খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থানীয়দের পর্যাপ্ত চাকুরির উদ্যোগ নেব : ডা.শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৬:২০ অপরাহ্ণ
নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থানীয়দের পর্যাপ্ত চাকুরির উদ্যোগ নেব : ডা.শাহাদাত

চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহবায়ক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর প্রতিষ্ঠাকালে ও সম্প্রসারণের সময় বিভিন্নভাবে স্থানীয় বাসিন্দদের জমি অধিগ্রহন করা হয়েছিল। দেশের স্বার্থে বন্দরের জন্য অনেকে নিজেদের বসতবাড়ী ফসলি জমি ছাড়তে হয়েছে। এতে করে বন্দর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অথচ এখনও বন্দর এলাকার সুশিক্ষিত হাজার হাজার যুবক বেকার। এই বেকারত্বের কারণে স্থানীয় যুবকরা বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্দরে স্থানীয় সুশিক্ষিত লোকের চাকরির কোন কোটা নেই। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম বন্দরে স্থানীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহন করবো।

তিনি আজ বুধবার (১৩ জানুয়ারী) নগরীর ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ও ৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন।

গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে হাসেম সও. মসজিদ, কেবি দোভাস লেইন, মধ্যম গোসাইলডাঙ্গা, ফকিরহাট রোড়, হাজি ঠান্ডা মিয়া লেইন, রোহিঙ্গা পাড়া, বেচাখাঁ রোড়, ফকিরহাট বাজার, নিমতলা বিশ্বরোড় হয়ে কাস্টমস মোড় এবং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের সল্টগোলা রেলক্রসিং থেকে শুরু হয়ে ইশান মিস্ত্রীর হাট, পুরাতন ডাকঘর মোড়, লোহারপুল মোড়, মাইজপাড়া, ওমরশাহ পাড়া, কলসি দিঘী রোড়, ঈগল ক্লাব মোড়, ওয়াসিল চৌধুরী পাড়া, মাইলের মাথা, সিমেন্স হোস্টেল মোড়, নিশ্চিন্ত পাড়া ও হিন্দুপাড়া হয়ে ইসহাক ডিপুর সামনে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়।

তিনি বলেন, নিমতলা থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত বিশেষায়িত কোন হাসপাতাল নেই। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের যে হাসপাতাল আছে তাতে স্থানীয় বাসিন্দারা কোন ধরণের চিকিৎসা পায় না। আপনাদের ভোটে আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সিটি কর্পোরেশনের অধিনে বিশেষায়িত হাসপাতাল করার উদ্যোগ গ্রহণ করবো।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মহানগরীর প্রধান সমস্যা হচ্ছে জলাবদ্ধতা। বিশেষ করে গোসাইলডাঙ্গা, মুনির নগর, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা জোয়ারের পানিতে এবং সামান্ন বৃষ্টিপাত হলেই ডুবে যায়। তখন নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জলবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

ডা. শাহাদাত বলেন, নগরীর বন্দর ও ইপিজেড এলাকায় বিপুল সংখ্যক গার্মেন্টস শ্রমিক বসবাস করে। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ভাড়াটিয়া। নিম্ম আয়ের এসব শ্রমিকদের যাতায়াত এবং আবাসন সংকট রয়েছে। পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থাসহ আবাসন সংকচ নিরসন করে ভাড়াটিয়াদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবো।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের পিতা নয়, সেবক নির্বাচিত করুন। আমি আপনাদের সেবক হয়ে সুখ-দুঃখে পাশে থাকবো। আমি আপনাদের সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, স্মার্ট, নন্দনিক চট্টগ্রাম নগরী উপহার দিতে চাই।

পথসভায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, যেখানেই গণসংযোগে যাচ্ছি ধানের শীষের পক্ষে জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সাধারন মানুষের এই অগ্রযাত্রা কেউ দমিয়ে রাখতে পারবেনা। ২৭ জানুয়ারী ভোটকেন্দ্রে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আপনার মূল্যবান ভোটটি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী দল বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের ধানের শীষেই দিবেন। কোন অপশক্তি বাধা দিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোন অশুভ শক্তি আমাদেরকে হারাতে পারবেনা।

গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন-মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য গাজী সিরাজ উল্লাহ, মঞ্জুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মহানগরী বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম (ডক), মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, মহানগর জাসাস সভাপতি কন্ঠশিল্পী আব্দুল মান্নান রানা, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজি মো. হানিফ সওদাগর, গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. হারুণ, নগর বিএনপি নেতা মো. সেলিম, গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির সোহেল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হারুণ, দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আজম, সাধারণ সম্পাদক হাজি মো. জাহেদ, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুন্নাহার লিজা, বিএনপি নেতা আলী আজম চৌধুরী, মো. নাছির, মো, ইউসূফ, মো. সালাউদ্দিন, আব্দুল কুদ্দুস সেন্টু, মাহবুবুল আলম বাচ্চু, হাজী মোহাম্মদ হোসেন, নেজাম উদ্দিন, রফিক সওদাগর, মো. সেকান্দর, মো. ইলিয়াছ, ইউসূফ কোম্পানী,মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মোহম্মদ হারুন, সি.যুগ্ম সম্পাদক আলী মুর্তজা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক তারিকুল ইসলাম তানভীর, বিএনপি নেতা মঞ্জুর মোরশেদ, আলী আহসান, আনোয়ার হোসেন জুনু, মাহবুব আলম, দেলোয়ার হোসেন, শহীদুল ইসলাম প্রিন্স মো. মুছা, মো. নিজাম, মো. সবুর, শওকত মান্নান, মো. সাইফুল, আক্তার সৈয়দ, মো. কামরুল, অঙ্গসংগঠনের নেতা আব্দুল নূর মিঠু, রিয়াজ উদ্দিন রাজু, মো. আরিফ, মো. কামরুদ্দিন, আলী রাসেদ, নুর জাফর রাহুল, আবু রায়হান চৌধুরী, ওয়াহিদ খান সারাদ, মো.আজম, মো. জাবেদ, মো. ফারুক, মো. ইয়াছিন, মো. কামাল, মো. হাশেম, মো. রনি, মো. পারভেজ, মো: হাসান, আক্তার, সাগর, ইমরান, লিটন, অভি, আকিল, ফয়সাল, জীবন, কায়সার, ওয়াহিদ প্রমুখ।

Feb2

ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

২০২৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১২তম দিন টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা-কমলাপুর থেকে ফরিদপুর-রাজবাড়ী হয়ে মধুখালি, বোয়ালমারী দিয়ে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত কোনো রেলগাড়ি পরিচালনা করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে মর্মে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো সরবরাহ পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করছে। তাছাড়া আন্তঃনগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাটল-২-এর মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী এসে আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা পর্যন্ত যাতায়াত করার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ইঞ্জিন, কোচ ও ক্রুর অভাবে ১৯টি মেইল/কমিউটার ও ২১টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে এবং প্রতিদিন ৭/৮টি মালবাহী ট্রেন পুশব্যাক হচ্ছে।

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করবেন।

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।