খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১২ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুঃখ খ্যাত ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ১:১৩ অপরাহ্ণ
দুঃখ খ্যাত ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধি:-দুঃখ খ্যাত ভবদহ এলাকাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে জোয়ারাধার (টিআরএম) চালুর দাবীতে হাজার হাজার নারী-পুরুষ মানববন্ধন অংশ নিয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে সমাবেশ এবং ১১ থেকে১২ টা পর্যন্ত যশোর মশিয়াহাটীতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মাটির ঘর ডুবে গিয়ে জল চালে উঠে গিয়েছে। আর যা কিছু ছিলো সব এখন পানির নিচে। পানি না সরালে এভাবে আর জীবন চলে না।কথাগুলো বলছেন যশোরের জলাবদ্ধ জনপদ ভুক্তভোগী বাসিন্দা।

বহু মানুষের দুর্গতি অনেক সময় ২/১জন প্রভাবশালী ব্যক্তির জন্য অর্থপ্রসূ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাঁরা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সেই দুর্দশার অবসান তো চায়ই না বরং সেটিকে যথাসম্ভব প্রলম্বিত করার চেষ্টা করেন। সুবিধাপ্রাপ্ত সেই ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের কারণে নির্বল দুর্দশাগ্রস্তদের দুঃখের তিমির শেষ হয় না।

এই মনুষ্যলালিত সুদীর্ঘ দুর্দশার নির্মম ছবি যশোরের ভবদহ অঞ্চলের মানুষ দেখে আসছে। যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর এবং খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে এই অঞ্চল। সেখানে ছোট–বড় ৫৪টি বিল আছে। এ অঞ্চলের পানি ওঠানামার পথ মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদী। কিন্তু সব নদীই কমবেশি ভরাট হয়ে বিলের চেয়ে উঁচু হয়ে গেছে। ফলে বর্ষায় নদীর পানি বিলে ঢুকে সব তলিয়ে যায়। এবার প্রায় ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় প্রতিবছরই নদী খননসহ নানা প্রকল্প নেয় সরকার।

গত ৪/৫ বছরে ভবদহে খনন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ভবদহ অঞ্চলের মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদীর পানি চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১৪টি প্রকল্পে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার পাইলট চ্যানেল খননকাজ হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর কোনো উপকার হয়নি।

এরই মধ্যে প্রায় ৮০৮ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প নিয়েছে । ‘ভবদহ ও তৎসংলগ্ন বিল এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ’ নামের এই প্রকল্পে ৬২টি নদী ও খাল পুনঃখনন, খালের ওপর ১৯টি কালভার্ট নির্মাণ, বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ এবং ২০টি স্লুইসগেট নির্মাণ ও সংস্কারের কথা উল্লেখ আছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের খুশি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা বলছেন, কয়েক বছরে ভবদহের খনন প্রকল্পে যে দুর্নীতি হয়েছে, তাতে পুরো টাকাই পানিতে গেছে। নতুন করে ৮০৮ কোটি টাকার প্রকল্পে মন্ত্রী, সাংসদ, ঠিকাদার ও ব্যক্তিবিশেষের বড় আকারে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি হবে, ভবদহের জলাবদ্ধতা দূর হবে না।

শনিবার সকালে মণিরামপুর উপজেলার জলাবদ্ধ মশিয়াহাটি স্কুল মাঠের সামনে রাস্তায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে জলাবদ্ধ এলাকার বাসিন্দারা সহ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, সংগ্রাম কমিটিগণ অংশ নেন । এই সময় বক্তারা, ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারাদের উল্লেখ করে বলে অভিযোগ করেন। এই টিআরএম ভবদহ বাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। স্থানীয়ভাবে যারা এ বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছেন তাদেরও প্রাণের দাবি এই টিআরএম সুতরাং, যত দ্রুত এই পদ্ধতি কার্যকর করা যাবে, তত দ্রুতই পানিবন্দি এ দশা থেকে মুক্তি মিলবে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2

ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিহ জেলার জেবদিনের একটি বাড়িতে দখলদার ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহত অপরজন সিরীয় নাগরিক।

সংবাদমাধ্যম লরিয়েন্ট টুডে আজ সোমবার (১১ মে) এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বাংলাদেশিদের নাম বা পরিচয় কিছু জানায়নি তারা। নিহতরা সেখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন বলে উল্লেখ করেছে লরিয়েন্ট টুডে।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। ধারণা করা হচ্ছে গতকাল এ হামলা চালানো হয়।

ইসরায়েলি হামলার জবাবে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। তারা আজও ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি সেনারা এটি অমান্য করে দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস করতে থাকে। এর পাশাপাশি হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদেরও টার্গেট করে তারা। জবাবে হিজবুল্লাহ পাল্টা হামলা চালায়।

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার: সেতুমন্ত্রী

সরকার দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আজহায় নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‌হ্যাঁ, পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর তিনটি প্রস্তাবনা আছে। তার এক নম্বর প্রস্তাবনা আপনি যেটা বলেছেন ওই রুটে। আমরা দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি, বলবো আমি এই মুহূর্তে। ফিজিবিলিটি স্টাডি অলরেডি কমপ্লিট। অর্থায়নের জায়গাটা নিয়ে ভাবছি, কথা বলছি। আর ধরেন অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতি চলছে।’

মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রাক-প্রস্তুতির কাজও এগিয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।

প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নিয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মূল সেতু নির্মাণের অন্যান্য প্রাক-প্রস্তুতিমূলক কাজগুলোও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মানুষের যাতায়াতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।

বিশেষ করে উৎসবের সময় মহাসড়কের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ বাঁচাতে এই সেতুটি বিকল্প ও শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রায় নৌপথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। আরিচা ঘাটে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে গাড়ির ব্রেক ত্রুটির বিষয় উঠে এসেছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবার ফেরিতে গাড়ি ওঠার আগে ব্যারিকেড ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে ফেরি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া পর্যন্ত নতুন গাড়ি প্রবেশ করতে না পারে।

এ ছাড়া সদরঘাটে স্পিডবোট ও লঞ্চ চলাচলে নতুন শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। এখন থেকে স্পিডবোটের যাত্রীরা সরাসরি লঞ্চে উঠতে পারবেন না। তাদের নির্ধারিত পন্টুন ব্যবহার করতে হবে। এজন্য নতুন সংযোগ সেতুও নির্মাণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেড় কোটির বেশি মানুষের ঈদযাত্রা এবং প্রায় এক কোটি কোরবানির পশু পরিবহনকে কেন্দ্র করে এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তবে সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

চসিক মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
চসিক মেয়রের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার

চট্টগ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষের ভারত ভ্রমণ সহজ করতে মেডিকেল ও ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদানের হার ও গতি বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতের নতুন সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

আজ সোমবার (১১ মে) টাইগারপাসস্থ নগর ভবনে মেয়র কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মেয়র বলেন, “চট্টগ্রামের বিপুল পরিমাণ মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ এবং পর্যটনের উদ্দেশ্যে ভারতে যান। বিশেষ করে আজমীর শরীফ, নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ, আগ্রার তাজমহল এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন তীর্থস্থান থাকার কারণে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ ভারত ভ্রমণ করেন। চট্টগ্রামের এই মানুষদের সুবিধার্থে মেডিকেল এবং ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদানের হার ও গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।”

এছাড়া মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবাদান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারকে অবহিত করেন।

এসময় দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, চট্টগ্রামের সাথে ভারতের বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

মেয়র নবনিযুক্ত সহকারী হাইকমিশনারকে চট্টগ্রামে স্বাগত জানান এবং তার দায়িত্ব পালনকালে চসিকের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শ্রী হরিশ কুমার চট্টগ্রামের উন্নয়নে মেয়রের গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।