খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকাতিয়া নদী তুমি কার? নদী দখল করে মাছের ঘের! প্রশাসন নিরব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২১, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ডাকাতিয়া নদী তুমি কার? নদী দখল করে মাছের ঘের! প্রশাসন নিরব

অ আ আবীর আকাশ, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষীপুরের ঐতিহ্যবাহী ডাকাতিয়া নদী দখল করে মৎস্য ঘের করছে একটি মহল। প্রশাসনের নাকের ডগায় হলেও এই দিকে ভ্রুক্ষেপ করছে না স্থানীয় প্রশাসন। দুপুরে ডাকাতিয়া নদী দখল করে, বাধ দিয়ে একটি মহল মৎস্য ঘের তৈরি করছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ভয়ঙ্কর চিত্র। পানি উন্নয়ন বোর্ড রায়পুর ও নিয়ন্ত্রণাধীন চাঁদপুর নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানিও মিলছে না কোনো সুফল। দায়সারা ভাবে একটি নোটিশ দিয়েই চুপসে থাকেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাজীমারা রেগুলেটর সুইচ গেট হতে ৫ ফিট দূরে ডাকাতিয়া নদীতে বাঁধ দিয়ে নদী দখলের মহোৎসব চলছে।

নদী গর্ভের কাছাকাছি আড়াআড়িভাবে প্রায় ১কি:মি: জুড়ে মাটি দিয়ে বাঁধ সৃষ্টি করে ৪টি মাছের ঘের তৈরী করা হয়েছে।যার মোট পরিমান প্রায় ১০ একর।একেকটি ঘেরের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট এবং লম্বায় প্রায় আড়াই একর পরিমান।ঘেরের চারদিকে কলাগাছ রোপন করা হয়েছে।নতুন করে আরো কয়েকটি মাছের ঘের তৈরীর কাজ চলছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা পাউবোর অধিগ্রহণকৃত জমি জোড়পূর্বক দখল করে পুকুর,প্রজেক্ট,মাছের ঘেরসহ দোকান-পাট নিমার্ণ করছে।সরকারি কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে রায়পুরে বিভিন্ন পয়েন্টে দিনের পর দিন ডাকাতিয়া নদী দখল করে যাচ্ছে একটি মহল।কেউ ইজারা নামে দখল করছে কেউবা জোড়পূর্বকভাবে ভোগ দখল করে যাচ্ছে পাউবোর সম্পত্তি।

অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার নন্দনপুর গ্রামের আয়াত উল্যাহ ভূঁইয়ার ছেলে কামাল হোসেন ভূঁইয়া,রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউপির চরলক্ষ্মী গ্রামের রফিক আঁখন, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী আঁখন,সাবেক ইউপি সদস্য খালেক আঁখন এবং আব্বাস মাঝিসহ কয়েকজন মিলে জোরপূর্বক হাজীমারা রেগুলেটরের ৪ ফিট দূরে মাঝ নদীতে পাউবোর অধীগ্রহনকৃত জমিতে বাঁধ দিয়ে পুকুর/প্রজেক্ট তৈরী করছে ।

এনিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে কামাল হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন-‘আড়াই একর জমি জেলা পরিষদ থেকে বছর প্রতি ৩০ হাজার টাকা লীজ নিয়েছি। এটা কোন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্পত্তি নয়।আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে।’ কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে পারবেন কিনা? এমন প্রশ্নের সুদুত্তরে তিনি বলেন,’আমাকে দুইদিন সময় দেন। আমি আপনার অফিসে আসবো। কাগজপত্র আপনাকে দেখাবো।’ তবে নানান নাটকীয়তায় পরও অভিযুক্ত কামাল হোসেন ভূঁইয়া কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি।

স্থানীয়রা জানান,নদীতে বাঁধ দেওয়ার কারনে একদিকে যেমন নদীর নাব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে,পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।পাশাপাশি,অত্রাঞ্চলের বন্যা জনিত সৃষ্ট পানি অপসারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।এছাড়াও যেসব জেলেরা মাছ শিকার করে নিজেদের জীবিকা আহরণ করত,তারা তাদের অধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে ।পরিশেষে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার আহবান জানান স্থানীয়রা।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর কর্তৃপক্ষের রায়পুর পওর শাখা- ৩ (হাজীমারা) উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাকিল মাহমুদ এর স্বাক্ষরিত গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ইং অভিযুক্ত কামাল হোসেন ভূঁইয়ার বরাবর নোটিশ জারি করে।যার স্মারক নং-উ.স.প্র/রায়/শা-৩/২০২০/১১২।নোটিশে বাধঁ অপসারণের জন্যে ৩ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হলেও নোটিশের ১২ দিন হতিবাহিত হওয়ার পরও বাঁধটি অপসারণ করা হয়নি।

রায়পুর পওর শাখা-৩ (হাজীমারা) উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাকিল মাহমুদ জানান, রায়পুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। উল্টো অভিযুক্ত কামাল হোসেন ভূঁইয়া আমাকে উকিল নোটিশ দিয়ে হয়রানি করছে।তিনি নাকি জেলা পরিষদ থেকে লীজ নিয়েছে।

এবিষয়ে রায়পুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাবরীন চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।