খুঁজুন
, ,

১২৩ মামলায় কারাগারে ১৮৩ মাদক কারবারী : লোহাগাড়ায় ৫ মাসে ১৬ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ও ৪৩ গাড়ী উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 June, 2021, 8:40 pm
১২৩ মামলায় কারাগারে ১৮৩ মাদক কারবারী : লোহাগাড়ায় ৫ মাসে ১৬ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ও ৪৩ গাড়ী উদ্ধার

এ. কে. আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) : করোনা মহামারীতেও বসে নেই মাদক কারবারীরা। নিত্য নতুন কৌশলে মাদকের চালান পাচার করে যাচ্ছে তারা। পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে টেকনাফের নাফ নদী সীমান্ত পেরিয়ে সীমান্তরক্ষী ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে ঢুকে পড়ছে এসব ইয়াবার চালান। বিভিন্ন কৌশলে খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে যাচ্ছে এসব ইয়াবা। কখনো গাড়িতে, কখনো গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ভেতরে, আবার কখনো মানুষের পেটে করে পাচার করা হচ্ছে ইয়াবা। চলমান প্রাণঘাতী করোনা মহামারিও থামাতে পারেনি তাদের এই পাচারকাজ।

লোহাগাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানা পুলিশ করোনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মাদক উদ্ধার কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছে সমানতালে। এরই অংশ হিসেবে মাদক উদ্ধারে গঠিত লোহাগাড়া থানার চৌকস পুলিশ টিম অভিযান চালিয়ে চলতি ২০২১ সনের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী, মার্চ, এপ্রিল ও মে সহ গেল ৫ মাসে ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৮০ পিস ইয়াবা ট্যবলেট, ১৩৪.৫০ লিটার ছোলাইমদ, ৪০০ গ্রাম গাজা উদ্ধার করেছে। পরিচালিত এসব অভিযানে ১৮৩ জন মাদক কারবারী, পাচারকারী ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে ১২৩টি। এ সময় মাদক পাচারকাজে ব্যবহার করা ৭টি মালবাহী ট্রাক, ১২টি প্রাইভেট কার, ৫টি মাইক্রোবাস, ৬টি কাভার্ডভ্যান, ১২টি মোটরসাইকেল ও ১টি পিকআপ সহ মোট ৪৩টি গাড়ী,১টি মোবাইল সেট ও নগদ ৫ হাজার ৫৪০ টাকা জব্দ করেছে।

এছাড়াও গত ১০ মে রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পরিচালিত অভিযানে মাদক উদ্ধার করতে গিয়ে দুইটি দেশীয় তৈরী ওয়ান শুর্টার গানসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করেছে উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন থানা পুলিশের একটি টিম।

ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ আরো জানান, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের নির্দেশে চলমান করোনার সংকটময় মুহূর্তেও থানা এলাকার নানা অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ, মামলা তদন্ত, নানা অভিযোগ তদন্ত, বিভিন্ন মামলার আসামী গ্রেফতার সহ নিয়মিত দায়িত্বপালনের পাশাপাশি লোহাগাড়া থানা পুলিশ মাদক পাচাররোধে কাজ করে যাচ্ছে।

জানতে চাইলে লোহাগাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলাম জানান, অভিযানে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারী ও মাদকসেবীদের দেয়া তথ্যমতে, প্রতি পিস ইয়াবা ৩শ’ টাকা, প্রতি লিটার ছোলাইমদ ৪৫৬ টাকা ও প্রতি পুরিয়া গাজা ১শ’ টাকায় বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। সে হিসাব অনুযায়ী চলতি ২০২১ সনের গেল ৫ মাসে লোহাগাড়া থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা ৫ লাখ ১৯ হাজার ৪৮০ পিস ইয়াবার অনুমান মূল্য দাঁড়ায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা, ১৩৪.৫০ লিটার ছোলাইমদের অনুমান মূল্য দাঁড়ায় ৬১ হাজার ১০৪ টাকা এবং ৪০০ গ্রাম গাজার অনুমান মূল্য দাঁড়ায় ১২ হাজার টাকা। এছাড়াও উদ্ধার করা নগদ ৫ হাজার ৫৪০ টাকাসহ সর্ব মোট ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ২২ হাজার ৬শ’ ৪৪ টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকু বলেন, মাদক প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ। চট্টগ্রাম দক্ষিণে লোহাগাড়া থানা পুলিশ টিম মাদক উদ্ধারে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলছেন। চলতি বছরের গেল ৫ মাসে লোহাগাড়া থানা পুলিশ বেশ ক’টি বড় চালানসহ সাড়ে ৫ লাখেরও অধিক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ১৮৩ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে। তাই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে লোহাগাড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম কিবরিয়াকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের শ্রেষ্ট মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তার সম্মাননা প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো : আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার) পিপিএম (বার)। মাদকের ব্যাপারে পুলিশের জিরো টলারেন্স অবস্থান। মাদকসেবী, কারবারী ও পাচারকারী যতই প্রভাবশালী হউক কোন ছাড় নেই।

Feb2
Feb2

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।