খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় হাম-রুবেলা টিকা দেয়ার পর সাত বছরের শিশুর মৃত্যু !

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
লোহাগাড়ায় হাম-রুবেলা টিকা দেয়ার পর সাত বছরের শিশুর মৃত্যু !

এ. কে. আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর কলাউজান মকবুল সিকদার পাড়ায় হাম রুবেলা টিকা দেয়ার পর পরই সাত বছরের এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত শিশু নাওরাত হানিফ(৭) ওই এলাকার মো. হানিফ চৌধুরী শিমুলের মেয়ে বলে জানা গেছে।

রবিববার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সালাউদ্দিন সিকদার। সারা দেশের ন্যায় একযোগে লোহাগাড়ায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়।

নিহতের মা রাবেয়া বেগম বলেন, টিকা দেয়ার পর পরই আমার মেয়ে নাওরাত পাশে এসে মাথা ঘুরছিল বলে মাটিতে পড়ে যায়। এর পরপরই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায় সে। আমার সন্তানকে তারা ইচ্ছে করে হত্যা করেছে। তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সন্তান হত্যার বিচার চান।

এদিকে, নাওরাত জন্ম হওয়ার আগে বিদেশ পাড়ি দিয়েছিল হানিফ চৌধুরী শিমুল। ২ কন্যা সন্তানের জনক তিনি। গত ১৫ ডিসেম্বর দেশে আসেন। ২ সপ্তাহ যেতে না যেতে দেখতে হল সন্তানের লাশ। সন্তান হারিয়ে নির্বাক হয়ে বসে আছে বাড়ির এক কোণায়।

প্রবাসী শিমুল জানান, টিকা দেয়ার পর সন্তান অসুস্থ হওয়ার খবর জেনে বাড়িতে এসে মোটরসাইকেল নিয়ে লোহাগাড়া সদরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, টিকা দেয়ার পরপরই নাওরাত মারা যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরপরই টিকা প্রদানকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক জেবুন্নিছাসহ তিনজন ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে চাইলে স্থানীয়রা টিকা কেন্দ্র ঘিরে রাখেন।

ঘটনার পরপরই লোহাগাড়া থানা পুলিশের এসআই মাহফুজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শামসুল আলম চৌধুরী চেয়ারম্যান বাড়িস্থ টিকাদান কেন্দ্রে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

স্বাস্থ্য পরিদর্শক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে টিকা প্রদান করেন স্বাস্থ্য পরিদর্শক জেবুন্নিছা। এসময় উপস্থিত সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সীমা চৌধুরী ও পরিবার কল্যাণ সহকারী ঝর্ণা রাণী দাশ।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান হাবিব জিতু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ হানিফ, লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাকের হোসাইন মাহমুদ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা: জাহেদুল ইসলাম।

নিহতের চাচা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, হাম-রোবেল টিকা দেয়ার পর আমার ভাতিজি নাওরাত অসুস্থ হলে স্বাস্থ্য কর্মীদের জানানো হয়। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেন। তবে কোন প্রকার এন্টি ভ্যাকসিন নাই বলে সাফ জানিয়ে দেন। তবে, কেন এন্টি ভ্যাকসিন ছিলাে না এমন প্রশ্ন রাখেন পরিদর্শনে আগতদের। তিনি স্বাস্থ্য কর্মীদের অবহেলার কারণে তার ভাতিজি মারা গেছে বলে জানান।

স্বাস্থ্য পরিদর্শক জেবুন্নিছা বলেন, সাড়ে ১০টার দিকে টিকা প্রদান করি। কিছুক্ষণ পরে জানতে পারি টিকা প্রদানের পর নাওরাত হানিফের খিচুনি হয়। তাই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরামর্শ দিই। হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে খুবই খারাপ লাগছে বলেও জানান তিনি। নাওরাতকে টিকা দেয়ার পুর্বে এলাকার আরও ৬৫/৭০ জনকে টিকা দিয়েছি।

লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ হানিফ বলেন, নাওরাত নামের এক শিশু টিকা দেয়ার পর মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। শিশুটি টিকার কারণে মারা গেছে নাকি অন্য কোন কারণে মারা গেছে তদন্ত ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছে না।

লোহাগাড়ার ওসি মো. জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে, আমিও অনেক্ষণ ঘটনাস্থলে ছিলাম। রাত সাড়ে ৮ টার দিকে লাশ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে । এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানায় লিখিত কোন অভিযোগ হয়নি বলেও জানান ওসি।

Feb2

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দেশের মানুষেরা এ সময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে-যুদ্ধ নানা কারণে শঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে- এরমধ্যে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য। এটির দাম বাড়লে ক্রেতারা নাখোশ হন। এজন্য নিয়মিত বিরতিতে আমরা দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি, আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কোন কিছু হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সময় দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আজ অনুষ্ঠিত দুদফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কি ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রির) রাতে সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ সাবেক যুবদল নেতা মঈনকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আট জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের শেরে বাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী। তিনি বলেন, হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

আরো উল্লেখ করা হয়, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।