খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠীতে সি টাইপ কোয়ার্টারের রাস্তা ডাস্টবিন হিসাবে ব‍্যবহৃত হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠীতে সি টাইপ কোয়ার্টারের রাস্তা ডাস্টবিন হিসাবে ব‍্যবহৃত হচ্ছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠী শহরের পূর্বচাঁদকাঠী সি টাইপ কোয়াটার অথবা যে রাস্তায় দুইজন বিজ্ঞ জজ সাহেবদের গাড়ীতে বোমা মেরে হত্যা করা হয়েছিল বললে একনামে পরিচিত।

এখানে বাস করেন গনপূর্ত অফিস কর্মকর্তা,আছে এন এস আই অফিস,এ রাস্তায় এন এস আই এর ডি ডি সাহেবও বাস করেন,বাস করেন পুলিশের একজন কর্মকর্তাও। এ ছারাও জেলা জজ শীপের কর্মকর্তা,কর্মচারী,জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তা,কর্মচারী,সেনা বাহিনীর একজন কর্মকর্তার বাস বভন,শিক্ষক,চিকিৎসক,ব্যবসায়ী,আইনজীবীগন। এখানে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করে পুলিশ বক্স তৈরি করা হলেও এই বক্সে কখনো কোন পথচারী এ পুলিশ বক্সে কোন পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখেনি।পুলিশ বক্সে নিরাপদে থাকে জন সাধারনের জ্বালানী কাঠ। বক্সের সামনে রয়েছে ঝোপ জংগল আর ময়লার স্তুপ ।

এ ডাস্টবিন পরিস্কার হয়না ৬ মাসেও একবারও কুকুর বিড়াল,গরু রাস্তায় ডাষ্টবিনের ময়লা ছিটিয়ে আধুনিক পৌরসভা নামক নোংরা রাস্তাকে করে রাখে ডাষ্টবিনে। বসবাসকারী অফিসাররা জানান আমরা ময়লার গন্ধে জানালা বন্ধ রাখতে বাধ্য হই।এ রাস্তাটির দুই ধারে নোংরা ও জংগল হয়ে সরু রাস্তায় পরিনত হয়েছে।সব সময় বিশাক্ত শাপের উপদ্রব থাকে। আমরা যাহারা সরকারকে বাসা ভাড়া দিয়ে থাকি এখানে আমাদের কোন নিরাপত্তা নেই।আমাদের সরকারী কোয়াটার মেরামতের নামে চলে লুট পাট।এখানে বসবাসরত অফিসাররা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং তাদের সবারই দাবী, এখানে বসবাসকারীদের মানুষ ভেবে বিজ্ঞ জজ সাহেবদের শহীদ হওয়ার স্থান মনে করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশা করেন ।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/আতাউর

Feb2

পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি

বাংলাদেশ পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, জেলা পুলিশ ও অধিকাংশ ইউনিটের সদস্যদের শার্ট হবে গাঢ় নীল (ডিপ ব্লু) রঙের এবং প্যান্ট হবে খাকি রঙের। আর মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য শার্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা জলপাই (লাইট অলিভ)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ আইন, ১৮৬১-এর ১২ ধারা অনুযায়ী সরকারের অনুমোদনক্রমে মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫-এর সংশোধনী জারি করেন।

গেজেটে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষর করেন।

সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, আগে নির্ধারিত আয়রন রঙের শার্টের পরিবর্তে ডিপ ব্লু রঙের শার্ট এবং কফি (শেইল) রঙের প্যান্টের পরিবর্তে খাকি রঙের ট্রাউজার ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জ্যাকেট, জার্সি, কার্ডিগান ও পুলওভারের রংও ডিপ ব্লু করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্ষেত্রে জ্যাকেট ও শার্ট হবে লাইট অলিভ রঙের।

এ ছাড়া নারী পুলিশ সদস্যদের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, নারী সদস্যরা ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে ডিপ ব্লু ব্লাউজ পরতে পারবেন। মেট্রোপলিটন পুলিশের নারী সদস্যদের ক্ষেত্রে ডিপ ব্লু শাড়ির সঙ্গে লাইট অলিভ ব্লাউজ পরার বিধান রাখা হয়েছে। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত বা মাথা ঢাকতে ইচ্ছুক নারী সদস্যরা সারা বছর ফুল স্লিভ শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল চিনি জব্দ, আটক ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
পতেঙ্গায় কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল চিনি জব্দ, আটক ২

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে বহন করা বিপুল পরিমাণ চিনি ও একটি ট্রাক জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, একটি অসাধু চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় পরিবহন করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহজনক ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে বহন করা ৮০০ কেজি চিনি জব্দ করা হয়। যার মূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। একই সঙ্গে চোরাচালান কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ এবং দুই চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত বলেন, জব্দকৃত আলামত ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে পুলিশকে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতার’ পাশাপাশি ‘নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা’ নিতে নির্দেশনা দিয়েছে সদর দপ্তর।

আগামী ২৩ জুন দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে একটি ‘জরুরি বার্তা’ পাঠানো হয়েছে।

দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর পাঠানো ওই বার্তায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে দলটির ‘সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন’ করার কথা বলা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, সেদিন দলটির তরফে দেশের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যানার নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করতে পারে।

এর ফলে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এনসিপির নেতাকর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সাথে ‘সংঘর্ষ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে’।

পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উপর ‘ক্ষুব্ধ হতে পারে’ বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।

এ অবস্থায় এসব বিষয় গুরুত্বে নিয়ে ‘প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে ওই বার্তায়।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে সারা দেশে ওই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, তারা এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন।

তবে তার ভাষ্য, “স্পেসিফিক কোন থ্রেট, আশঙ্কা কোনো কিছু নাই। আমরা সতর্ক আছি।”

তিনি বলেন, “সারা বছরে বিভিন্ন প্রোগ্রাম লেগেই থাকে। আমাদের সামনে বড় প্রোগ্রাম যেটা ১০ মহররম আশুরার প্রোগ্রাম। সাথে ২৩ জুন একটা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। তো আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছি।”

নগরবাসীকে নিরাপত্তা দিতে ‘বিগত দিনের মতই’ পুলিশের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা বহাল থাকার কথা বলেন তিনি।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, “আমরা নতুন করে পরিকল্পনা… নতুন করে নিরাপত্তা চেকপোস্ট এবং অপারেশন, এটা আমাদের অব্যাহত আছে এবং থাকবে।”

আন্দোলনের মুখে চব্বিশের ৫ অগাস্ট দেশে ছেড়ে ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।

এর তিন দিন বাদে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে একে একে গ্রেপ্তার হতে থাকেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও প্রভাবশালী সংসদ সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থাকা অন্যদলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগের বাকি জ্যেষ্ঠ নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন আত্মগোপনে। ফলে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তারা নেই।

আন্দোলন দমাতে শত শত মানুষকে হত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ আওয়াম লীগ নেতাদের বিচার চলছে, আর সেই বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে মাঝেমধ্যে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের খবর আসে। এসব মিছিল থেকে কখনো ধরপাকড়ও করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।