খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে ৫৬০ কোটি টাকার প্রকল্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে ৫৬০ কোটি টাকার প্রকল্প

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৫৬০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে যমুনা নদীর ডান তীর ভাঙ্গন হতে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলাধীন সিংড়াবাড়ী, পাটাগ্রাম ও বাঐখোলা এলাকা সংরক্ষণ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, ‘একনেক সভায় ২ হাজার ৪৫৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৮২ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রকল্প সাহায্য পাওয়া যাবে ৬০৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা।’

অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্য দু’টি নতুন ও দু’টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মো. জাকির হোসেন আকন্দ সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলাধীন সিংড়াবাড়ী, পাটাগ্রাম ও বাঐখোলা এলাকা সংরক্ষণ প্রকল্পের বিষয়ে জানান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড অক্টোবর ২০২০ হতে জুন, ২০২৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো-যমুনা নদীর ডান তীরে প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত আবাসিক ভবন, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাট-বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সরকারি বেসরকারি অবকাঠামো, ফসলি ও কৃষি জমি, রাস্তা ঘাট রক্ষাসহ আনুমানিক ৪ হাজার ৩৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার সম্পদ নদী ভাঙ্গন হতে রক্ষা করা।

জাকির হোসেন বলেন, প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ৬ কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণ, ১২ দশমিক ৪০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ এবং ১ দশমিক ১৫ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত নদী তীর সংরক্ষণ কাজ পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ জেলা বন্যা হতে রক্ষা পাবে।
মাছের আহরণোত্তর অপচয় হ্রাস করার লক্ষ্যে আধুনিক পদ্ধতিতে মানসম্পন্ন শুটকি মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে একনেক সভায় ১৯৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘কক্সবাজার জেলায় শুটকি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো-আধুনিক পদ্ধতিতে বছরে প্রায় ১৪ হাজার মেট্রিক টন মানসম্পন্ন শুটকি মাছ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনার জন্য কক্সবাজারের খুরুশকূলে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শুটকি প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপন। এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শুটকির প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা ও ৪ হাজার ৬০৯টি জেলে পরিবারের কর্মসংস্থান তৈরি।

জাকির হোসেন জানান, প্রকল্পের আওতায় ২৫’শ বর্গমিটার আয়তনের অবতরণ শেড নির্মাণ, ১৮’শ ৬০ বর্গমিটার আয়তনের ৪ তলা বিশিষ্ট ল্যাব, অফিস, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কাম ডরমেটরি নির্মাণ, ১০০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন কোল্ড স্টোরেজ ,২টি ওয়ে ব্রীজ, ৩৫০টি গ্রীন হাউজ মেকানিক্যাল ড্রায়ার এবং ৩০টি মেকানিক্যাল ড্রায়ার ইত্যাদি স্থাপন করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানুয়ারি ২০২১ থেকে ডিসেম্বর ২০২৩ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া অনুশাসনের বিষয়ে পরিকল্পনা সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী নদী খনন ও বড় বড় নদীর নাব্যতা রক্ষায় সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। একইসাথে তিনি নদীতে বালু চর চিহ্নিত করে তা খননের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ারও নির্দেশ দেন।

তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী বাফার জোন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামীতে একনেকে নদী খনন প্রকল্প উপস্থাপন ও নদী খননের জন্য স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি পুনরায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলেন।

আসাদুল ইসলাম জানান, সামনের শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসতে পারে এই আশংকা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই ঢেউ মোকাবেলার প্রস্তুতি গ্রহণ ও মাস্ক পরার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে।

একনেকে অনুমোদিত অন্য দু’টি প্রকল্প হলো-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘দোনা-ডাঙ্গা-ঘোড়াশাল জেলা মহাসড়কে একস্তর নীচু দিয়ে উভয় পার্শ্বে পৃথক সার্ভিস লেনসহ ৪-লেনে উন্নীতকরণ (ডাঙ্গা বাজার-ইসলামপুর লিংকসহ) (১ম সংশোধিত) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘আমিনবাজার-মাওয়া-মংলা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্প।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…