খুঁজুন
, ,

তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 20 November, 2020, 7:41 pm
তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অসমাপ্ত স্বপ্নপূরণে তারেক রহমান ১৯ দফা কর্মসূচির আলোকে নেতকর্মীদের সাথে নিয়ে দেশব্যাপী কাজ শুরু করেন। তার এই পথচলা মেনে নিতে পারে নাই ষড়যন্ত্রকারীরা। তারেক রহমান পারিবারিক উত্তরাধিকার হিসেবে রাজনীতিতে আসেননি। যোগ্যতা বলে রাজনীতিতে এসেছেন। তারেক রহমানের সুদূর প্রসারী চিন্তা ও কর্ম কৌশল দেখে আওয়ামী লীগ আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পরই তার জনপ্রিয়তা ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জাগরণে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ভীত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে। সরকার তারেক রহমানের জনপ্রিয়তাকে ভয় পায় বলেই একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে স্তব্দ করার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই তারেক রহমানকে রুখতে পারবে না। অচিরেই সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তিনি জনগণের মাঝে ফিরে আসবেন।

তিনি আজ শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় চত্বরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক, প্রিয়নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান এর ৫৬ তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

এতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, তারেক রহমানের অভাবনীয় জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ওয়ান ইলেভেনের সরকার গভীর চক্রান্ত্রের নীলনক্সার চক একেছিল। তার নির্মম বলি হন আধুনিক রাজনীতির এই আইডল। কথিত দূর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা করা হয়। সেনা নিয়ন্ত্রিত সরকার তাকে গ্রেফতার করে নির্মম নির্যাতন করে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আরো অনেক মিথ্যে মামলায় জড়িত করেছে। এই অবৈধ বাকশালি সরকার অনেক চেষ্টা করেও একটি মামলা প্রমাণ করতে পারেনি।

বিশেষ বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন,বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি, অধিকার আদায় ও গণতন্ত্র রক্ষা করতে গিয়ে তারেক রহমান আজ পরবাসে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। ৫৬ তম জন্মদিনে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র নায়ক তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান’র জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। ভবিষ্যৎ এ দেশনায়ক সুস্থ হয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন এবং দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন, ইনশাআল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে এইচ এম রাসেদ খান বলেন, তারেক রহমান স্বেচ্ছাসেবক দলে নতুন প্রাণ সৃষ্টি করেছেন। দুঃসময়ে দূর থেকে দলকে সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। কোন ষড়যন্ত্র তারেক রহমানের অগ্রযাত্রাকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। তারই নেতৃত্বে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতন হবে এবং দেশের গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়ত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, এ্যাড.সাইদুল ইসলাম, মোঃ আসলাম, হারুন আল রশিদ, মামুনুর রহমান, এম এ সালাম, হারুনুর রশিদ হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, নুরুল আলম শিপু, আবু বক্কর রাজু, গোলাম সরোয়ার।

উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলম, আব্দুল হাই, হাসান মাহমুদ, এম এ হানিফ, দিদার হোসেন, শওকত আকবর রিপন, মোঃ মনির হোসেন, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান বাবুল, ইমরান চৌধুরী বাবলু, মোখলেছুর রহমান, আব্দুল মান্নান, মোঃ হাসান, মাহবুব খালেদ, নিজাম উদ্দিন বুলু, রাসেল খান, মোঃ আলমগীর, মফিজ উদ্দিন সুমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, মোঃ লিটন, সাইফুল আলম দিপু, ইকবাল হোসেন রুবেল, রবিউল ইসলাম, মোঃ সুমন, শাহজাহান বাদশা, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, বাবুল মিঞা, লুৎফর রহমান জুয়েল, নুর আলম, মোঃ ইসকান্দর, বেলায়েত হোসেন মাসুদ, হারুনুর রশিদ মনি, মোঃ জসিম উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসাইন, ফরহাদ আলম মৃধা, আব্দুল হান্নান, সহ-সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ আলী, আকতার হোসেন, খোরশেদ আলম, মোঃ পারভেজ, মোঃ বারেক, জাকির হোসেন মিশু, ইমরান সিদ্দিকী জ্যাকসন, মোঃ রনি, কার্যকরী সদস্য আবুল হোসেন, নুরুল আলম রাজু প্রমুখ।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে কদম মোবারক এতিমখানা ও হেফজখানার ১০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।