খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ নেতা রনির বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের মামলায় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির সত্যতা পায়নি পুলিশ!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
ছাত্রলীগ নেতা রনির বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের মামলায় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির সত্যতা পায়নি পুলিশ!

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করে অস্ত্র ঠেকিযে চাঁদাবাজি ও হত্যার উদ্দ্যেশে মারধরের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষের দায়ের করা একটি মামলার চার্জশিট আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।

এতে অভিযুক্ত চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক নুরুল আজিম রনিসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। সোমবার (২৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার এসআই বদিউল আলম।

তবে প্রেরিত চার্জশিটে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ঠেকিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগের কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করেছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করা হয় সোমবার (২৮ অক্টোবর)। চার্জশিটে নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের আরো ৬ নেতাকর্মীসহ মোট ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

পুলিশের দেয়া চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খানের দায়ের করা অভিযোগে নুরুল আজিম রনির নির্দেশে তানভীর মেহেদি ও নেওয়াজ শরীফ তার ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও না দিলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়ার যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে অনুমতি না নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে অনুপ্রবেশের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়। এতে কলেজটির অধ্যক্ষের কক্ষে অনধিকার প্রবেশ করে তাকে থাপ্পড় ও মারধরের সত্যতা পাওয়া যায়।

ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের পর শিক্ষককে মারধর, অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কলেজে অনধিকার প্রবেশের অপরাধে তিন ধারায় নুরুল আজিম রনির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়্ অন্যান্য আসামিদের শুধু একটি ধারায় (কলেজে অনধিকার প্রবেশ করার) অভিযোগ আনা হয়েছে।

নুরুল আজিম রনি ছাড়া চার্জশিটে উল্লেখ থাকা অন্য ৬ আসামি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ, কলেজ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কমিটির বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন। এরা হলেন তানভীর মেহেদি মাসুদ, নেওয়াজ শরীফ অমি, মজিবুর রহমান রাসেল, আরিফুর রহমান মাসুদ,নুরুল হুদা মিঠু ও কিরণ।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনি একজন মাদকাসক্ত দাবী করে রনির ডোপ টেস্ট করানোর জন্য আদালতে আবেদন করার কথা জানিয়েছেন মামলার বাদি চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ ড. জাহেদ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চে বিজ্ঞান কলেজের তিন শতাধিক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে উন্নয়ন ফি আদায়ের জন্য প্রবেশপত্র আটকে রেখেছিলেন অধ্যক্ষ জাহেদ খান। সেই প্রবেশপত্র আদায়ের জন্য নগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি আন্দোলনে নেমেছিলেন।

২০১৮ সালের ২৯ মার্চ দুপুরে মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ বিজ্ঞান কলেজে যায়। আন্দোলনের মুখে প্রবেশপত্র ফেরত দিতে বাধ্য হন জাহেদ খান। পরে সেই আন্দোলনের সময় জাহেদ খানকে ঘুষি দেয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিতর্কের মুখে পড়েন রনি।

২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল রনিসহ তার কয়েকজন অনুসারীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ঠেকিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে নগরীর চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন কলেজ অধ্যক্ষ জাহেদ খান।

এদিকে ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম এবং মারধরের অভিযোগে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খানের বিরুদ্ধেও আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মো. নোমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ওই কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা ছাত্র জাকারিয়া হোসেন নাহিদ।

মামলার আরজিতে নাহিদ উল্লেখ করেন, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর এইচএসসি পরীক্ষার সনদ ও ছাড়পত্রের জন্য বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে যান নাহিদ। তখন অধ্যক্ষ তার কাছে ছাড়পত্রের জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। এ সময় নাহিদ টাকা ছাড়া ছাড়পত্র দিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ বাধ্য জানিয়ে টাকা দিতে অস্বকীকৃতি জানান।

এতে অধ্যক্ষ ক্ষেপে গিয়ে নাহিদকে মারধর শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ তার গলা টিপে ধরে তাকে খুন করার হুমকি দেন। এ ঘটনায় নাহিদ চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ওসি আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন বলে আরজিতে উল্লেখ করেন নাহিদ। ওই মামলার বাদী তখন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।