খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনবিচ্ছিন্ন আওয়ামীলীগের জাল ভোটই একমাত্র সম্বল: ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৪, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
জনবিচ্ছিন্ন আওয়ামীলীগের জাল ভোটই একমাত্র সম্বল: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিগত তিনটি নির্বাচনের মতো শেখ হাসিনা সরকার আবারও গায়ের জোরে একতরফা ভোটহীন একটি পাতানো নির্বাচন করতে যাচ্ছে। সরকার এবারের নির্বাচনেও ভোট ডাকাতির উৎসব করতে চায়। কিন্তু তামাশা ও প্রহসনের এই নির্বাচনে কোন বিরোধী দল অংশগ্রহণ করছে না। দেশের জনগণেরও এই নির্বাচনে ন্যূনতম কোনো আগ্রহ নেই। এখন আমরা শুনতে পাচ্ছি, আওয়ামীলীগের সকল এমপি প্রার্থীরা ভোটার সংগ্রহের জন্য এবং জাল ভোট প্রদানের জন্য রাষ্ট্রীয় ভোটার আইডির সার্ভার ব্যবহার করতেছে। ভোট ডাকাতিতে জড়িত আওয়ামীলীগের নেতাদের মুঠোফোনে জাতীয় ভোটার আইডির মূল সার্ভার অপারেটিং হচ্ছে। আমরা জানতে চাই, রাষ্ট্রীয় ভোটার আইডির মূল পাসওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃত্বের হাতে কিভাবে আসলো? ইতিপূর্বে লক্ষ্মীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপনির্বাচনে ৫৭ সেকেন্ডে ৪৬ টি জাল ভোট দেওয়ার রেকর্ড হয়েছে। এই নির্বাচনেও তারা গায়েবি জাল ভোট দিয়ে পার্সেন্টিস বাড়িয়ে বিদেশীদের দেখানোর আয়োজন করছে। ভোটার টানতে সাধারণ মানুষের এনআইডি, সরকারি সুবিধাভোগীদের কার্ড ও অফিসের কার্ড নিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। জনবিচ্ছিন্ন আওয়ামীলীগের জাল ভোটই একমাত্র সম্বল।

তিনি শুক্রবার (৫ জানুয়ারী) দুপুরে প্রবর্তক মোড়, পাঁচলাইশ আবাসিক ও মেডিকেল এলাকায় সরকার পতনের একদফা দাবি ও ৭ জানুয়ারীর নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে জনমত তৈরির লক্ষ্যে মহানগর সিএনজি চালক দলের মিছিল, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, দোকানদার ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করে আসন ভাগাভাগির একতরফা ডামি নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বিনা ভোটের আওয়ামী সরকার ও নির্বাচন কমিশন একাট্টা হয়ে গণ আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়িয়ে একটি প্রহসনের নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এক তরফা নির্বাচনের নামে হাজার কোটি টাকা ধ্বংস করে দেশের অর্থনীতি ক্ষতি করা হচ্ছে। এই নির্বাচন হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতাসীনদের লুটপাট ও অনিয়ম জারি রাখার নির্বাচন। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে কোটিপতি হওয়ার অবৈধ পদ্ধতিকে অব্যাহত রাখার নির্বাচন। এই নির্বাচন হচ্ছে ক্ষমতাসীনদের পারস্পরিক ক্ষমতা ভাগাভাগির নির্লজ্জ খেলা। গত তিনটি নির্বাচনে দেশের তরুণ প্রজন্মের ভোট ডাকাতি করা হয়েছে। এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মানে হল ক্ষমতাসীনদের সকল অন্যায় জুলুম ও দুর্নীতিকে বৈধতা দেওয়া। তাই দেশপ্রেমিক কোন নাগরিক ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। দেশ ও জাতির স্বার্থে ৭ জানুয়ারি ভোট বর্জন করুন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য জাকির হোসেন, চালক দলের উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. আনিস, মহানগর সিএনজি চালক দলের সভাপতি নুর মিয়া মধু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাকিব, সহ সভাপতি মো. খোকন, মো. ইদ্রিছ, মো. ইসরাফিল, আইয়ুব আলী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসমাঈল, নুর আলম প্রমূখ।

এছাড়া মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান ও আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাশেমের নেতৃত্বে হালিশহর বড়পুল এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। এতে অংশ নেন বিএনপি নেতা শহীদ মো. চৌধুরী, দিদারুল আলম, নকিব উদ্দীন ভুইঁয়া, ইলিয়াছ চৌধুরী, খুরশিদ মাঝি, পারভেজ আলম, মো. আসিফ, মো. মুরাদ, আফছারুল ইসলাম, মো. মাইনু, মো. ইউনুছ। তাছাড়া দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আজম উদ্দিনের নেতৃত্বে বন্দর ইপিজেড এলাকায় কারাবন্দী বিএনপি নেতা এম এ আজিজ সহ সকল নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি ও সদস্য সচিব কামরুদ্দিন সবুজের নেতৃত্ব শাহ আমানত ব্রীজ এলাকায় হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মো. হোসেন টিটুর নেতৃত্বে বন্দর নেভী হাসপাতাল গেইট এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করা হয়।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।