খুঁজুন
, ,

দীর্ঘ ৯ বছর পর চালু হলো দীঘিনালার কবাখালী বাজার: পাহাড়ি-বাঙালির সরব উপস্থিতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 November, 2020, 4:43 pm
দীর্ঘ ৯ বছর পর চালু হলো দীঘিনালার কবাখালী বাজার: পাহাড়ি-বাঙালির সরব উপস্থিতি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : দীর্ঘ নয়বছর পর আবারো মিলেছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার কবাখালী হাট। ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে এক সাম্প্রদায়িক অপীতিকর ঘটনার পর বাজারটি বর্জন করেছিল পাহাড়ি সম্প্রদায়। এর পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সাপ্তাহিক হাট।

সোমবার (৯ নভেম্বর) হাটবারে আবারো পাহাড়ি-বাঙালির উপস্থিতিতে মুখরিত হলো কবাখালী বাজার। সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে বাজার চালু করা হয়।

সোমবার সকালে কবাখালি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ নয়বছর পর নারী-পুরুষের লক্ষ্যনিয় উপস্থিতিতে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে বাজারটি। উৎসাহ- উদ্দীপনা আর প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা গেছে সকলের মাঝে। পাহাড়ি-বাঙ্গালীদের ক্রয়-বিক্রয়ে সরব হয়ে উঠেছে আবারো কবাখালী হাট।

পরিপূর্নভাবে জমেছে হাট; দীর্ঘদিনের আশংকা কাটিয়ে এ হাটের মাধ্যমে সম্প্রীতির আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতারা।

উদ্যোক্তারা জানান, ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী বাজারে সংগঠিত একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে বাজার বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল স্থানীয় পাহাড়ী জাতিগোষ্ঠীরা। এতোদিন বাজারে ক্রেতা না থাকায় অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা।

কবাখালী বাজারে পাহাড়ি-বাঙালির সরব উপস্থিতি

দীর্ঘ ৯ বছর পর বাজার খোলায় খুশি ব্যবসায়ী ও কবাখালীর সাধারণ জনগণ। প্রতি সোমবার মিলবে কবাখালীর সাপ্তাহিক হাট-বাজার।

বাজার চালুর প্রথমদিনে মরিচ বিক্রেতা বীর কুমার চাকমা (৫৫) জানান, এত বছর পর কবাখালী হাট চালু হওয়ার কারণে তারা অনেক উপকৃত হয়েছেন। এখন পার্শ্ববর্তী বাজারেই বিক্রয় করতে পারছেন। একই ধরনের অনুভূতি জানান ক্রেতা জাপান চাকমা (৩০), অনিমা চাকমাসহ (৪০) অনেকেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জোনের জোনাল ষ্টাফ অফিসার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজি মোহাম্মদ কাশেম, জেলাপরিষদ সদস্য মিস শতরুপা চাকমা, ওসি উত্তম চন্দ্র দেব, বোয়ালখালি (সদর) ইউপি চেয়ারম্যান এবং জেএসএস (এমএন লারমা) উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চয়ন বিকাশ চাকমা, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক জনপ্রিয় চাকমা, কবাখালি ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, মেরুং ইউপি চেয়ারম্যান রহমান কবীর রতন, দীঘিনালা ইউপি চেয়ারম্যান প্রজ্ঞান জ্যোতি চাকমা ।

বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি এখন প্রতিযোগীতামূলক। কারো ইন্ধনে বা উস্কানীতে যদি হাট-বাজার বর্জন করা হয় তবে এতে করে প্রান্তিক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই কারো ইন্ধনে সামিল না হতে ব্যবসায়ী ও স্থানীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

প্রসঙ্গতঃ ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর উপজেলার কবাখালীর মোটরসাইকেল চালক সাত্তারের লাশ উদ্ধার হয় রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে। তিনি চাকমা সম্প্রদায়ের যাত্রী নিয়ে আগের দিন বাঘাইছড়ি গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এ ঘটনায় উত্তেজিত বাঙালি সম্প্রদায় কবাখালী বাজার এলাকায় যাত্রীবাহি গাড়িতে হামলা চালায়। তখন জোড়াব্রীজ এলাকার চাকমা (৪৮) মারাত্মক আহত হন। পরে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী চিকনমিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকনমিলার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তখন থেকে কবাখালী বাজার বর্জন করেন পাহাড়ি সম্প্রদায়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।