খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন: চ্যালেঞ্জের মুখে ‘আলম পরিবার’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন: চ্যালেঞ্জের মুখে ‘আলম পরিবার’

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ি শহরে প্রায় দুই দশক ধরেই চলে আসছে, প্রভাবশালী ‘আলম পরিবার’-এর নানামুখী কর্তৃত্ব। রাজনীতি থেকে পরিবহন খাত, টেন্ডার-টোল নিয়ন্ত্রণ থেকে নিলাম আবার আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সকল পর্যায়ের কমিটি গঠনের প্রভাব বলয়। এর বাইরে জেলাশহর ছাপিয়ে উপজেলা পর্যায়ের যেকোন লাভজনক সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনেও এই পরিবারের ঈশারা প্রতিফলিত হতো।

এই প্রভাবের সূচনা হয় এই পরিবারের অন্যতম সদস্য মো: জাহেদুল আলম; জেলা আওয়ামীলীগের সা: সম্পাদক নির্বাচিত হবার সূত্র ধরেই। একই সাথে জাহেদুল আলম, খাগড়াছড়ি পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ১৯৯১ সালে আওয়ামীলীগের কল্পরঞ্জন চাকমা এমপি নির্বাচিত হলে ‘আলম পরিবার’-এর প্রতিপত্তি তড়তড় করে বাড়তে থাকে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হলে খাগড়াছড়ি জেলায় এই পরিবারের প্রাধান্য অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে।

এমনকি ‘২০০১ টু ২০০৬’ সালে বিএনপি-জামাত শাসনামলে এই পরিবার এলাকার বাইরে থেকেও যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রণ করেছে সবকিছু। এরমধ্যে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সরকারের সময়ে পরিবারটির তিন সহোদর জেল-জুলুমও খাটেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিএনপি’র হাতে তাঁরা নিমর্ম নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু ক্ষমতা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের কর্তৃত্ব থেকে তাঁদেরকে খুব বেশি টলাতে পারেনি কেউই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের সংসদ সদস্য প্রার্থী যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা’র বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হন ‘আলম পরিবার’-এর প্রধানতম ব্যক্তি ও জেলা আওয়ামীলীগের সা: সম্পাদক মো: জাহেদুল আলম। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ‘জাতির জনক’ এবং ‘আওয়ামীলীগ ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা’ সর্ম্পকে নানা বিরুপ মন্তব্য করে সমালোচিত হন। দলের শৃঙ্খলা এবং নীতি-আদর্শ পরিপন্থী ভূমিকার দায়ে তিনি প্রথমবার দল থেকে বহিস্কৃত হন। পরে আবার নানা বাস্তবতায় তিনি স্বপদে বহাল হলে আবারও আগের মতোই পরিবারটির প্রভাব উদ্যম নিয়ে প্রকাশিত হতে থাকে। কিন্তু ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান না নেয়ার দায়ে তিনি এবং তাঁর ছোট ভাই দিদারুল আলমসহ দল থেকে দ্বিতীয়বারের মতো বহিস্কৃত হন। এরপর জেলাশহর এবং বেশ কয়েকটি উপজেলায় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের সাথে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। টানা প্রায় তিন বছরের রক্তক্ষয়ী হামলা-মামলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেন।

২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ২০১৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ‘আলম পরিবার’-এর দিক থেকে আস্তে আস্তে মুখ ফিরিয়ে নিতে থাকে। ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামীলীগ সম্মেলনে সা: সম্পাদকের পদ হারান মো: জাহেদুল আলম। সর্বশেষ গত ১৪ ডিসেম্বর পুর্নগঠিত ‘পার্বত্য জেলা পরিষদ’-এর ১৪ সদস্যের মধ্যেও ওই পরিবারের কারো স্থান মেলেনি। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে ‘আলম পরিবার’-এর সদস্য এবং দুইবারের নির্বাচিত পৌর মেয়র রফিকুল আলম আওয়ামীলীগের মনোয়নবঞ্চিত হন।

দুইবারের মেয়র এবং ‘আলম পরিবার’-এর সর্বশেষ ক্ষমতাধর ব্যক্তি মো: রফিকুল আলম আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হবার খবর জানাজানি হলে সামাজিত যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে। খাগড়াছড়ি শহরের সর্বস্তরের মানুষের মাঝেও এই খবরের নানামুখী প্রতিক্রিয়া চাউর হয়।

সবার ধারণা ছিল, ‘আলম পরিবার’ অতীতের মতো আর মূল দলের বিপরীতে আর অবস্থান নেবেন না। এমন বদ্ধমূল বিশ্বাস ছিল জেলা আওয়ামীলীগের হাইকমান্ডেরও।

তাঁর কারণ হিশেবে জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সহ-সভাপতি মনির হোসেন খান জানান, জেলা সভাপতি এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা’র নির্দেশনায় কেন্দ্রে প্রস্তাবিত তিন প্রার্থীর তালিকায় মেয়র রফিকের নাম এব নম্বরে দেয়া হয়েছিল। রফিকুল আলম কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন ফরমও কিনেছেন। কিন্তু মনোনয়ন না পেয়ে অতীতের মতো দলের নীতি-আদর্শের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। যা তাঁদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক ঐতিহ্য।

আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদটি কোনভাবেই হাতছাড়া করতে চান না ‘আলম পরিবার’। ওই পরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকরা জানান, জেলা আওয়ামীলীগ থেকে জেলা পরিষদ; সবখানে নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব সীমিত হয়ে এসেছে। এখন যদি পৌর মেয়রের পদটিও হাতছাড়া হয় তাহলে পরিবারটি নানামুখী চাপে পড়তে পারে। সে আশংকা থেকেই রফিকুল আলম সরকারি দলের প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থী হয়েছেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় আওয়ামীলীগ প্রার্থী নির্মলেন্দু চৌধুরী নিজের জয়ের ক্ষেত্রে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পৌর এলাকার ‘পাহাড়ি-বাঙালি’ সকল সম্প্রদায়ের মধ্যকার শান্তি ও সহাবস্থানকে আরো সুদৃঢ় এবং আধুনিক পৌরশহর বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবেন।

বর্তমান মেয়র মো: রফিকুল আলমের বিদ্রোহী প্রার্থী হিশেবে মনোনয়ন দাখিলের প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, যিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তার দায়, তাঁর নিজেরই; দল কোন বিদ্রোহী প্রার্থীর দায় বহন করবে না।

বিএনপি প্রার্থী ইব্রাহিম খলিল বলেন, ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে ভোটারদের অনাস্থা রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ‘লেভেল প্লেয়িং’ ফিল্ড প্রয়োজন। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে তিনি জয়ী হবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সকালে আওয়ামীলীগের মনোয়ন জমা দেয়ার সময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর খন্ড খন্ড মিছিলে পুরো শহর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। স্বতস্ফুর্ত মিছিল আর শ্লোগানে নেতাকর্মীরা দৃঢ়তার সাথে জানান, স্বেচ্ছাচারিতা ও নীরব লুঠপাটের বিপরীতে এবারের নির্বাচনে খাগড়াছড়ি পৌরবাসী নির্মলেন্দু চৌধুরী’র মতো সজ্জন নেতাকেই জয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ।

২৪ ঘণ্টা/প্রদীপ চৌধুরী

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।