খুঁজুন
, ,

ছেলে ও পুত্রবধূর অত্যাচারে ঘরছাড়া বৃদ্ধ মা-বাবা; ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 November, 2020, 12:21 am
ছেলে ও পুত্রবধূর অত্যাচারে ঘরছাড়া বৃদ্ধ মা-বাবা; ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অসহায় মা-বাবা মা। মাঝে নির্যাতনকারী ছেলে মোহাম্মদ।

জে জাহেদ : বখাটে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বৃদ্ধ বাবা-মা। ৪ মাস যাবত বাড়ি ছাড়া হয়ে অসহায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। উপায়ন্তর না দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর অভিযোগ করেন। বখাটে ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্দর থানাধীন নিমতলা এলাকায় হাশেম মেম্বার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

ছেলে মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শশুর শাশুড়ির প্ররোচনায় প্রায় সময় নিজের মা-বাবাকে গালিগালাজ করে মারধর করেন। সহায় সম্পদ জোর করে কেড়ে নিতে চান। অবাধ্য ও উচ্ছশৃঙ্খল এই সন্তানের নির্যাতন থেকে স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন পিতা আলহাজ্ব মােহাম্মদ হাসেম।

সম্প্রতি এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিএমপি কমিশনারকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশও দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি।

কিন্তু তাতেও প্রতিকার মিলছে না, এলাকাবাসীর অভিযোগ মােহাম্মদ হাসেমের ছেলে প্রায়শই বাবা মাকে মারধর করত। বাবা মা ছেলের এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে অনেক দিন ধরে বাড়ীর বাইরে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশের পর গত ৯ নভেম্বর (সোমবার) মা সৈয়দা নুরুন ন্নেছা (৬০) বাদি হয়ে ছেলে মোহাম্মদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অপর আসামিরা হলেন- সুমাইয়া শওকত চৌধুরী (২৭), শওকত আহাম্মদ চৌধুরী (৪৮), নেজাম উদ্দিন (৪৮) ও সৈয়দা নুর জাহান মুন্নি (৪০)।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অত্যাচার নির্যাতনের বিষয় না। পারিবারিক বিরোধ ও জায়গা জমি সংক্রান্ত কারণে বাবা মার সাথে ছেলের বিরোধ। এ নিয়ে দুপক্ষের অভিযোগ রয়েছে। বাবা মার অভিযোগ ছেলে শশুর পক্ষের লোকজন নিয়ে মা বাবাকে ভরন পোষন দিচ্ছে না। বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে। অপর দিকে ছেলের অভিযোগ সহায় সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে মায়ের ইন্দনে বাবা ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। তিনি বলেন, আমরা যারা অভিযোগ করে তাদের বক্তব্য সঠিক মনে করবো। পরে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর অভিযোগ এবং বন্ধর থানায় মামলা।

এসব নিয়ে মােহাম্মদ হাসেম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। মাননীয় মন্ত্রী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে কমিশনার স্যারকে নির্দেশ দেন। এর পর মা-বাবাকে মারধরের ঘটনায় মা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। (যার মামলা নং-০৬/২৬৬)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় সুত্রে অভিযোগে জানা গেছে, অসহায় পিতা আলহাজ্ব মােহাম্মদ হাশেম এর একমাত্র ছেলে মােহাম্মদ (৩০) বেসামাল জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ছেলের অবাধ্য চালচলনে বাধা দিলে পিতা ও গর্ভধারিণী মাতাকে শারীরিকভাবে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। গত ৪ মাস যাবত তাঁরা বাড়ির বাইরে রয়েছেন। ফলে শীতের প্রকোপে অসহায় বৃদ্ধারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে বৃদ্ধ দম্পতি বাড়ি যেতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা চেয়ে থানায় মামলায় করেছেন।

মা সৈয়দা নুরুন ন্নেছা (৬০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, বলতে লজ্জা লাগে। কেমন ছেলে পেটে ধরলাম। আজ ৪ মাস যাবত বাড়িতে যেতে পারিনা। স্থানীয় পুলিশের কাছে বারবার ধর্ণা দিয়েও তেমন কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না।

ভুক্তভোগিরা সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর এর সাথে দেখাও করেন। অভিযোগ পেয়ে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। অসহায় পিতা মাতাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে সিএমপি পুলিশ।’

এ সব বিষয়ে জানতে সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।