খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘নগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় যুক্ত হলো স্যুইপিং ট্রাক’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ৪:০০ অপরাহ্ণ
‘নগরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় যুক্ত হলো স্যুইপিং ট্রাক’

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন আজ বুধবার সকালে জিইসি মোড় ও দেওয়ানহাট মোড়ে নগরীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আধুনিক স্যুইপিং ট্রাকের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে বিশ্বমানের নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু করেছি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে পরিচ্ছন্নতা কাজে প্রায় ৩ হাজার সেবক প্রতিদিন কাজ করে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতা কাজ আরো ত্বরান্বিত করতে পুরণো পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হলো এই আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক। নতুন এ যন্ত্রের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুনমাত্রা যোগ হবে এবং এ পরিচ্ছন্ন কাজের প্রসারতা বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চসিককে ৩টি আধুনিক ভ্যাকুয়াম টাইপ রোড সুইপার ট্রাক উপহার দিয়েছেন। ২০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী এক সাথে যে কাজ করতে পারবে, তার চেয়েও বেশি পরিচ্ছন্নতা কাজ করার সক্ষমতা রাখে এক একটি ট্রাক। ইতালী থেকে আনা এক একটি ট্রাক দিয়ে অন্তত ১২ কি.মি. রাস্তা পরিস্কার করতে পারবে। ট্রাকের যন্ত্রটি মুহূর্তের মধ্যে রাস্তার ধুলোবালি-বর্জ্য পাইপ দিয়ে তুলে নিবে। এর সংগে আলাদা পানির ট্যাংকও যুক্ত আছে। প্রয়োজনে পানি ছিটিয়ে রাস্তা পরিস্কার করা যাবে। আবর্জনা সংগ্রহের পর সুবিধাজনক স্থানে তা আনলোড করবে। আবর্জনা আনলোডের পর গাড়ির পানি দিয়ে গাড়িটি ধুয়ে ফেলার সুযোগও রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে ট্রাকগুলো চালানোর জন্য চালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাকগুলো মেরামত কাজের জন্য একজন ফোরম্যান ও একজন মেকানিককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আশাকরি প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম নগরীকে সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যে আন্তরিক, এই আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক প্রদানের মাধ্যমে তা আবারো প্রমাণিত হলো।

প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর প্রতি এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী জয়সেন বড়–য়া, মির্জা ফজলুল কাদের, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী চাল বিতরণ মানবিক উদ্যোগ: সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকা সময়ে নিবন্ধিত মৎসজীবীদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভি.জি.এফ চাল বিতরণ প্রণোদনা কার্যক্রম একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে বেকার মৎস্যজীবী পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব ও দু’মুঠো অন্নের সংস্থান সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আজ সকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ খেজুর তলা জেলে পাড়ায় মৎস্যজীবীদের মাঝে সরকারী চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, মৎস্য প্রজননকালীন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় সামৃদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আকার ও ওজনে বড় হচ্ছে। এতে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। এ ছাড়াও সামুদ্রিক মাছ রফতানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাময়িক একটু সমস্যা হলেও নির্দ্দিষ্ট সময়ে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে বাকীটা সময় মাছে-ভাতে বাঙালির সুখেই কাটবে।

তিনি সর্তক করে দেন যে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে কর্ণেল হাট ও ঝোলার হাটে সামুদ্রিক মাছ দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সময় মৎস্যজীবীরা প্রশাসককে অবহিত করেন যে, মাছ শিকারের জন্য তাদের নির্ধারিত স্থানে ভোলা থেকে আসা মৌসুমী মৎস্যজীবীরা স্থানীয় কিছু মানুষের সহযোগিতায় তারা স্থানীয় জেলেদের বাঁধা দেয় এমন কি নির্যাতনও চালায়। তিনি এ বিষয়টি আমলে এনে বলেন, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে। এ সময় জেলা সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য রাখেন অনাথ বন্ধু দাস, সুভাষ দাস, সমীরণ দাস, রতন দাস, রতন দাস সহ স্থানীয় রাজনৈতিক আবদুস সালাম, আলী আজমী মিন্টু, শাহাদাত হোসেন, আলাউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…