খুঁজুন
, ,

মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 24 November, 2020, 3:25 pm
মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলো বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কী পরিমাণ অস্ত্র রয়েছে ও কী অবস্থা রয়েছে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা প্রতিবেদন আকারে জানাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র সংরক্ষণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। স্বরাষ্ট্রসচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থসচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব এবং বাণিজ্যসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, আইনজীবী শাহীনুজ্জামান, সৈয়দা নাসরিন ও লাবনী আক্তার।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না এবং মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। ‘মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র বেচতে চায় সরকার’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিটটি দায়ের করা হয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়েছে- এমন আগ্নেয়াস্ত্রগুলো সরকার বেচে দিতে চায়। সরকারের যুক্তি হচ্ছে এগুলো পুরোনো, অপ্রচলিত এবং যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে অকার্যকর। ফলে রাখার কোনো দরকার নেই। প্রাচীন নিদর্শন বা স্মৃতিচিহ্ন (অ্যান্টিক স্যুভেনির) হিসেবে অস্ত্রগুলো কিনে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ও সুইজারল্যান্ডের একটি অস্ত্র আমদানিকারক কোম্পানি।

এদিকে পুরোনোর পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিরও উদ্যোগ রয়েছে সরকারের। প্রথম উদ্যোগটি নেওয়া হয় ১৬ বছর আগে। এ বিষয় নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

রপ্তানি করতে চাওয়া পুরোনো অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যে তৈরি ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১; ৯ এমএম স্টেন এসএমজি এমকে-২ ও সিএম ৯ এমএম স্টেন এ১; ভারতে তৈরি ৭.৬২ এমএম এসটিআর এল১ এ১ /১ এ ১ ও রাইফেল জি-৩; পাকিস্তানে তৈরি ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭; যুক্তরাষ্ট্র/রাশিয়া/জাপানে তৈরি পিস্তল ও রিভলবার ৭০০ এবং জার্মানি/যুক্তরাজ্য/ভারতে তৈরি এলএমজি এইচকে ১১ এ১ সিএএল ৭.৬২ * ৫১।

আট শ্রেণি মিলিয়ে অস্ত্রের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার ৬৬২। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ৪৫৪টি হচ্ছে ০.৩০৩ রাইফেল নম্বর-৪ এমকে-১। আর সবচেয়ে কম ১১৫টি হচ্ছে ৪৪ এমএম হ্যান্ড লঞ্চার এম-৫৭।

বিদ্যমান রপ্তানি নীতি ২০১৮-২১ অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে নতুন, পুরোনো বা অচল—কোনো ধরনের অস্ত্র রপ্তানিরই সুযোগ নেই। পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব সময় ‘অস্ত্র ছাড়া সবকিছু’ (এভরিথিং বাট আর্মস) নীতি অনুসরণ করে আসছে।

তার পরও এগুলো রপ্তানির একটি পথ বের করার চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ) ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে এ নিয়ে কাজ করছে কয়েক বছর ধরেই।

Feb2
Feb2

খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:55 pm
খুলশীতে বস্তিতে মিলল থানা লুটের জোড়া পিস্তল

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া ব্রাজিলের তৈরি দুটি অত্যাধুনিক ৯ এমএম পিস্তল উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের একটি বস্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। ডিবি উত্তরের একটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

এর আগে, গত রাতে একই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় দুই উপ-পরিদর্শক (এসআই) সহ মোট সাত পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, আমবাগান রেলওয়ে কলোনির পেছনের বস্তি এলাকায় অস্ত্র কেনা-বেচা চলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ব্রাজিলীয় প্রযুক্তির ‘টরাস’ ব্রান্ডের দুটি ৯ এমএম পিস্তল জব্দ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ক্রস ব্যাংক ও রেকর্ডপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, অস্ত্র দুটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলোর অংশ।

বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:48 pm
পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর পূর্ব বাকলিয়া এলাকার ১০০০ অসহায় পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে পূর্ব বাকলিয়া চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্র প্রায় ১০০০ পরিবারের হাতে তিনি এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। বিতরণকৃত খাদ্য তালিকার মধ্যে চাল, ডাল, পিয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাবার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, জনগণের কল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করছি।বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সবার সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় মশক নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের সভাপতি আজিজুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে ও মাহবুব সিদ্দিকীর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তৈয়ব। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শাহজাহান সিরাজ, আলি ইউসুফ, আব্দুল্লাহ আল সগীর, পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব আলী আজগর, বিএনপি নেতা সোলেমান সরদার, আলী আজগর, মো. আলমগীর, রৌশানগীর আমীন, কামরুন্নেসা, হাসানুল করিম, মোহাম্মদ সেলিম, আব্বাস আলী, কোহিনুর আক্তার, মো. শাকের, আবদুস সাত্তার, জিসান, সাজ্জাদ, ইমন, ইউনুস, জুনায়েদ, বোরহান, টিপু, নুরুল আবছার, মো. এরশাদ, আইমন, ইমরান, মো. সাকিন, রুস্তম আলী, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।