খুঁজুন
, ,

নির্বাচিত হলে বৃহত্তর চাঁন্দগাও -মোহরাকে আধুনিক উপশহরে পরিণত করবো:ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 17 January, 2021, 6:31 pm
নির্বাচিত হলে বৃহত্তর চাঁন্দগাও -মোহরাকে আধুনিক উপশহরে পরিণত করবো:ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি কপোর্রেশন নিবার্চনে বিএনপির মনোনিত মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চাঁন্দগাও থানার মোহরা এলাকাটি এখনও অবহেলিত। এখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যাতায়াতসহ পর্যপ্ত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ এলাকা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে আসছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে বৃহত্তর চান্দগাও মোহরা এলাকাকে একটি আধুনিক উপশহরে পরিণত করবো। এছাড়া এখানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলবো, যাতে এলাকার মানুষজন চিকিৎসাসেবা পান। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা, কম্পিিউটার ইন্সটিটিউশন গড়ে তোলাসহ বৃহত্তর চান্দঁগাওয়ে সরকারী স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেব।

তিনি আজ রবিবার (১৭ জানুয়ারী) দিনব্যাপী নগরীর ৫ নং মোহরা ৬ নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগকালে এ কথা বলেন। তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মোহরার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে মেয়র পদে ধানেরশীষ ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের পক্ষে ভোট চান।

মোহরা ওয়ার্ডের কাপ্তাই রাস্তার মাথার পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে গণসংযোগ শুরু করে কামাল বাজার, মৌলভি বাজার, দীঘির পাড়, চেয়ারম্যান কলোনী, গোলাপের দোকান হয়ে কাপ্তাই রাস্তার মোড়ে এসে শেষ হয়।

পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের বলিরহাট বাজার থেকে শুরু করে খালাসি পুকুরপাড়, পাক্কা দোকান, সাবান ঘাটা, বাদামতল, চৌধুরী স্কুল, খরমপাড়া, শাহ ওয়ালিউল্লাহ আবাসিক, এক কিলোমিটার হয়ে রাহাত্তার পুল এলাকায় এসে শেষ হয়।

তিনি বলেন, বৃহত্তর চাঁন্দগাও মোহরার অন্যতম সমস্যা জলবদ্ধতা এবং সুপেয় পানির সংকট। কর্ণফুলী নদী ও হালদা নদীর সংলগ্ন এসব নীচু এলাকায় প্রায় সময় জোয়ারের পানিতে ডুবে থাকে। এতে করে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনগণকে চরম দূভোর্গ পোহাতে হয়। নগরীর ভরাট হয়ে যাওয়া পুরানো খাল সংস্কার এবং নতুন খাল খননসহ আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উদ্যোগ নিলে জলবদ্ধতা সংকট কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে। মেয়র নিবার্চিত হলে নগরীর সৌন্দয্য বর্ধন করে পর্যটন বান্ধব, সুপেয় পানি, পয়:নিষ্কাশন ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেব।

পথসভায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ এখনও সবার জন্য সমান হয়নি। গণসংযোগে ভয়—ভীতি প্রদর্শন করছে সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা। গতকাল আমাদের গাড়িবহরে হামলা হয়েছে, প্রশাসন তাদের এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি। এছাড়া আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে প্রত্যেক ওয়ার্ডের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে হবে।

এসময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ডা: শাহাদাত হোসেন একজন সৎ, যোগ্য, ও পরিচ্ছন্ন প্রার্থী। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে নগরবাসীর কাছে তিনি খুবই পরিচিত। তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিনিধি। আগামী ২৭ জানুয়ারী ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ডা: শাহাদাতকে বিজয় করবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন সম্পাদক ও আহবায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, সাবেক কাউন্সিলর নাজিম উদ্দীন আহমেদ, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী সিরাজ উল্লাহ, চান্দগাও থানা বিএনপির সভাপতি ও মোহরা ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী মো: আজম, পূর্ব ষোলশহর ওর্য়াড কাউন্সিলর প্রার্থী হাসান লিটন, মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী শাহে নেওয়াজ চৌধুরী মিনু, মোহরা ওর্য়াড বিএনপির সভাপতি জানে আলম জিকু, সাধারন সম্পাদক মো: ফিরোজ খান, বিএনপি নেতা মো: ইদ্রিছ মিয়া, আব্দুল আজীজ, এস এম নুরুল আলম, আব্দুল্লাহ আল সগীর, জসিম উদ্দীন, মো: ইলিয়াছ শেকু, জানে আলম, ম হামিদ, আবুল বশর, আফিল উদ্দীন আহমেদ, দিদারুল আলম হিরামন, হাজী মো: কামাল উদ্দীন, নুরুল আলম লিটন, মাহাবুব আলম, গোলাপুর রহমান, সালামত আলী, গুলজার হোসেন, মো: এসকান্দর, আকতার হোসেন, মনছুর আলম প্রমুখ।

 

Feb2
Feb2

জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 3:54 pm
জকসু ভিপি ও জিএসকে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও ছাত্রশিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস আব্দুল আলিম আরিফকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংঘর্ষের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি রিয়াজুল ইসলামকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে তাকে একটি রিকশায় উঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিএস আব্দুল আলিম আরিফকেও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। জানা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের নেতাকর্মী।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করে।

সংঘর্ষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তি ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকর্মী এবং জবি প্রেস ক্লাবের অর্থ-সম্পাদক কামরুজ্জামান আহত হন।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ছাত্রদল কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ঘটনার কারণ ও দায় নিরূপণে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 2:35 pm
গণমাধ্যম যেন হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে, করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো গণমাধ্যম যেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করে সে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আগেও এ বিষয়ে সরকার গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছিল। যদি কেউ আগাম প্রচার করে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং সেটি প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তবে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।

তিনি বলেন, আমরা আবারও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেব, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন। আদালতের নির্দেশনা মানা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

তিনি ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরে বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া ঠিক হতো না। কেউ যদি আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে তিনি আদালতেই গিয়ে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সেটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার তো তাকে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এজন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ পাবেন। আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।

সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পাওয়ার তথ্য সরকার দুই-তিন দিন পর জানল কেন? একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমি বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব এবং তার সঙ্গে কথা বলব। কেন এ ধরনের গ্যাপ হয়েছে, সেটি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনো আগের সরকারের প্রভাব রয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগ বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তবে ১৫ বছর ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের সবাইকে একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে প্রশাসনসহ নানা প্রতিষ্ঠানে আগের সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষ এখনো রয়েছেন। চাইলেই এত মানুষকে একসঙ্গে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। ১৫ বছরে বিভিন্ন স্তরে যারা উঠে এসেছেন, তাদের পরিবর্তে নতুনদের আনতে সময় লাগে।

তিনি আরও বলেন, শুধু বদলি করলেই হবে না, নতুন কর্মকর্তাদের দক্ষতা অর্জনেরও বিষয় রয়েছে। সরকার ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করছে, তবে এমনভাবে নয় যাতে রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চেষ্টা শুধু নয়, কাজও চলছে। তবে এমনভাবে পরিবর্তন করা হচ্ছে না, যাতে ভঙ্গুর সিস্টেম আরও ধ্বংস হয়ে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 4 August, 2026, 12:57 pm
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন হচ্ছে ৫ আগস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহীদ ও যোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (০৫ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মন্ত্রী জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণ করবেন। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জুলাই জাদুঘর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, উদ্বোধনের পরদিন, অর্থাৎ ৬ আগস্ট থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।