খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২ ডজন বিয়ের পর সাধ মিটেছে, এখন কোন স্ত্রী পাশে নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
২ ডজন বিয়ের পর সাধ মিটেছে, এখন কোন স্ত্রী পাশে নেই

পেশায় রিকশাচালক জালাল ফকির, বয়স ৬০ ছুঁই ছুঁই। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া বাজার ও আশপাশে রিকশা চালিয়ে আয়-রোজগার করেন।

তার শ্রমিক জীবনের সোনালি সময় কেটেছে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে। কুড়ি বছর বয়সে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি। প্রথম সন্তান প্রসবের সময় মারা যান স্ত্রী রেনু বেগম।

কিছুদিন পর নুরজাহান নামের আরেক নারীকে বিয়ে করেন তিনি। দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। কিছুদিন পর রোগাক্রান্ত হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীও মারা যান। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী দুই সন্তান রেখে মারা যাওয়ায় মানসিকভাবে অনেকটা ভেঙে পড়েন তিনি।

একপর্যায়ে আবার বিয়ে করেন জালাল ফকির। কিছুদিন পর তৃতীয় স্ত্রী মারা না গেলেও তাদের সংসার ভেঙে যায়। এরপর আবার বিয়ে করেন তিনি। এভাবে একে একে ২৪ জন নারীকে বিয়ে করেন জালাল ফকির।

প্রত্যেক নারীর সঙ্গেই কিছুদিন সংসার করার পর তাদের দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয়ে সম্পর্ক ভেঙে যায়। তার ২৪তম স্ত্রী পিয়ারা বেগমের সঙ্গে প্রায় ৪ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। রংপুরের মেয়ে পিয়ারা বেগম ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন।

পিয়ারা বেগমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর জালাল ফকির সিদ্ধান্ত নেন তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরে আসেন তিনি। বর্তমানে তিনি উত্তর কাছিপাড়া গ্রামে বড় ছেলে জামাল হোসেনের সঙ্গে আছেন। তার বড় ছেলে জামাল ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

২৪ নারীকে বিয়ে করার প্রতিক্রিয়ায় জালাল ফকির বলেন, ২৪ জনের মধ্যে রূপে-গুণে আমার প্রথম স্ত্রীই সেরা ছিল। তার মতো আর কারও সঙ্গে সংসার করে শান্তি পাইনি। এখন ছেলের সংসারে আমার খুব ভালো সময় কাটছে।

ভবিষ্যতে আর বিয়ে করার ইচ্ছা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে জালাল ফকির বলেন,অনেক হয়েছে আর বিয়ে করব না। বিয়ের সাধ মিটে গেছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…