খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাউজানে ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপুজার প্রস্তুতি, প্রতিমায় রং-তুলির প্রলেপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
রাউজানে ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপুজার প্রস্তুতি, প্রতিমায় রং-তুলির প্রলেপ

Raozan-ctg-pic-25.9

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এরপরই শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা।

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রাউজানেও দুর্গাপূজার আয়োজনকে ঘিরে স্ব স্ব এলাকার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দরা পূজার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত। পূজার দিনক্ষণ যতই গণিয়ে আসছে ততই ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা শিল্পীরা।

রাউজান পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমন দে বলেন, সারাদেশের মধ্যে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে রাউজানেও অনেক বেশি পুজা মন্ডপ রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারো দুর্গাপূজাকে ঘিরে উৎসবমুখর রাউজানের সনাতন ধর্মের মানুষ। প্রতিবছর সমগ্র রাউজানে শারদীয় দুর্গাপূজার সময় যে উৎসবের আমেজ বিরাজমান থাকে তা সত্যিই বিরল।

সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, রাউজানের বিভিন্ন ইউনিয়নে পুজা নিয়ে ব্যস্ততার দৃশ্য চোখে পড়ছে। মন্ডপগুলোতে চলছে প্রতিমা তৈরী সহ নানা আনুষাঙ্গিক প্রস্ততি।

উপজেলার নোয়াপাড়া গৌরাঙ্গ বাড়ী মাঠ, ফকিরহাট কালিবাড়ী, বাইন্ন্যা পুকুর পাড়, কুন্ডেশ্বরী, সত্যের দোকানসহ আরো বেশ কিছু স্থানে চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ।

গত মঙ্গলবার উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পল্লী মঙ্গল সমিতির গৌরাঙ্গ বাড়ির মাঠে গিয়ে কথা হয় শরিয়তপুরের প্রতিমা শিল্পী অনিল পালের সঙ্গে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরেই প্রতিমা তৈরী করে আসছেন তিনি। শুধু দুর্গাপূজা নয় বছরের অন্যান্য সময়ে স্বরস্বতি পূজাসহ বিভিন্ন পূজা-পার্বনে প্রতিমা তৈরীর অর্ডার আসে। বছর জুড়েই তিনি এই কাজে ব্যস্ত থাকেন। তাকে সহযোগিতা করেন তার দুই পুত্র সমল পাল ও অলক পাল।

তিনি বলেন, এ বছর বড়-ছোট মিলিয়ে ৩৪ টি প্রতিমার অর্ডার পেয়েছেন তিনি।প্রকারভেদে তার তৈরীকৃত প্রতিমা সর্বোচ্চ ৩৭ হাজার টাকায় তিনি অর্ডার নিয়েছেন। বাকীগুলো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে।

প্রতিমা শিল্পী অনিল পাল আক্ষেপ করে বলেন, এখন প্রতিমা তৈরী করতে খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় তাদের সংসার চালাতে অনেক হিমশিম খেতে হয়। তিনি বলেন, আগে আমরা কম টাকার অর্ডার নিয়েও পোষাতে পারতাম আর এখন কারিগরের বেতন, প্রতিমা তৈরীর আনুষাঙ্গিক খরচাদি বেড়ে যাওয়ায় তেমন একটা লাভ হয়না। একেকজন কারিগরের বেতন ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

দুর্গাপূজা মৌসুমে কারিগর ও হেলপার মিলে তার সাথে আটজন কাজ করেছেন।বর্তমানে শেষের দিকে কাজ কমে আসায় বর্তমানে ৪ জন কাজ করছেন।

উত্তর গুজরা রামকৃঞ্চ সেবাশ্রম পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চন্দন খাস্তগীর বলেন, পূজা উদযাপনে তাদের মন্ডপে সাড়ে তিন লক্ষাধিক টাকার বাজেট থাকে। বাইরে থেকে শিল্পী এনে তাদের পূজা মন্ডপেই প্রতিমা তৈরী করা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরীতে তাদের ত্রিশ হাজার টাকার মতো খরচ হচ্ছে।

রাউজান ফকিরহাট কালি বাড়ির প্রতিমা শিল্পী নান্টু পাল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি ২৫-৩০টি প্রতিমার অর্ডার পেয়েছেন। বর্তমানে প্রতিমা গুলোতে রং তুলির প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে।

রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ চৌধুরী ও সম্পাদক সুমন দে জানান, রাউজানের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় এ বৎসর ২৩২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব পালন করা হবে। অন্যান্য বছরের চাইতে চলতি বছর রাউজানে আরো ২টি পূজামন্ডপ বেড়েছে।

দক্ষিণ রাউজান পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রকাশ শীল ও সাধারণ সম্পাদক ম্যালকম চক্রবর্তী বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে রাউজানের সর্বত্র উৎসবের আমেজচ সৃষ্টি হয়েছে।

রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, রাউজানে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হয়ে আসছে। অন্যান্য বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো পূজার সময় যাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর এবং আনন্দঘন পরিবেশে পূজা পালন করতে পারে সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে দুর্গাপূজার আনুষ্টানিকতা। ৮ অক্টোবর বিজয়াদশমীর মধ্যদিয়ে মা দূর্গাকে বিসর্জন দেয়া হবে।

২৪ঘন্টা/এন রানা/রাজীব..

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।