খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চন্দনাইশে ক্যাব’র উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে করণীয় নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
চন্দনাইশে ক্যাব’র উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে করণীয় নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ব্যবসায়ী হিসাবে সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা সংগঠিত আর ভোক্তারা অসংগঠিত। আর সেকারনে ভোক্তা হিসাবে ১৮ কোটি জনগন প্রতিনিয়তই মূল্য সন্ত্রাশের শিকার এবং প্রতারিত ও ঠকছি। চারদিকে ভেজালের দৌরাত্ম্যে ও অসাধু ব্যবসায়ীদের একছত্র আধিপত্ত্যের কারনে সাধারণ ভোক্তারা ক্রমশঃ অসহায় হয়ে পড়েছে।

ভেজালের পরিধি এখন আর খাদ্যে ও ভোগ্য পণ্যে সীমাবদ্ধ নাই, জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও স্বাস্থ্য সেবাসহ জীবন-জীবিকা নির্বাহের অন্যান্য অধিকারের বেলায়ও এর বিস্তৃতি ঘটেছে। ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষনের জন্য সরকার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ নামে একটি যুগান্তকারী আইন প্রণয়ন করেছেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণসহ জনভোগান্তি নিরসনে অনেকগুলি উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মতো কাঠামো প্রতিষ্ঠা হলেও অধিকাংশ ভোক্তারা অধিকার আদায়ে অসচেতন, ঘুমন্ত ও নিস্ক্রিয় থাকায় এ সমস্ত সরকারি উদ্যোগগুলির সুফল সাধরণ জনগন পাচ্ছে না।

দেশে কাঁচা মাছ, মাংশ থেকে শুরু করে সকল স্তরের ব্যবসায়ীরা সুসংগঠিত আর ভোক্তা হিসাবে সাধারণ জনগন অসংগঠিত ও সচেতন নয়, বিধায় ব্যবসায়ীরা বারবার বিভিন্ন অযুহাতে জনগনকে জিম্মি করে জনগনের পকেট কাটছে। আর ব্যবসায়ী সংগঠনের চাপে প্রশাসন সেখানে নিরব দর্শক হয়ে থাকছেন। তৃণমূলে সত্যিকারের সুশাসন ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অধিকার ভোগ করার পাশাপাশি নাগরিকদেরকে নিজেদের দায়িত্ব অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। আর এ কাজে দল-মত, জাতি ধর্ম, বর্ন নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার (২৮ নভেম্বর ) সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার পিপিএস মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে করণীয় নিয়ে এক সেমিনারে বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চন্দনাইশ উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল জাব্বার।

ক্যাব চন্দনাইশ উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়জুল্যাহ, চন্দনাইশ পৌর সভার মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা, চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারারম্যান মওলানা সোলাইমান ফারুকী, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান।

আলোচনায় আরো অংশনেন চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ফেলো ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ নাজমুস সাকিব, ক্যাব পাচলাইশ থানার সাধারন সম্পাদক সেলিম জাহাঙ্গীর, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সাংবাদিক সৈয়দ শিবলী সাদিক কফিল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সর্বস্তরের জনসচেতনতার পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিবাদ ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের সামাজিক ভাবে বয়কট করার আহবান জানান। উপজেলা প্রশাসন থেকে এ কাজে ক্যাবকে সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন প্রদানের আশ্বাস দেন।

মুল প্রবন্ধে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসানুজ্জমান বলেন, ক্যাব স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে দেশের মানুষের অধিকার সুরক্ষায় অনেকগুলি যুগান্তকারী আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ প্রনয়ণেও ক্যাব অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন। অনেকের ধারনা ভোক্তা হিসাবে প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হলে অভিযোগ করে প্রতিকার পাওয়া যায় না। ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী একজন ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্থ ও প্রতারিত হলে সরাসরি অতি সহজে বিনা কোর্ট ফিঃ ও অ্যাডভোকেট নিযুক্ত ছাড়াই মোবাইল, ফেসবুক, ইন্টারনেট, চিঠির মাধ্যমে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। অভিযোগ প্রমানিত হলে জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারী পাবেন। প্রতি সপ্তাহে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রিয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে গণশুণাণী ও মাঠ পর্যায়ে বাজার তদারকির মাধ্যমে অভিযোগগুলি দ্রুত নিস্পত্তি করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণের মাঝে এ বিষয়ে পরিস্কার তথ্য না থাকায় জনগণ ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ থেকে তেমন সুফল পাচ্ছে না। অভিযোগ স্থানীয় ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে, সরকারী সেবা ১৬১২১, ৩৩৩, ৯৯৯ অথবা ক্যাবের স্থানীয় শাখার মাধ্যমেও অভিযোগ দাখিল করা যাবে। তাই সাধারণ জনগণ ও ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণে এই যুগান্তকারী আইন ও সুযোগ সম্পর্কে সর্ব সাধারণকে জানানোর জন্য ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্ঠির উদ্যোগ নেবার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…