাঞ্চল্যকর নববধূ গণধর্ষন মামলার প্রধান আসামি হান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে মামলার ১নং আসামি ও ঘটনার অন্যতম মূলহোতা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে অন্যান্য সহযোগীদের নিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

র‌্যাব কর্মকর্তা মাশফুকুর রহমান আরো জানান, এই মামলায় এজাহারনামীয় চারজনকেই গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭।

এর আগে গত ৭ জুন পটিয়ার কোলাগাঁও বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এক গৃহবধূকে চার যুবক মিলে ধর্ষণ করে। ১৫ জুন পটিয়া থানায় এ ঘটনায় মামলা করা হয়।

এজাহারে বলা হয়, ১৯ বছর বয়সী ওই নারী বিয়ের তিন দিন পর তার স্বামীর সঙ্গে পাশের বোয়ালখালী উপজেলায় শ্বশুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে কোলাগাঁও বড়ুয়া পাড়া এলাকায় তার পূর্ব পরিচিতি চার যুবক স্বামীকে আটকে রেখে তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে।

এদিকে ছায়া তদন্তে নেমে ধর্ষণের মামলাটির দুই আসামি মো. জুয়েল (২৮) ও মো. মিন্টুকে (৩৩) গত ১৭ জুন গভীর রাতে নগরীর পতেঙ্গা ও বাকলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর ইপিজেড থানাধীন সল্টগোলা এলাকায় অভিযান ঘটনার অন্যতম মূলহোতা মো. আবু তাহের মন্টুকে (৩০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…