খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শশুর বাড়িতে প্রবাসী জামাইকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০, ১১:২২ অপরাহ্ণ
শশুর বাড়িতে প্রবাসী জামাইকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের পটিয়ার কুসুমপুরা ইউনিয়নের হরিনখাইনে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে সাইফুল ইসলাম সুমন (৩৫) নামের এক প্রবাসী ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটলেও আজ শনিবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই প্রবাসীর মৃত্যু হয়।

নিহতের বড়ভাই ফারুক জানান, তার ভাই ছয় মাস আগে দুবাই থেকে দেশে আসেন। পারিবারিক সমস্যার জেরে তার ভাইয়ের স্ত্রী গত দুই মাস ধরে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। শুক্রবার রাতে তার ছোট ভাই সুমন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গেলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে তাকে ছুরিকাঘাত করে খুন করেছেন।

পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন বলেন, গতকাল শুক্রবার রাতে সুমন তার শ্বশুরবাড়িতে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হলে বিষয়টি আমরা জানতে পারি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সুমনকে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তার শ্বশুরবাড়ির পক্ষের লোকজনের দাবি স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরে আত্মহত্যা করেছেন সুমন।

জানা যায়, পটিয়ার কুসুমপুরা ইউনিয়নের বিনিনীহারা এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে প্রবাসী সুমন হরিনখাইন হতে বিয়ে করেন চার বছর আগে। বিয়ের পর সুমন প্রবাসে চলে গেলে সুমনের পরিবারের সঙ্গে তার স্ত্রীর বনিবনা না হওয়ায় নিজের বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ছয় মাস আগে সুমন দেশে ফিরলেও তার স্ত্রী বাবার বাড়িতেই থেকে আসছিলেন, সুমনও মাঝে মাঝে শ্বশুরবাড়িতে আসা-যাওয়া করছিলেন। শুক্রবার রাতে আবারও শ্বশুরবাড়ি গেলে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন সুমন। পরে শনিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ঘটনার তদন্তে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে আজ শনিবার সাড়ে ছয়টার দিকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো থানায় কোন অভিযোগ করা হয় নি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…