খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতার দম্ভে আ’লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার দম্ভে আ’লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আওয়ামী দুঃশাসন বিরোধী গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধার আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি উপ-নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলেই যেন সরকার ও আওয়ামী লীগের মধ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। কারণ তারা বিএনপি ও জনগনকে ভয় পায়।

জনগণের অংশগ্রহণে উৎসবমূখর পরিবেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকেও ভয় পায়। তারা জানে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তাদের ভরাডুবি সুনিশ্চিত। সেজন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলেই তারা দলীয় ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালিয়ে বিএনপি প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা, মামলা, হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শণের মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশকে ধ্বংস করে দেয়। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নির্বাচনকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার দম্ভে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

২৪ উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে আবদুল হাকিম মিঞ্চা বাড়ির সামনে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে দেশে কোনও শ্রেণী-পেশার মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নেই। ঢাকার অবৈধ এমপি হাজী সেলিমের ছেলে কর্তৃক নৌবাহিনী কর্মকর্তাকে মেরে দাঁত ফেলে দেওয়া এবং কক্সবাজারের ওসি প্রদীপ কর্তৃক মেজর সিনহা হত্যার মতো ঘটনা এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হাজী সেলিমের ছেলের টর্চার সেল থেকে উন্নত প্রযুক্তির যে সমস্ত সরঞ্চাম উদ্ধার হয়েছে, সবকিছুই সন্ত্রাসী কার্য্যে ব্যবহৃত হতো। বুঝা যায় সরকারের মদদে আওয়ামী ক্যাডাররা পুরো দেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্চাম ব্যবহৃত হয়। আওয়ামী লীগের নেতাদের অপকর্ম একের পর এক বেরিয়ে আসছে। আওয়ামীলীগের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে জনগনকে সোচ্চার হতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, র্আওয়ামী লীগ প্রতিটি নির্বাচনেই তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীকে ব্যবহার করে বিএনপি প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মামলা চালিয়ে আসছে। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা বাধার সৃষ্টি করে আসছে। বিভিন্নভাবে বিএনপির প্রার্থীদের উপর হামলা-মামলার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা চায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থী ও ভোটাররা যেন নির্বাচন থেকে সরে যায়। তারা জানে না, জনগন তাদের বর্জন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া গেলেও জনগনের সাথে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই।

২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কাউন্সিলর প্রার্থী এসএম ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিমুর রহমান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এসএম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, আব্দুল হালিম শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সহ-সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এড. আহমদ কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি মো. সেকান্দর, নগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন। বক্তব্য রাখেন, নগর বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, সহ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাবের আহমেদ, সদস্য বুলবুল আহমদ, নগর যুবদলের সহ-সভাপতি মিয়া মো. হারুন, নগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, নগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী খালেদা বোরহান, আবদুল হাকিম, বজল আহমদসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…