খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের ১১ ইউপিতে ভোট সম্পন্ন, ফটিকছড়ি ও লোহাগাড়ায় সংঘর্ষ আহত ৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 20 October, 2020, 5:11 pm
চট্টগ্রামের ১১ ইউপিতে ভোট সম্পন্ন, ফটিকছড়ি ও লোহাগাড়ায় সংঘর্ষ আহত ৫

২৪ ঘণ্টা, ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রামের ৬ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ভোট গ্রহণের শুরুতে প্রথমে সুষ্ঠ এরপর বেলা বাড়তেই থেমে থেমে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এক পর্যায়ে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষ। ঠিক এভাবেই কেটেছে ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ও লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায় কয়েকটি নির্বাচন কেন্দ্র। সংঘর্ষে জড়িয়েছে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের সমর্থকেরা।

এতে ফটিকছড়িতে ৩ জন ও আমিরাবাদে ২ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় সংঘর্ষে রুপ নেওয়া কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন বলেন, উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে শোভনছড়ি জে এম সি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে হাতাহাতির ঘটনায় তিনজন আহত হয়। এরা হলেন আলী আকবর জুনু, ইমাজ উদ্দিন ও জেম। খবর পেয়ে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। স্বাভাবিকভাবেই পুনরায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন রোমেন খান বলেন, সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বড় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকেল ৪ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

তবে লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানিয়েছেন উপজেলার আমিরাবাদ ১নং ওয়ার্ডের আমিরাবাদ সুফিয়া আলীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন সামান্য আহত হয়।

তাছাড়া কেন্দ্রটির কয়েকটি বুথে দুর্বৃত্তদের হামলার কারণে কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক উপস্থিতিতে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।

দুই উপজেলায় ছোট কিছু বিচ্ছিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করলেও বাকি ৪ উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা দাবী করছে নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন কেন্দ্রে আইনশঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রামের ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে মোট ২৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ১১৮ জন সাধারণ সদস্য এবং ৩৭ জন সংরক্ষিত সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

এর আগে মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আরও তিন ইউনিয়নের সাধারণ ওয়ার্ডে সদস্য পদের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ওইসব ইউনিয়নে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনানুগ নির্দেশনা প্রদান এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ২৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফটিকছড়ি উপজেলার সুয়াবিল ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১ হাজার ৩১২ জন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৫৬ জন পুরুষ, ৫ হাজার ৫৫৬ জন মহিলা। এছাড়া নানুপুর ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১৯ হাজার ৯শ ৫১ জন। এর মধ্যে ১০ হাজার ১৩৮ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ৮১৩ জন মহিলা ভোটার।

লোহাগাড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মধ্যে লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৩ হাজার ১৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৩২৯ জন ও মহিলা ১০ হাজার ৮৪০ জন।

আমিরাবাদে মোট ভোটার ২৮ হাজার ৯৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ১১৫ জন ও মহিলা ১৩ হাজার ৮২৮ জন। আধুনগর ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৫ হাজার ৫৫৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ১৪১ জন ও মহিলা ৭ হাজার ৪১৫ জন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।