খুঁজুন
, ,

নগরীর কোন খালে খোলা পায়খানা রাখা যাবে না: সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 6 November, 2020, 10:14 pm
নগরীর কোন খালে খোলা পায়খানা রাখা যাবে না: সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন খালের মধ্যে কোন খোলা পায়খানা রাখা যাবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে যে বা যারা নগরীর বিভিন্ন খালে খোলা পায়খানা স্থাপন করেছেন তা নিজ দায়িত্বে দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন। না হয় কর্পোরেশন তা উচ্ছেদ করবে।

তিনি আজ শুক্রবার সকালে চলমান মশক নিধন কার্যক্রমের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নগরীর মাস্টার পোল এলাকায় ক্র্যাশ প্রোগ্রামে একথা বলেন।

এসময় কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, স্থানীয় অধিবাসী ও সাংস্ককৃতি কর্মী শাহরিয়ার খালেদ, সাবেক ছাত্রনেতা শাহ নেওয়াজ খালেদ, কর্পোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রশাসকের সাথে ছিলেন।

ক্র্যাম প্রোগ্রামে মাস্টার পোল এলাকার চাক্তাই খালে মশার ঔষধ ছিটানোকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আমি নগরবাসীর প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ করবো আপনারা নালা-নর্দমা, খাল ও যত্রতত্র আবর্জনা ফেলবেন না। খালে খোলা পায়খানা স্থাপন করবেন না। এসব কার্যকলাপ পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরূপ।এশহর আমার-আপনার সবার। শহরকে পরিচ্ছন্ন আবর্জনা মুক্ত, পরিবেশবান্ধব মানবিক শহরে পরিণত করতে আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার। প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়ে আমি সেই চেষ্টা করছি। আশাকরি নগরবাসীও তাদের সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হবেন।

এসময় তিনি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের ক্র্যাশ প্রোগামের প্রথম ১০দিন নগরবাসীকে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে নিজ বাড়ির আঙ্গিনা, আশ-পাশ, ডোবা পরিস্কার রাখতে সচেতন করে প্রচার-প্রচারনা চালানো হবে বলে জানান। এরপর যদি এই প্রচার-প্রচারনায় কাজ না হয়, তাহলে কর্পোরেশনের উদ্যোগে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশাসক এলাকার স্থানীয় যারা ঘরা ভাড়া দিয়েছেন তাদেরকে নিজ এলাকা পরিস্কার রাখতে উদ্যোগী হওয়ারও আহবান জানান। ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে থলেতে ভরে নির্দিষ্ট সময়ে কর্পোরেশনের সেবকদের কাছে জমা করতে বলেন।

তিনি ডেঙ্গু থেকে রাক্ষা পেতে এডিশ মশার প্রজনন স্থান ধ্বংসে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ এডিশ মশা স্বচ্ছ পানি, ফুলের টব, ডাবের খোষা, রেফ্রিজারেটরের ট্রেতে জমে থাকা পানিতে বংশ বিস্তার করে। তাই এগুলোতে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পশ্চিম খুলশী এলাকায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন

খুলশীতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দিলেন
চসিক প্রশাসক সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রবণ দেশ। এখানকার জনসাধারণ দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষম। যেকোন ধরনের দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনও যে কোন ধরণের সহায়তায় পাশে থাকবে।

তিনি আজ শুক্রবার সকালে নগরীর পশ্চিম খুলশী এলাকায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে একথা বলেন।

মোট ১৪টি পরিবারের প্রত্যেককে নগদ ২ হাজার টাকার পাশাাশি, চাল-ডাল, সয়াবিন তেল, লবন, চিনি, সুজি, সাবান, মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব ত্রাণ সমাগ্রী তুলে দেন।

এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একন্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল জাব্বার, যুব প্রধান ইসমাঈল হক চৌধুরী ও স্থানীয় সমাজসেবক ওয়াসিমুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

লালদিঘী পার্ক সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে পরিদর্শন করছেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন

সর্বসাধারনের জন্য লালদিঘী পার্ক উম্মোক্ত করলেন চসিক প্রসাশক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, লালদিঘী ও চট্টগ্রাম অভিন্ন। লালদিঘী একটি দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কে একবারও আসেননি এরকম কোন চট্টগ্রামবাসী নেই। ১৯৩৯ সালে জমিদার রায় বাহাদুর রাজ কুমার এই দিঘী ও পার্কটির গোড়াপত্তন করেন। এই দিঘীতে সাঁতার শিখেছেন অনেকে। প্রাতঃভ্রমণ করেছেন এবং এখনও করেন শত শত নাগরিক। লোহা-ইট-সিমেন্টের স্থাপনা ও ইমারতে ঠাঁসাএই নগরীতে লালদিঘী পার্ক সবুজে বনে টলমলে জলে এক টুকরো ভূ-স্বর্গ। তাই নগরবাসীর কাছে এই ভূ-স্বর্গটি প্রাণ সঞ্চারিনী। তিনি আজ সকালে লালদীঘি পার্কটি জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী রায় বাহাদুর রাজ কুমারের পরিবার থেকে প্রতীকি মূল্যে লালদিঘী পার্কটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মালিকানায় কিনেন। দিঘী ও পার্কটিকে নানান উপাদানে নান্দনিক করে তোলেন। প্রাসঙ্গিক কারণে প্রাতঃ ও বৈকালিক ভ্রমণ কাল এতদিন এটা সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত ছিলোনা। নগরবাসীর চিত্তের আনন্দ ও হেটে বসে ক্ষণিকের স্বস্থি ও পরিতৃপ্তির জন্য পার্কটি আজ থেকে সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয়।

এই লালদিঘী পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়ন ও শ্রী বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পর্যায়ক্রমে সৌন্দবর্দ্ধন ও নান্দনিক রূপদানে বিভিন্ন প্রকল্প ও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবে।

তিনি আরো বলেন, লালদিঘীতে অল্প খরছে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেকার পুলসহ দীঘির চারপাশে চমকপ্রদ ওয়াকওয়ে নির্মাণ করে দেয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি এ.কে.এম রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্চন্ন কর্মকর্তা মোঃ মোরশেদুল আলম চৌধুরী, বন ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী চৌধুরী প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।