খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবহেলায় শ্রী হারাচ্ছে চট্টগ্রামের মোমবাতি পাহাড় নামে পরিচিতি পাওয়া বিজয় স্তম্ভটি!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
অবহেলায় শ্রী হারাচ্ছে চট্টগ্রামের মোমবাতি পাহাড় নামে পরিচিতি পাওয়া বিজয় স্তম্ভটি!

চট্টগ্রামে সংস্কারের অভাবে অযত্নে অবহেলায় পড়ে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় স্তম্ভটি। এতে বিজয়ের প্রতীকটির দিন দিন সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। বিজয় স্তম্ভটি দেখতে মোমবাতির মতো হওয়াতে অনেকের কাছে এটি মোমবাতির পাহাড় নামে পরিচিতি। ২২৭ টি সিড়ি বেয়ে ওঠতে হয় এই বিজয় স্তম্ভটিতে।

জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীদের প্রতিহত করতে কালুরঘাট ব্রিজের নিচ থেকে অপারেশন চালানো হতো। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করার পর এর স্মৃতি স্মারক হিসেবে তৎকালীন চসিক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী একটি বিজয় স্তম্ভ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কালুরঘাট ব্রিজের নিচে বিজয় স্তম্ভ নির্মাণ সম্ভব হচ্ছিলো না। তাই ১৯৯৫ সালে নগরীর বাটালি হিল মতিঝর্ণায় সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৩৫০ ফিট ওপরে ৭১ ফিটের এই বিজয় স্তম্ভটি নির্মাণ করেছিলেন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এটির সার্বিক দেখভালের দায়িত্বে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বিজয় স্তম্ভটির নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে দশজন আনসার সদস্য। তিনজন ইলেকট্রিশিয়ান পালাক্রমে দায়িত্বপালন করছে। স্তম্ভটিতে যাওয়ার রাস্তাটি ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। আসা যাওয়ার সিঁড়িগুলোও অনেকাংশে ভেঙে গেছে। করোনার কারণে সেখানে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে দায়িত্বরত ইলেকট্রিশিয়ান আনোয়ার হোসেন বলেন, এককানি জায়গার ওপর ১৯৯৪ সালে এই বিজয় স্তম্ভটির নিমার্ণ কাজ শুরু করেন তৎকালীন মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় স্তম্ভটি উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানে ডিউটি করছেন জানিয়ে আনোয়ার বলেন, বিজয় স্তম্ভটি বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলোকায়ন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন এই স্তম্ভটি সংস্কার কাজ হচ্ছে না। আমরা বারবার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সংস্কারের বিষয়ে জানিয়েছি। উনারা সংস্কার করেননি। পাহাড়লটির চূড়ার মাটি ভেঙে পড়াতে ঝূঁকিপূর্ণ হয়েছে স্তম্ভটি।

কিভাবে যাবেন?-নগরীর টাইগারপাস হয়ে আমবাগানের রাস্তা দিয়ে একটু হেটে গেলে নেভি কনভেনশন এর শেষ মাথায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নতুন কার্যালয়ের সাইন বোর্ড দেখবেন। ওই সড়কের প্রবেশ করতেই বামের নতুন রাস্তা দিয়ে কিছুটা গেলেই মোমবাতি পাহাড়ে উঠার পথ পেয়ে যাবেন। বস্তিঘরের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বস্তির শেষ মাথায় পেয়ে যাবেন সিঁড়ি। সিঁড়ি বেয়ে উঠলেই বাটালি পাহাড়/মোমবাতি পাহাড়/মুক্তিযুদ্ধের বিজয় স্তম্ভ।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।