খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্রসহ মেয়রপ্রার্থী যুবলীগ নেতা আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, অস্ত্রসহ মেয়রপ্রার্থী যুবলীগ নেতা আটক

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় যুবলীগ নেতা ও মেয়রপ্রার্থী মাকসুদুল বাসার বাঁধন পাটওয়ারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে পুলিশের ওপর হামলা ও অস্ত্র এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের চরকুমিরা গ্রামে গিয়াস উদ্দিন বাবুল পাটওয়ারী গংদের আবাদকৃত মাছের ঘেরের বাঁধ কেটে দেয়ার ঘটনা ঘটে।

ওই মাছের ঘেরের পাহারাদার সাহাবুদ্দিন জানান, যুবলীগ নেতা মেয়রপ্রার্থী মাকসুদুল বাসার বাঁধন পাটওয়ারী নিজে ওই মাছের ঘেরের বাঁধ কেটে দেন। যাতে পানির স্রোতে মাছ ভেসে যায়। এতে পাহারাদার বাধা দিতে গেলে বাঁধন পাটওয়ারী তাকে অস্ত্র দিয়ে মারার হুমকি দেন।

পরে মাছের ঘেরটি রক্ষার জন্য মালিকপক্ষ থানা পুলিশের শরণাপন্ন হলে শুক্রবার ভোরে থানা পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। এ সময় বাঁধন পাটওয়ারী পুলিশের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে পুলিশ তার কাছ থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি ছোরা এবং ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে এবং তাকে আটক করে।

ঘটনার ব্যাপারে গিয়াস উদ্দিন বাবুল পাটওয়ারীর ভাই সালাউদ্দিন পাটওয়ারী জানান, গত কয়েক দিন ধরে তারা মাছের ঘের থেকে মাছ ধরছেন। কিন্তু বাঁধন পাটওয়ারী বৃহস্পতিবার রাতে ঘেরের বাঁধ কেটে দেন। এতে তাদের বিপুল পরিমাণ মাছ ভেসে গেছে।

তবে আটক বাঁধন পাটওয়ারী জানান, তাকে মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। তিনি পুলিশের ওপর হামলা করেননি।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদ হোসেন জানান, আটক বাঁধন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…