খুঁজুন
, ,

জনপ্রিয়তা স্বর্ত্তেও জাতীয় রাজনীতিতে আগ্রহ ছিলোনা বাবার, চিন্তা চেতনায় শুধু চট্টগ্রাম-নওফেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 15 December, 2019, 4:39 pm
জনপ্রিয়তা স্বর্ত্তেও জাতীয় রাজনীতিতে আগ্রহ ছিলোনা বাবার, চিন্তা চেতনায় শুধু চট্টগ্রাম-নওফেল

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। রাজীব,চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টলবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা, চট্টগ্রাম সিটির সাবেক তিনবারের সফল মেয়র প্রয়াত এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী তার জীবদ্দশাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ধারাবাহিতা এবং দলের ভবিষ্যত নিয়ে আজীবন রাজনীতি করেছেন।

বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ট কর্মী হিসেবে এবং তার সুযোগ্য কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর সম্পূর্ণ আনুগত্য রেখে তিনি সবসময় দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। দলের জন্য নিবেদিন প্রাণ হয়ে তিনি জননেতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তৃণমুল কর্মী হিসেবে সারাদেশে জাতীয় নেতার পরিচিতি পেয়েছেন। তবে জাতীয় নেতৃত্বে মহিউদ্দিন চৌধুরী কখনো আগ্রহ প্রকাশ করেননি। কারণ তার চিন্তা চেতনায় ছিলো বৃহত্তর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আরো সুসংগঠিত করার এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য আজীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন, রাজনীতি করেছেন।

প্রয়াত এ নেতার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে মহিউদ্দিনপুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এসব কথা বলেন।

আজ ১৫ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১টায় কাজীর দেউড়ী ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশনাল সেন্টারে প্রয়াত নেতার স্মরণ সভার আয়োজন করে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্মরণ সভার প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ও প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু।

নওফেল বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োতিক এ স্মরণ সভার মাধ্যমে আমার প্রয়াত পিতার স্মতিচারণ যেমন সম্ভব হয়েছে তেমনি আগামী নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক শিক্ষনীয় বিষয় আমার পিতৃতুল্য আওয়ামী লীগের অভিভাবক নেতৃবৃদ্ধের আলোচনায় উঠে এসেছে।

আমার বাবার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে আলোচনা করবার দৃষ্টতা আমার নেই। তাছাড়া সে অভিজ্ঞতাও আমার হয়নি বলে মনে করছি। আজকের অনুষ্ঠানে আলোচক বৃন্দরে আলোচনাই মূখ্য। তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নওফেল।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন পরবর্তী ভোটাভুটির মাধ্যমে যে নেতৃত্ব ঘোষণা হয়েছে তা সারা বাংলাদেশে সমাদৃক প্রশংসীত হয়েছে উল্লেখ করে নওফেল বলেন, দলীয় নেতৃত্বে প্রতিযোগীতার চমৎকার সমাপ্তির একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের এ ভোটাভুটির নেতৃত্ব।

তিনি বলেন, দলীয় নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা সবসময় থাকবে সে দলীয় নেতৃত্বে প্রতিযোগীতার সমাপ্তিটাও যেন সুষ্ঠ সুশৃঙ্খলভাবে হয় সে বিষয়টা যেন সকলেই সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা ধারণ করে। কারণ আমরা আমাদের পূর্বসুরিদের জীবনের দিকে যদি তাকাই তাদের জীবনেও দলীয় নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা ছিলো কিন্তু দলীয় সাংগঠনিক শক্তির প্রশ্নে দলের প্রয়োজনে তারা কখনো এমন কোন কিছু করেনি যেখানে দলের সাংগঠনিক শক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

নওফেল বলেন, যেকোন মূল্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় রাখতে সকল পর্যায়ে সকল নির্বাচনে আমাদের সর্ব শক্তি দিয়ে সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখবার চেষ্টা না করি তবে আজকে আমি আপনি আমাদের প্রতিযোগীতায় ভবিষ্যত প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি বাংলাদেশের রাজনীতিতে, নির্বাচনী ক্ষমতায় ঐক্যের প্রমাণ দিয়ে বিজয় না আনতে পারে, যদি প্রমাণ করতে না পারে রাজনৈতিক ঐক্যের তবে অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। আগামী যে কঠিন সময়গুলো আসছে, বাংলাদেশের অপরাজনৈতিক শক্তি গোপনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নয়নের রাজনীতিকে, শেখ হাসিনার রাজনীতিকে, শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে ব্যাঘাত ঘটাতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

তাই সকলের কাছে আহবান জানিয়ে নওফেল বলেন, আমাদের নিজেদের প্রতিযোগীতার কারণে এ অপরাজনৈতিক শক্তি যাতে কোন ভাবেই সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজনীতি করতে হবে। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ না হয়ে রাজনীতির প্রতিযোগীতায় মেতে থাকি তবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি টেকশই হবে না।

স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ সালাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম।

নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় প্রয়াত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর ২য় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় মঞ্চে উপস্তিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, অ্যাডভোকেট সুনীল সরকার, সহ-সভাপতি ও সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য এমএ লতিফ, মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, অ্যডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী।

এছাড়াও চট্টগ্রাম নগর,উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এবং তার বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা স্মরণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

Feb2
Feb2

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।