খুঁজুন
, ,

নেতাকর্মীদের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে নগর আ’লীগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 20 October, 2020, 6:44 pm
নেতাকর্মীদের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে নগর আ’লীগ

নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণ দ্বিতীয় ওয়েভের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের আপামর জনসাধারণের মাস্ক পড়া নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আওতাধীন সকল থানা কমিটি, ওয়ার্ড কমিটি, ইউনিট কমিটিসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে নগর আওয়ামী লীগ। এই ব্যাপারে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রকাশের মাধ্যমে সকল নেতাকর্মীদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ আওতাধীন “এ” ইউনিট,”বি” ইউনিট ও “সি” ইউনিট আওয়ামী লীগের পৃথক পৃথক কার্যকরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি একথা জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি জার্নালে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের অসচেতনতা বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস কি? কি কারণে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারে? কিভাবে করোনা মহামারী মোকাবেলা করা যাবে?-এই সম্পর্কিত সচেতনতা জ্ঞান রয়েছে মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষের।

তিনি আরো বলেন, সংক্রমণের দ্বিতীয় ওয়েভের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকলের মুখে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কারৃযকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য তিনি বলে দিয়েছেন। তাই নগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মহানগর, থানা,ওয়ার্ড, ইউনিট আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মুখে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করার মধ্য দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পালন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী।

সভায় নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, কার্য নির্বাহী সদস্য বেলাল আহমদ, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মোরশেদ আকতার চৌধুরী, খুলশী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক, লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুম, “এ” ইউনিট সভাপতি মো লোকমান হোসেন, “বি” ইউনিট সভাপতি (ভার.) মো কামাল উদ্দিন, “সি” ইউনিট সভাপতি মো শাহজাহান, “এ” ইউনিট সাধারণ সম্পাদক (ভার.) শফিউল আযম বাবু, “বি” ইউনিট সাধারণ সম্পাদক এস এম ইবরাহীম, “সি” ইউনিট সাধারণ সম্পাদক (ভার.) সমীর কান্তি দে, ইউনিট নেতা হারুনুর রশিদ, রফিক সওদাগর, মো হানিফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

১০ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে ইংল্যান্ডকে জেতালেন কেইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 July, 2026, 12:33 am
১০ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল করে ইংল্যান্ডকে জেতালেন কেইন

ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক প্রত্যাবর্তন করেছে তারা। কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।

৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এরপর ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও জালে বল জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল ইংল্যান্ড। আর সেই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক অধিনায়ক হ্যারি কেইন। অন্যদিকে অসাধারণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো ডিআর কঙ্গোকে।

ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ৭ম মিনিটে দারুণ এক গোলে ডিআর কঙ্গোকে এগিয়ে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গার। ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালের নিচের বাঁ কোণে পাঠিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড। গোলটির পেছনে বড় অবদান ছিল অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বার, তার অ্যাসিস্ট থেকেই গোল হয়।

গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ৩০ মিনিটে জুড বেলিংহাম সমতায় ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন। শূন্যে ভেসে আসা ক্রসে দারুণ এক হেডে বল পোস্টের ডান দিকে পাঠান তিনি। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি অসাধারণ রিফ্লেক্সে বলটি ফিরিয়ে দেন। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন তিনি।

পাঁচ মিনিট পর আবারও সুযোগ তৈরি করে ইংল্যান্ড। ডি-বক্সের ভেতরে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শেই জোরালো শট নেন মার্কাস রাশফোর্ড। তবে কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করায় হতাশ হতে হয় তাকে। সমতায় ফেরার আরেকটি সম্ভাবনা নষ্ট হয়ে যায় ইংলিশদের।

৪২ মিনিটে ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলেছিল ডিআর কঙ্গো। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলে সুযোগ পেয়ে যান ইওয়ান উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে প্রথম ছোঁয়াতেই শট নেন তিনি। তবে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করে গোলপোস্ট। বল পোস্টে লেগে ফিরে এলে বড় বিপদ থেকে বেঁচে যায় থ্রি লায়নরা।

এর দুই মিনিট পর ম্যাচে তৈরি হয় বিতর্ক। মাঝমাঠ থেকে আসা লম্বা বল ধরে কঙ্গোর বক্সে ঢুকে পড়েন হ্যারি কেইন। তাকে থামাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন গোলরক্ষক এমপাসি। দুজনের সংঘর্ষে বক্সের ভেতরে পড়ে যান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। পেনাল্টির জোরালো দাবি তুললেও রেফারি উল্টো কেইনের বিপক্ষেই ফাউলের বাঁশি বাজান। ফলে পেনাল্টির বদলে ফ্রি-কিক পায় ডিআর কঙ্গো।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েও গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। ডান দিক থেকে আসা ক্রসে বেলিংহামের নিচু হেড গোলমুখে যাচ্ছিল। কিন্তু আবারও সামনে দাঁড়িয়ে যান এমপাসি। বাঁ দিকের নিচের কোণ থেকে দুর্দান্ত সেভ করে ইংল্যান্ডকে গোলবঞ্চিত করেন তিনি।

৫৪তম মিনিটে আবারও দুর্দান্ত এক সেভে ইংল্যান্ডকে হতাশ করেন এমপাসি। জুড বেলিংহামের শট কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালের দিকে যাচ্ছিল, কিন্তু অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় বলটি ঠেকিয়ে দেন তিনি।

তবে ৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের বাড়ানো ক্রসে হেড করে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কঙ্গোর গোলরক্ষক বলটিতে হাত লাগালেও সেটিকে জালে যাওয়া থেকে আটকাতে পারেননি।

সমতায় ফেরার মাত্র ১১ মিনিট পরই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন কেইন। ৮৬তম মিনিটে গর্ডনের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। ১১ মিনিট আগে ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

কেইনের এই জোড়া গোলই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে এনে দেয় মূল্যবান জয়। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে মোট ১৩ গোল করে ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের বিশ্বকাপ গোলসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। এবারের আসরে তার গোল মোট ৫টি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 11:04 pm
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

দেশের উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার, দালালচক্র ও অনিয়ম প্রতিরোধ এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সারাদেশের ৫০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার সশস্ত্র অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশিদ।

তিনি জানান, সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে থাকবেন একজন প্লাটুন কমান্ডার, একজন সহকারী প্লাটুন কমান্ডার এবং আটজন আনসার সদস্য। তারা ২৪ ঘণ্টা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশিদ বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্র, অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স বাণিজ্য, ঔষধ চক্র এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আনসার সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে দক্ষতা, সততা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মতো সংবেদনশীল কর্মস্থলে কোনো সদস্য অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস রক্ষায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় গ্রহণযোগ্য হবে না।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, বাহিনীর নিয়োগ ও মোতায়েন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আধুনিক সফ্‌টওয়্যারভিত্তিক যাচাই-বাছাই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এর ফলে যোগ্য সদস্য নির্বাচন এবং বাহিনীর পেশাদারিত্ব আরও সুসংহত হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সদস্যদের সততা ও দক্ষতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মলদোভাসহ বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আনসার সদস্য মোতায়েনের ফলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ কমবে। একই সঙ্গে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ, সেবাগ্রহীতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সরকারি সম্পদের সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক শৃঙ্খলা ও সেবার মান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মো. রফিকুল ইসলাম, মো. আব্দুল মজিদ এবং মো. রাশেদুজ্জামানসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা হলো, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 10:16 pm
ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা হলো, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথ কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি কতটা হলো, তা নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হওয়ার তথ্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন কীভাবে হবে, তা বৈঠকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হয়েছে।

ঢাকার এই বৃত্তাকার সড়কের একটি অংশ আব্দুল্লাহপুর রেলগেট থেকে ধউর, বিরুলিয়া, গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, সোয়ারিঘাট, কদমতলী, তেঘরিয়া, পোস্তগোলা, ফতুল্লা, চাষাঢ়া ও শিমরাইল হয়ে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। আরেকটি অংশ আব্দুল্লাহপুর রেলগেইট থেকে তেরমুখ, পূর্বাচল ও বেরাইদ হয়ে ডেমরায় যাবে। সবমিলিয়ে প্রায় প্রায় ৮৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ চলছে। বৈঠকে জানানো হয় এই পথে ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বৃত্তাকার এই সড়ক নির্মাণ হলে রাজধানীর ভেতরের সড়ক ব্যবহার না করেই এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাওয়া যাবে। সিলেট, মাওয়া ও চট্টগ্রামের যাত্রীরা ঢাকা না ঢুকেও গন্তব্যে যেতে পারবেন। এতে শহরে যানবাহনের চাপ কমবে এবং একই সঙ্গে যানজটও কমে আসবে।

একইভাবে ঢাকা শহরে ঘিরে ১১০ কিলোমিটারের নদী পথ রয়েছে তার চালু করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং রাজধানীর বৃত্তকার নদী পথে মানুষজন এক গন্তব্যে থেকে অন্য গন্তবে যেতে পারবে অনায়াসে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, এই বিষয়গুলো বৈঠকে তুলে ধরা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞরা এর কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন। নদী পথ ব্যবহার করলে পরিবেশ দুষণমুক্ত থাকবে, জ্বালানি সাশ্র্রয়ী হবে, সময়ও কম লাগবে বলে বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে বলেছেন। কারণ নদী পথের যানবাহনগুলো হবে বিদ্যুৎচালিত।

বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেল পথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডাব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।