খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশেষায়িত করোনা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো : ডা: শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশেষায়িত করোনা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো : ডা: শাহাদাত

চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। জনগণের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিমুক্ত রাখায় আমাদের কাছে মূখ্য। চট্টগ্রাম এখন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে, এটি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামে ক্যান্সার রোগীও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তাই চট্টগ্রামবাসীর নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্য সম্মত একটি শহরের জন্য আমরা জনগণের দল হিসেবে জনগণের পাশে আছি এবং থাকবো। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে ইনশাল্লাহ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত¦াবধানে চট্টগ্রামে একটি আধুনিক বিশেষায়িত করোনা মহামারি হাসপাতাল এবং একটি ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে নগরীর ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট চেয়ে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

পাহাড়তলী আমবাগান জনতা ব্যাংকের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে ফ্লোরাপাস রোড়, সর্দারনগর, ঝাউতলা বাজার, ঝাউতলা কলোনী, ওয়ালের্স মোড় হয়ে সেগুন বাগান এলাকায় এসে পথসভায় মিলিত হন। এর আগে তিনি ওয়ালের্স মোড়ে ধানেরশীষ প্রতিক ও কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুলালের ঘুড়ি প্রতিক এবং মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ছখিনা বেগমের মোবাইল প্রতিকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তিনি এসময় এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নেতাকর্মীরা এলাকার সাধারণ জনগণের কাছে বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

এসময় ধানেরশীষের প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চসিকের অধিনে নগরীতে যে ৫৬টি স্বাস্থকেন্দ্র এবং ৫টি হাসপাতাল রয়েছে সেগুলোকে উন্নত, সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি ও সংস্কার করার পাশাপাশি প্রতিটা ওয়ার্ডে মা শিশু এবং বয়স্কদের জন্য রোগ নিরাময় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, শিশুদের জন্য ৬/৭ বেডের এনআইসিও চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে মা শিশুদের উন্নত সেবার পাশাপশি বয়স্কদের বাত-ব্যাথাসহ নানান রোগের চিকিৎসা নিজ এলাকায় পেতে পারেন। একই সাথে প্রতি ওয়ার্ডে একটি আইসোলেশন সেন্টার করে সেগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার ও হাইফ্লো অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে পারলে করোনা রোগীদের দুর্ভোগ কমে যাবে। করোনা চলে গেলেও এসব সেন্টারে অন্যান্য মহামারির চিকিৎসা করা যাবে।

এসব সেন্টারে ভালো বেতনের ডাক্তার নিয়োগ দিয়ে তাদের প্রাইভেট প্রাক্টিসের সুযোগ করে দিতে পারলে ভালো সার্ভিস পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়নের জন্য দক্ষ নার্স তৈরী অবশ্যই প্রয়োজন। এ লক্ষে নগরীতে একটি নাসিং ইনস্টিউশন করারও পরিকল্পনাও আছে।

পথসভায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আসন্ন মেয়র নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিভিন্ন সরকারী অফিসে বসে আওয়ামী লীগ নেতারা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এসব প্রসাদ ষড়যন্ত্র করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা যাবে না। ভোট দেওয়া নাগরিক অধিকার। ভোট আপনার পবিত্র আমানত। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসুন। আপনার ভোট আপনি দেবেন। অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে আপনার রায় দিয়ে যোগ্য প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেনকে নির্বাচিত করতে হবে। তিনি ২৭ জানুয়ারী সকল বাঁধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে প্রতিটি ভোটারকে তাদের মূল্যবান রায় ধানের শীষ প্রতীকে প্রদানের জন্য আহবান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস কে হুদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য ও ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, মো: কামরুল ইসলাম, ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি জাহিদ মাষ্টার, সাধারন সম্পাদক এস এম আজাদ, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ছখিনা বেগম, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মো: গোফরান, বেলায়েত হোসেন বুলু, তোফাজ্জল হোসেন, আসাদুজ্জামান দিদার, মো: শরীফ উল্লাহ, এন আই চৌধুরী মাসুম, আমান উল্লাহ আমান, নজরুল ইসলাম বাবু, আব্দুল হামিদ পিন্টু, শরীফ হায়দার শিবলু, জিয়াউর রহমান জিয়া, হেলাল হোসেন, শাহজালাল পলাশ, তানভীর মল্লিক, হায়দার আলী, আবদুল আওয়াল টিপু, মাহাফুজুর রহমান বাবু, মোহাম্মদ মিয়া, নবী হোসেন, রফিকুল ইসলাম, গুলজার হোসেন মিন্টু, গোলাম সরওয়ার, আবদুল হালিম গুড্ডু, ওয়াকিল আহমেদ, আকতার হোসেন, এমদাদুল হক স্বপন, সাইফুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, নুরু আলম, আবুল কালাম, আর সি মল্লিক, ইউনুস মুন্না, মো: সাইফুল, মো: মিল্টন, দেলোয়ার হোসেন, নাছির উদ্দীন পিন্টু, কামাল হোসেন, সৈয়দ হাসানুল করিম ফারজু, বাদশা আলমঙ্গীর, ওমর ফারুক, আবদুস সাত্তার, মো: সুমন, মো: জসিম, আবদুর রহমান, সোহেল রানা বাবু, মো: পারভেজ, মো: আমিন, আবদুল্লা কালু, মো: আজাদ, মো: রহমান, মো: মাসুদ, মো: জাবেদ, মো: আশিক, মো: রবিউল, ইয়াছিন, আলম, তানভীর, নাজির, বেলাল হোসেন প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…