খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাবি থেকে ছাত্রলীগের ৮ নেতাকে বহিষ্কার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৯ অপরাহ্ণ
শাবি থেকে ছাত্রলীগের ৮ নেতাকে বহিষ্কার

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ছাত্রলীগ নেতা রাজীব সরকারের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেছে শাবি প্রশাসন।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় আরেক ছাত্রলীগ নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার সিন্ডিকেটের ২১৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শাবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এই সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মস্তাবুর রহমান।

একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য সূত্রে জানা যায়, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভাগ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক রাজীব সরকারের ওপর হামলার ঘটনায় সাত শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার ও বিভিন্ন পরিমাণ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে আরও এক সেমিস্টার বহিষ্কার করার সুপারিশও করা হয়েছে।

অন্যদিকে এর পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের মারামারি কিংবা সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরা সবাই শাখা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এ ছাড়া এ ঘটনায় গ্রেফতার শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুস্তাকিম আহমেদ মুস্তাকের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এক সেমিস্টার বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাবি ছাত্রলীগ সদস্য এমএ আরিফ (১০,০০০ টাকা জরিমানা), একই বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাবি ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের যুগ্ম সম্পাদক আবদুল বারী সজীব (৮,০০০ টাকা জরিমানা), শাবি ছাত্রলীগের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের যুগ্ম সম্পাদক সুমন মিয়া (৩,০০০ টাকা জরিমানা), ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগকর্মী মো. রিশাদ ঠাকুর (৮,০০০ টাকা জরিমানা), ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাবি শাখা ছাত্রলীগের অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সহসভাপতি মাহবুব আল আমিন শোভন (৭,০০০ টাকা জরিমানা), বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভাগ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক কাওসার আহমেদ সোহাগ (৫,০০০ টাকা জরিমানা), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী ও বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার আহমদ রানা (৬,০০০ টাকা জরিমানা)।

এ ছাড়া ২০১৮ সালের ২৫ মার্চ শাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান নাঈমকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাবি ছাত্রলীগের গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশিদ রাসেলকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সিন্ডিকেটে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ছাত্রলীগের বাংলা বিভাগ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক রাজীব সরকারের ওপর ধারালো অস্ত্র ও জিআই পাইপ দিয়ে হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

পরে রাজীবকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। রাজীবের মাথা ও পিঠে ৭০টির মতো সেলাই দিতে হয় তখন।

হামলার পর গত ২৫ মার্চ জালালাবাদ থানায় রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে বহিষ্কৃতদের আসামি করে একটি মামলা করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…