খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুজিব বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ৫৪ পরিবারের জন্যে গৃহ নির্মাণের কাজ উদ্ধোধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
মুজিব বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ৫৪ পরিবারের জন্যে গৃহ নির্মাণের কাজ উদ্ধোধন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অগ্রাধিকার ভিত্তির আওতায় মুজিব জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভূমিহীনদের জন্যে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার ২০ নভেম্বর সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ এমাদুল হক মনির ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুফল চন্দ্র গোলদার আনুষ্ঠাকি ভাবে এ গৃহ নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেন। কাঠালিয়া উপজেলার ভূমিহীন ৫৪টি পরিবারকে এ ঘর প্রদান করা হবে।

সরকারি খাস জমি অবমুক্ত করে এ ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি গৃহে দুই কক্ষসহ একটি বারান্দা এবং আলাদা ভাবে রান্না ঘর ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। উপজেলা পরিষদের তত্ত্বাবধায়নে এক লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে এ প্রতিটি গৃহগুলো নির্মাণ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বদিউজ্জামান বদু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খানম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান উজির সিকদারসহ জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এ সময় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন কাঠালিয়া বন্দর জামে মসজিদ এর ইমাম ও খতিব মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/আতাউর

Feb2

ঢাকার চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানী ঢাকার চারটি বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন কক্ষে রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।

তিনি জানান, ঢাকার যানজট নিরসনে চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে অতিদ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

চারটি আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হচ্ছে, ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল, গাবতলী বাস টার্মিনাল, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুলবাড়িয়া-গুলিস্তান বাস টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর হবে। মহাখালী বাস টার্মিনাল অস্থায়ীভাবে যাবে পূর্বাঞ্চলে এবং পরে স্থায়ীভাবে টঙ্গির কাছে স্থানান্তরিত হবে। গাবতলী আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুর এবং সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল যাবে কাঁচপুরে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ছড়িয়ে থাকা বাস কাউন্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নেওয়ার তাগাদা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন, এআই ক্যামেরা স্থাপনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সভায় ট্রাফিক সিগন্যালিং এআই ক্যামেরা স্থাপনের সুফল প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজউকের চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊধর্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিএমপির ৫ থানায় নতুন ওসি, ৮ পরিদর্শক বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সিএমপির ৫ থানায় নতুন ওসি, ৮ পরিদর্শক বদলি

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) রদবদল করা হয়েছে। সিএমপির অধীন ৫টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) মোট ৮ জন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়।

আদেশ অনুযায়ী, ডবলমুরিং থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন খানকে সিটিএসবিতে বদলি করে তার জায়গায় কর্ণফুলি থানার ওসি শাহীনূর আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কর্ণফুলি থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে সিটিএসবির নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক কাজী মাসুদ ইবনে আনোয়ারকে। একই আদেশে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমানকে সিটিএসবিতে বদলি করা হয়েছে এবং তার স্থলে খুলশী থানার নতুন ওসির দায়িত্ব পেয়েছেন সিটিএসবির পরিদর্শক মোজাম্মেল হক।

এছাড়া চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবুল আজাদকে ডিবি-দক্ষিণে বদলি করে তার জায়গায় চান্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চান্দগাঁও থানার নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে ডিবি-দক্ষিণের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক জসিম উদ্দিনকে।

এই আদেশের অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, সব উপ-পুলিশ কমিশনার, সংশ্লিষ্ট থানা ও বিভাগসহ প্রশাসনের মোট ১১টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া গ্রেফতার

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোরা ইউনিয়নের চেনামতি এলাকার বড়ুয়া পাড়ায় গত শনিবার (১৩ জুন) রাতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও ভিকটিমের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত খুনী রিমন এলাকার বেশান্ত বড়ুয়ার পুত্র। নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়ার সাথে ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়া একটি চাকু নিয়ে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া (৪০) ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত এনি বড়ুয়ার ছোট ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৪) গুরুতর আহত হয়।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মাসুদ আলমের সার্বিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও আনোয়ারা থানা পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাতদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তদন্তকালে জানা যায়, ঘটনার পর আসামি দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানা এলাকাসহ সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে গতকাল রোববার (১৪ জুন) রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়াা প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেফতার সংক্রান্তে আজ ১৫ জুন সোমবার সকালে নগরীর ষোলশহরের ২ নম্বর গেটস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। তার দেয়া তথ্যমতে জানা যায়, ভিকটিমের বাড়িতে সংরক্ষিত সুজন বড়ুয়ার ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে সে একটি চাকু নিয়ে বাড়ির পিছনের দরজার বাইরে ওৎ পেতে ছিল। এ সময় ভিকটিম এনি বড়ুয়া ঘর থেকে বের হয়ে আসামিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামি তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। পরে তার স্কুল পড়ুয়া মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬) মায়ের চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

এসপি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির দেখানো মতে ভিকটিমের বাড়ির পিছনের খাল থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পটিয়া রেললাইনের পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া এনি বড়ুয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধারের মাধ্যমে ঘটনার প্রমাণ সংগ্রহে তদন্তকারী দল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

দুর্গম এলাকা, আসামির আত্মগোপনের কৌশল এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত গোপন করার চেষ্টা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পেশাদার তদন্ত, নিরলস পরিশ্রম, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত অভিযানের ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।