খুঁজুন
, ,

২৪ ঘন্টার মধ্যে নিখোঁজ জাতীয় পার্টি নেতা আনোয়ারকে জীবিত উদ্ধার দাবী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 5 January, 2021, 9:09 pm
২৪ ঘন্টার মধ্যে নিখোঁজ জাতীয় পার্টি নেতা আনোয়ারকে জীবিত উদ্ধার দাবী

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন (৪৫) দীর্ঘ ৬দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবার ও সংগঠনের নেতারা। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করার ৫দিন অতিবাহিত হলেও তাঁকে উদ্ধার করতে না পারায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জাপা’র নেতা আনোয়ার হোসেনকে জীবিত উদ্ধার চাই, নইলে থানার সামনে মানববন্ধন ও অনশন কর্মসুচি পালনেরও হুঁশিয়ারী দেন তাঁরা।

আজ মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারী) বিকেল ৪টায় উপজেলা সদরের বটতলী স্টেশনস্থ একটি রেষ্টুরেন্টে জাতীয় পার্টি লোহাগাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবী তোলেন সংগঠনের নেতারা।

এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের নিকট আনোয়ার হোসেনকে সুস্থ ও জীবিত অবস্থায় ফিরে পেতে আকুতি জানান তাঁর স্ত্রী নার্গিস আক্তার।

নিখোঁজ আনোয়ার হোসেন লোহাগাড়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের দরবেশ হাট সওদাগর পাড়ার মৃত আহমদ হোসেনের পুত্র। তিনি উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয় যুব সংহতি লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাতীয় পার্টির লোহাগাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক মোহাম্মদ ছালেম জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে আনোয়ার হোসেন তাঁর দরবেশহাট সওদাগর পাড়া এলাকায় অবস্থিত খামার বাড়িতে ছিলেন। সেখান থেকে টমটমযোগে বটতলী মোটর স্টেশনস্থ ফোরকান টাওয়ারে তাঁর বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে। তিনি কোনো আত্মীয়স্বজনের বাসায়ও যাননি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে অতিদ্রুত আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা আনোয়ারের স্ত্রী নারগিস আক্তার বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের কাছে জোর আবেদন জানাচ্ছি, আমার স্বামীকে অতিদ্রুত অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে যেন ফিরিয়ে দেয়া হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্ত্রী নারগিস আক্তার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্টিত ইউপি নির্বাচনে আমার স্বামী আনোয়ার হোসেন লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করায় কিছু কুচক্রী মহলের রোঁষানলে পড়েন। আমার জানামতে, তাঁর ব্যক্তিগত কিংবা ব্যবসায়ীক কোনো শত্রু নেই। ধারণা করছি, এ ঘটনায় তাঁর কয়েকজন রাজনৈতিক সহযোগী জড়িত থাকতে পারে। কারণ আনোয়ার নিখোঁজের পর তাদের কাছ থেকে কাঙ্খিত কোন সহযোগিতা পাচ্ছি না। অনেক ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলছেন। এছাড়াও বিগত ইউপি নির্বাচনের ১৭ দিন পর তাঁর এক রাজনৈতিক সহযোগীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটি হতেও দেখেছি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় পার্টির লোহাগাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছালেম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সওদাগর, যুগ্ম আহবায়ক খালেদ বাদশা, আবদুল ওয়াহাব খোকন, মোহাম্মদ ইলিয়াস মেম্বার, সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা সিফাত উল্লাহ, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি জামাল উদ্দিন হিরু ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। এছাড়াও আনোয়ার হোসেনের মা জান্নাত আরা বেগম, স্ত্রী নারগিস আক্তার, ছোট ভাই খোরশেদ আলম শিমুল, ছেলে সাঈদী, মিশকাত ও ইবনুল উপস্থিত ছিলেন।
২৪ ঘণ্টা/এ. কে. আজাদ

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।