খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাইনবোর্ড থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলা হীন মানসিকতার বহি:প্রকাশ- রাশেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
সাইনবোর্ড থেকে জিয়ার নাম মুছে ফেলা হীন মানসিকতার বহি:প্রকাশ- রাশেদ

জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এইচ. এম রাশেদ খান বলেন, সাইনবোর্ড থেকে মুছে দিলেও দেশের কোটি মানুষের হৃদয় থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের মনি কৌঠায় অবস্থান করছেন। তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও রাখাল রাজা। তিনি কখনো ক্ষমতার মোহে রাজনীতি করেননি, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই রাজনীতি করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তাই ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকার প্রতিহিংসা বশত এই ঘৃণ্য কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) বিকালে নগরীর ইস্পাহানি মোড়ে ‘রাজধানীর পুরান ঢাকার মোগলটুলী এলাকায় জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মোগলটুলী উচ্চ বিদ্যালয় নামকরণের’ প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।

এতে তিনি আরও বলেন, সাইনবোর্ড ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে জিয়াউর রহমান নাম মুছে ফেলা, সরকারের হীন মানসিকতার বহি:প্রকাশ। সরকারের দুর্নীতি ও দু:শাসনের যাতাকলে দেশবাসী অতিষ্ঠ। লুটপাটের মাধ্যমে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে পুঙ্গু করা হয়েছে। বাংলাদেশী এমপি-মন্ত্রী ও আমলারা বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। জনগণের দৃষ্টি সরানোর জন্য তারা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং ইতিহাস বিকৃতির অংশ হিসেবে তারা আজ জিয়াউর রহমানের নাম অপসারণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের সকল ষড়যন্ত্র স্বেচ্ছাসেবক দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবে।

কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, এদেশের জন্ম, মাটি ও মানুষের সাথে জিয়াউর রহমানের সম্পর্ক তাই ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমান এর নাম জনগণের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যাবে না। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কারণে আজকে সরকারি দল রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশের ইতিহাস মানে জিয়াউর রহমান, আর জিয়াউর রহমান মানেই বাংলাদেশ। আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে আছি। তাঁরা মানুষের কল্যাণের জন্য, এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করেছেন, এখনো করে যাচ্ছেন। আমরা মানুষের পক্ষে, জনগণের পক্ষে, জনগণের আর্থিক উন্নয়নের পক্ষে আছি। পুলিশ দিয়ে, মিথ্যা মামলা দিয়ে, জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই ও সংগ্রাম থেকে আমাদের বিচ্যুত করা যাবে না।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ.এম রাশেদ খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, হারুন আল রশিদ, মামুনুর রহমান , মঈনউদ্দিন রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, দপ্তর সম্পাদক আবু বক্কর রাজু , সহ-সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ আলম,আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন,হাসান মাহমুদ, দিদার হোসেন, মনির হোসেন, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, মো. জাকির হোসেন, ইমদাদুল হক চৌধুরী স্বপন, মোঃ হাসান, গাজী নুহ সেলিম, রাসেল খান, সহ-সাংগঠনিক ইসহাক খান, মোঃ লিটন, মাঈনুদ্দিন বারেক, মোঃ নাছির উদ্দিন, শাহাজাহান বাদশা, ইকবাল হোসেন রুবেল, মোঃ রবিউল ইসলাম, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আকবর হোসেন মানিক, জসিম উদ্দিন, নূর আলম, লুৎফর রহমান জুয়েল, ফরহাদ আলম মৃধা, সহ-সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বাকের হোসেন, কার্যকরী সদস্য জাকির হোসেন মিশু, মোঃ জাবেদ সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ মিছিলটি ওয়াসা মোড় থেকে আরম্ভ হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…