খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে শেষ হাসি চট্টগ্রামের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে শেষ হাসি চট্টগ্রামের

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দলের লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দেওয়া রানের ১৭৬ রানের জবাবে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী থামে ১৭৫ রানে। এক রানের জয়ে টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকলো চট্টগ্রাম।

বড় লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে রাজশাহীর দারুণ শুরু এনে দেন আনিসুল ইসলাম ইমন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। পাওয়ারপ্লেতে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৫৬ রান এনে দেয় এই জুটি। এর আগের সর্বোচ্চ ৫৪ রান এই ম্যাচেই করে চট্টগ্রাম। শান্তকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজুর রহমান। রাজশাহীর অধিনায়ক করেন ১৪ বলে ২৫ রান। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছক্কা।

১২ ওভারে রাজশাহীর তিন অঙ্ক পূর্ণ হয়। মোহাম্মদ আশরাফুলের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৪ রানে জুটি গড়েন ইমন। আশরাফুল করেন ১৯ বলে ২০ রান। আউট হওয়ার আগে একবার জীবন পান আশরাফুল এবং ওভার থ্রোয়ের কারণে সেই বলে ৬ রান পান তিনি। এক ওভার পরেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করতে থাকা ইমনকে বোল্ড করেন জিয়াউর রহমান। এই ২৩ বছর বয়সী অলরাউন্ডার করেন ৪৪ বলে ৫৮ রান। তার ইনিংস ছিল ৬টি চার ও ১টি ছক্কার মাধ্যমে গড়া।

টানা দুই বলে ফিরে যান শেখ মেহেদী হাসান ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি। উইকেট দুইটি নেন যথাক্রমে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম। মেহেদী করেন ১৭ বলে ২৫ রান এবং রাব্বি করেন ৯ বলে ১১ রান। তারপরেও রাজশাহীকে ম্যাচে ধরে রাখেন নুরুল হাসান সোহান। রানের চাকা সচল রেখে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন সোহান ও ফরহাদ রেজা।

শরিফুলের টানা দুই বলে ছক্কা ও চার হাঁকানোর পরের বলেই ক্যাচ আউট হয়ে যান ফরহাদ। জয়ের জন্য শেষ ওভারে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। তবে তারা সংগ্রহ করতে পারে ১২ রান। ফলে ১ রানে হার মানে রাজশাহী।

তার আগে চট্টগ্রামের পক্ষে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬২ রান। অষ্টম ওভারে এই জুটি ভাঙেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। আনিসুল ইসলাম ইমনের তালুবন্দী হয়ে ফিরে যান সৌম্য। ২ ছক্কা ও ৪ চারে ২৯ বলে ৩৪ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

চট্টগ্রামের অধিনায়ক মিঠুন ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ১১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ইমনের বলে বোল্ড হন মিঠুন। একপ্রান্তে অবিচল থেকে অর্ধশতক তুলে নেন লিটন দাস। টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় অর্ধশতক স্পর্শ করেন ৩৫ বলে। মিঠুনের বিদায়ের পরে শামসুর রহমান শুভও ফিরে যান ১ রান করেই। ফরহাদ রেজার বলে বোল্ড হন তিনি।

চতুর্থ উইকেটে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে নিয়ে জুটি গড়েন লিটন। জীবন পেয়ে সেটা কাজে লাগান মোসাদ্দেক। এই ব্যাটসম্যান রানের চাকা সচল রাখলে চট্টগ্রাম এগিয়ে চলে বড় সংগ্রহের দিকে। দুইজনে শেষ ৫ ওভারে তোলেন ৬১ রান।

লিটন অপরাজিত থাকেন ৭৮ রানে। তিনি খেলেন ৫৩টি বল। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ১টি ছক্কা ও ৯টি চারে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এটিই লিটনের সর্বোচ্চ ইনিংস। আগে সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৭৫ রানের। মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছক্কা। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে চট্টগ্রাম সংগ্রহ করে ১৭৬ রান। রাজশাহীর পক্ষে ৩টি উইকেট শিকার করেন মুগ্ধ। একটি করে উইকেট পান ফরহাদ ও ইমন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ১৭৬/৫ (২০ ওভার)
লিটন ৭৮*, মোসাদ্দেক ৪২, সৌম্য ৩৪;
মুগ্ধ ৩/৩০।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী ১৭৫/৭ (২০ ওভার)
ইমন ৫৮, শান্ত ২৪, আশরাফুল ২০;
মুস্তাফিজ৩/৩৭, শরিফুল ২/৪১

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…