খুঁজুন
, ,

চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ঘোষণার বাইরে ফি নিলে ব্যবস্থা : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 1 December, 2020, 9:37 pm
চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ঘোষণার বাইরে ফি নিলে ব্যবস্থা : সুজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, কর্পোরেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত টিউশন ফি ও প্রতি মাসের নির্ধারিত বেতনের চেয়ে অতিরিক্ত কোন ফি আদায় করা যাবে না। যদি চসিকের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি নির্দেশনার বাইরে জোরপূর্বক কোন ফি আদায় করছে অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আয় উপার্জন কমে যাওয়ায় কোন অভিভাবকের যদি সন্তানের বেতন দিতে সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে তা কিস্তিতে পরিশোধ এবং মওকুফের বিশেষ ব্যবস্থা নিবে কর্পোরেশেন। নগরবাসীকে এ নিয়ে কোন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসক।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রথম গভর্নিং বডির সভায় একথা বলেন।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন তাঁর ‘ক্যারাভান’ কর্মসূচি স্থগিত করে নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে জনসমাবেশ এড়িয়ে সুরক্ষা নিয়ে জনসাধারনের সাথে মতবিনিময়ে যাচ্ছেন।
স্কুল গভর্নিং কমিটি ও ওয়ার্ডের মতবিনিময় সভায় কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজনীতিক আহমদ ইলিয়াছ, পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, স্থানীয় সমাজ সেবক মো.এরশাদ, নাঈম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসক পূর্ব বাকলিয়া এলাকার আবদুল লতিফ হাট খোলা ব্রিজের পাশের সড়কের আশ-পাশ হেঁটে পরিদর্শনকালে জনসাধারণের মাঝে করোনা সচেতনতায় মাস্ক ও সাবান বিতরণ করেন।

এসময় আবদুল লতিফ হাট খোলা ব্রিজের পাশে খালের কচুরিপানা দেখে তা, আগামী শুক্রবার থেকে দ্রুততার সাথে কর্পোরশেনের পরিচ্ছনন্ন কর্মীদের পরিস্কারের নির্দেশ দিয়ে, তিনি ওই দিন এ্ই কার্যক্রম পরিদর্শনে আসবেন বলে জানান।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর অধিবাসীরা সামাজিক অনুষ্ঠানাদির নামে বিয়ে-শাদী, মেজবান, আঁকিকা ইত্যাদি অনুষ্ঠানে জনসমাগম ঘটিয়ে নিজেরা স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি অর্থের অপচয় করেন। আর সন্তানের পড়াশোনার প্রশ্নে স্কুল-কলেজের বেতনের বেলায় ওনাদের অভাব অনটন শুরু হয়ে যায়। একজন সচেতন অভিভাবক হলে, এই মানসিকতা কাম্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, কর্পোরেশনের ১৭ কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল এখনো বকেয়া। ঠিকাদাদের পাওনা আছে ৮’শ ৫০ কোটি টাকা। আর এই পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাসে খরচ হয় ২ লাখ ৯’শ ৭৪টাকা। এভাবে কর্পোরেশনের শিক্ষাখাতে বছরে ভর্তুকি দেয়া লাগে প্রায় ৪০ কোটি টাকা। কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারির বেতন খাতে ব্যয় হয় ১৮ কোটি টাকা। কর্পোরেশনের মাসে আয় হলো ১৩ থেকে ১৪ কোটি টাকা। বাকি টাকা আসে কিভাবে! অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখনো ৩১৪ জনের তালিকা আমার হাতে আছে। যার মধ্যে কিছু কিছু টাকা পরিশোধ করেছি। এর মধ্যে ৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তারা প্রাপ্য টাকা হাতে পাননি।

সামগ্রিক এই পরিস্থিতির মধ্যে কর্পোরেশনকে তাঁর সার্বিক সেবাকার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। কর্পোরেশন একটি সেবামূলক ও স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। দায়িত্বের বাইরে গিয়ে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর মেয়াদকালের পরে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কর্পোরেশন আত্মীকরণ করেছে তা এখন,গলার কাঁটা। কারণ কর্পোরেশনের বেশিরভাগ শিক্ষক-কর্মচারি এমপিওভুক্ত নন। তাদের পেছনে চসিকের বেতন ভাত ও আনুসাঙ্গিক যে খরচ তা ব্যয় বহুল। এখন যদি সরকারি নির্ধারিত টিউশন ফি সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও মাসের ৩৫০ টাকা বেতন দিতে অভিভাবকরা অপারগতা প্রকাশ করেন তাহলে কর্পোরেশনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলবে কেমনে? এই পরিস্থতিতে চসিক পরিচালিত প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে পৌরকার বৃদ্ধি করলে তা নগরবাসীর জন্য বোঝা হয়ে যাবে। তাই অভিভাবকরা সন্তানদের সুন্দর-সুনিশ্চিত ভবিষৎ নির্মাণের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে শিক্ষার পিছনে প্রয়োজনীয় ব্যয় অব্যাহত রাখবেন এটা আমার প্রত্যাশা।

এ ক্ষেত্রে আপনাদের যে কোন প্রয়োজন ও সহায়তায় প্রশাসক হিসেবে আমি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আপনাদের সাথে থাকবে। প্রশাসক বেতন প্রদানের বিষয়ে নিয়ে কোন ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি তার সাথে ফোনে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান। এ নিয়ে অহেতুক রাস্তা-ঘাটে গোলযোগ বা গসিপের প্রয়োজন নাই। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসক হিসেবে আমি সবসময় নগরবাসীর সুখ দুঃখে পাশে থাকবো।

Feb2
Feb2

বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:35 pm
বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে গত ৭ দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত এ জেলায় পানিতে ডুবে এবং পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে, চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রসুলাবাদ এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার (১২) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঝর্ণার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় স্থানীয় সোলতান আহমদের ২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে চকরিয়া থেকে বিভক্ত হয় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্পর (৩) এর মৃত্যু হয়। এছাড়া একইদিন ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। কক্সবাজার সদর উপজেলা, পেকুয়া ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ আরও ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বন্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান শহর থেকে পানি নামতে শুরু করায় মাতামুহুরি নদীর পানিও বেড়েছে। তাই চকরিয়া ও পেকুয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার (মাতামুহুরীর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নামাতে স্লুইস গেটগুলো সচল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ রহমান বলেন, সরকারি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন যার মধ্যে ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন।

এছাড়া তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার নগদ টাকা। ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলায় গত ৬ দিনে ৭শ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ বহাল রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।

ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:09 pm
ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি সেতু ধসে পড়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কপথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পানির তীব্র স্রোতের মুখে দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকার সেতুটি ধসে পড়ে। ফলে সড়কটিতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতু ধসে পড়ায় কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।